Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গ্রামেও ফুটবে ভালোবাসার ফুল..

গ্রামেও ফুটবে ভালোবাসার ফুল..
ফুল বিক্রেতা, ছবি - বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
রাজবাড়ী
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গতকাল ছিল পহেলা ফাল্গুন। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। শীতের আমেজ কাটিয়ে বসন্ত এখন বাংলার ঘরে ঘরে। বসন্তের উন্মাদনায় মেতে উঠেছে সারা বাংলা। আর বসন্তের প্রথম প্রহর শেষ হতেই চলে এসেছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস।

ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে তরুণ-তরুণীরা মেতে উঠবে হৃদয়ের স্পন্দনে। তবে শুধু শহর কেন্দ্রিকই নয়, দিবসটি ঘিরে বাংলার গ্রামাঞ্চলেও ফুটবে ভালোবাসার রঙিন ফুল। ভালোবাসা দিবসে তাদের প্রিয়জনকে শুভেচ্ছা জানাতে পিছিয়ে থাকবে না গ্রামের তরুণ-তরুণীরাও।

ভালোবাসা দিবসটিকে ঘিরে রাজবাড়ীর পাঁচ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও এখন সাজ সাজ রব। গ্রামের মোড়ে সিজনাল ব্যবসায়িরা ফুলের দোকান দিয়ে বসে গেছে। বসন্ত এবং ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে ফুলের দোকানীরা এখন বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। ছোট ছোট বালতির মধ্যে পানি রেখে তার মধ্যে বাহারি রঙের ফুল  সাজিয়ে তারা আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন ক্রেতাদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/14/1550102892846.jpg

বালিয়াকান্দি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন সন্ধি কালেকশনের স্বত্বাধিকারি স্বপ্না ঘোষ বার্তা২৪.কমকে জানান,  জাতীয় দিবসগুলো ছাড়াও প্রতি বছরই ফুলের দোকান দেন তিনি। বিশেষ করে ঋতুরাজ বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসকে মাথায় রেখে যশোর থেকে বেশ কয়েক দিন আগেই বিভিন্ন প্রজাতির ফুল এনে সংরক্ষণ করেন। যেহেতু গ্রামাঞ্চলে ফুল বিক্রি করা হয়, তাই এবার প্রায় ৫০ হাজার টাকার মতো ফুল এনেছেন তিনি এবং আশা করছে সব ফুলই বিক্রি হয়ে যাবে।

ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে আরেক সিজেনাল ফুল বিক্রেতা বালিয়াকান্দি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী অনিক সিকদার বার্তা২৪.কমকে বলেন,  ‘বসন্ত ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে বেশ ভালো ফুল বিক্রি হয়। তাই আমি পড়া-লেখার পাশাপাশি এবার ফুল বিক্রি করছি’।

সে জানায়,  একটি গোলাপ ফুল পহেলা ফাল্গুনের জন্য ৩০ টাকা আর ভালোবাসা দিবসের জন্য ৫০-৭০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হবে। শুধু গোলাপই নয় তার কাছে প্রায় ৭-৮ প্রজাতির রঙিন ফুলও রয়েছে।

তবে এই ফুল বিক্রেতা অভিযোগ করে বলেন,  প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর ফুলের দাম অনেক বেশি। তাই এবারে লাভ না লোকসান হবে, তা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছেনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রেমিক যুগল বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ জীবনের থেকেও যাকে বেশি ভালোবাসি, সেই মানুষটিকে স্পেশাল ডে তে একটি ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবো না তা কি হয়। একটি ফুলের যত দামই হোকনা কেন প্রিয় মানুষটির জন্য অবশ্যই ফুল কিনবো। তার জন্য আলাদাভাবে বরাদ্দ করা রয়েছে’।

তবে এসময় একটু অভিযোগের সুরে বলেন, ‘আমাদের ভালোবাসার অনুভূতিকে জিম্মি করে কিছু কিছু ফুল বিক্রেতা অতিরিক্ত ফুলের দাম চেয়ে বসে থাকেন। উপায়ন্তর না পেয়ে লজ্জা-শরম ফেলে সেই দামেই ফুল কিনতে হয়’।

আপনার মতামত লিখুন :

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরি ঘাট/ ফাইল ছবি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া অভিমুখী একটি ফেরির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যাওয়ায় ফেরিটি মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ফেরিটি পাটুরিয়া ফেরিঘাট পন্টুনে এসে পৌঁছায়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি পাটুরিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল বলেন, ‘কেরামত আলী ফেরি ছোট বড় ২০টি যাত্রীবাহী গাড়ি নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

প্রবল স্রোতের বিপরীতে ফেরিটি দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে যায়। কিন্তু দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে নদীতে স্রোত বেশি থাকায় ফেরিটি বার বার চেষ্টা করেও ঘাটে ভিড়তে পারেনি।

স্রোতের বিপরীতে দফায় দফায় চেষ্টা করার কারণে এক পর্যায়ে ফেরিটির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যায়। ইঞ্জিন দুর্বল থাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

তবে এতে ফেরির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। ফেরিতে থাকা গাড়ি বা যাত্রীদেরও কোনো ক্ষতি হয়নি। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফেরিটি দৌলতদিয়া থেকে রাতেই পাটুরিয়ায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ফেরিতে থাকা গাড়ি ও যাত্রীদের অন্য ফেরিতে নিরাপদে দৌলতদিয়া ঘাটে পাঠানোর সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান মহিউদ্দিন রাসেল।

এদিকে ফেরির যাত্রীরা মোবাইল ফোনে কিংবা মেসেঞ্জারে ফেরিতে আগুন ধরার খবর তাদের পরিবার ও স্বজনদের জানালে মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এতে খুবই চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে যাত্রীদের পরিবার।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অঞ্চলের ডিজিএম আজমল হোসেন বলেন, ‘তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে সময় লাগছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ। ফলে বিপুল সংখ্যক গাড়ি পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে।’

ভাসমান কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী স্বদেশ প্রসাদ মণ্ডল বলেন, ‘পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌপথে যে ফেরিগুলো আছে তার অধিকাংশই পুরাতন। স্রোতের বিপরীতে চলতে যেয়ে মাঝে মধ্যেই ফেরি বিকল হয়ে পড়ছে। ছোট ফেরি স্রোতের প্রতিকূলে চলতেই পারছে না। তবে ফেরি মেরামতে সাধ্যমত চেষ্টা করা হচ্ছে।’

পাটুরিয়া ঘাট পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আরাফাত রাসেল বলেন, ‘নদীতে তীব্র স্রোত ও ফেরি সংকটে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। পানি বাড়ার ফলে পন্টুন ডুবে যাচ্ছে। এ কারণে প্রতিদিনই পন্টুন সরিয়ে উপরে উঠানো হচ্ছে।’

পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি

পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পঞ্চগড়ে দুস্থ গর্ভবতী নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতা দিচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। কিন্তু এই ভাতা নিতে এসে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় গর্ভবতী নারীদের। সোনালী ব্যাংকের পঞ্চগড় শাখায় মাতৃকালীন ভাতা নিতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাদের।

মাত্র একজন কর্মকর্তা দিয়ে দেড় হাজার দুস্থ নারীকে এই ভাতা দেওয়া হয়। ফলে ভাতা বিতরণ প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় গর্ভবতীদের।

বৃহস্পতিবার (১৮জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায়, ভাতা উত্তোলন করতে আসা নারীদের দীর্ঘ লাইন, ভাতা বিতরণেও ধীর গতি। লাইনে থাকা বেশিরভাগ নারীই সন্তান প্রসবের শেষ সময়ের দিকে। ফলে ভাতার অপেক্ষায় নাজেহাল অবস্থা তাদের। প্রচণ্ড গরমে অনেকেই অসুস্থপ্রায়!

Panchagar

মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে আসা সদর উপজেলার জগদল এলাকার সেলিনা পারভিন বলেন, 'এক দিনে সব এলাকার মহিলাদের ভাতা প্রদান করায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ফলে বিপাকে পড়েছি আমরা।'

একই উপজেলার গোয়াঝাড় এলাকার মনিরা বেগম বলেন, 'মাত্র একজন দিয়ে ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে আছি আমি। আমাদের দাবি- সরকার যদি মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান সহজ করে তাহলে আমাদের দুর্ভোগ হবে না।’

পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক এ কে এম মতিয়ার রহমান জানান, 'আমাদের জনবল সংকট ও অন্য কাজের চাপ থাকায় একজন অফিসার দিয়েই ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র