Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফরিদপুরের কুমার নদ খননে মন্ত্রণালয়ের অসন্তোষ

ফরিদপুরের কুমার নদ খননে মন্ত্রণালয়ের অসন্তোষ
কুমার নদ খনন প্রকল্প পরিদর্শনে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইউসুফ, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ফরিদপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরে কুমার নদ খনন প্রকল্পের অগ্রগতি দেখে অসন্তেুাষ প্রকাশ করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইউসুফ। নদের ১৩১ কিলোমিটার অংশ খননের জন্য ২৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজের উদ্বোধনের পর দেড় বছরে শেষ হয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ কাজ।

বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে অতিরিক্ত সচিব মো. ইউসুফ ওই প্রকল্প পরিদর্শনে যান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম ওহেদউদ্দিন চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলি আব্দুল হেকীম ও নির্বাহী প্রকৌশলি সুলতান মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দেড় বছরে মাত্র ১৩ শতাংশ কাজের অগ্রগতি দেখে হতাশা ব্যক্ত করেন তিনি। বলেন, এইভাবে কাজ চলতে থাকলে নির্ধারিত সময়ে কোনোভাবেই প্রকল্প শেষ করা যাবে না। সরকার দেশে চলমান উন্নয়ন কাজে অগ্রগতি ও মানের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550763295728.jpg

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডিপিএমএ’র মাধ্যমে এই কাজ করতে গেলে শেষ করা যাবে না। তাই ওটিএম’র মাধ্যমে কাজটি করা যায় কি-না সেটি দেখা হচ্ছে।

সরকারে এই কর্মর্কতা প্রথমে যান ফরিদপুর শহরতলীর কানাইপুরের মৃগি এলাকায়। তারপর তিনি গঙ্গাবদ্দি হয়ে বাহিরদী ব্রীজ ঘুরে চলে যান শহরের টেপাখোলার মদনখালী স্লুইজ গেটে এলাকায়।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর শহরের টেপাখোলার মদরখালী পদ্মা নদী হতে উৎপত্তি হয়ে জেলা সদর, নগরকান্দা, সালথা, বোয়ালমারী এবং ভাঙ্গা উপজেলার মধ্যে দিয়ে ৭১ কিলোমিটার পরিভ্রমণ করে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা দিয়ে মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট নৌ-বন্দর হয়ে সেখানকার বিল রুটে পতিত হয়। কুমার নদের দৈর্ঘ্য ১৩১ কিলোমিটার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550763283500.jpg

বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর তত্ত্বাবধানে পানি উন্নয়ন বোর্ড এই প্রকল্পটি বাস্তাবায়নের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর। বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর প্রতিষ্ঠানের (ডকেয়া ডান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্স লিমিটেড) মাধ্যমে খনন কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর ফরিদপুরের সদর, নগরকান্দা, সালথা, বোয়ালমারী, ভাঙ্গা এবং পার্শ্ববর্তী গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ৩০ হাজার ৫০০ হেক্টর কৃষি জমির সেচের আওতায় আসবে।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলি মো. সুলতান মাহমুদ জানান, প্রকল্পের আওতায় নদী খনন ও রেগুলেটর নির্মাণের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে নদীতে কমপক্ষে ছয় ফুট গভীরতায় পানি প্রবাহ রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এটি বাস্তাবায়িত হলে কৃষি ও দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত পানির সমস্যার সমাধান হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ভুঞাপু‌রে কম‌তে শুরু ক‌রে‌ছে যমুনার পা‌নি

ভুঞাপু‌রে কম‌তে শুরু ক‌রে‌ছে যমুনার পা‌নি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

টাঙ্গাই‌লের ভুঞাপু‌র উপজেলায় যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। শুক্রবার (১৯ জুলাই) বি‌কে‌লের পর থে‌কেই পানি কমতে দেখা যায়।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, ভুঞাপুরে যমুনা নদীর পা‌নি দুই সে‌ন্টি‌মিটার ক‌মে বিপদসীমার ৯৭ সে‌ন্টি‌মিটার ওপর দি‌য়ে বইছে। অথচ দুপুরেও এই পয়েন্টে পা‌নি ‌বিপদসীমার ৯৯ সে‌ন্টি‌মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

Tangail Flood

টাঙ্গাইলের পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, বি‌কে‌লের পর থে‌কে যমুনা নদী‌তে কিছুটা পা‌নি হ্রাস পে‌য়ে‌ছে। ধারণা করা হচ্ছে, শ‌নিবার (২০ জুলাই) থে‌কে পা‌নি আরও কমবে।

আরও পড়ুন: ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক মেরামতে সেনাবাহিনী

ছেলে ধরা গুজব ছড়িয়ে পরিবার আটক

ছেলে ধরা গুজব ছড়িয়ে পরিবার আটক
গুজব ছড়িয়ে এক পরিবারের চার সদস্যকে আটক করে স্থানীয়রা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বগুড়ায় ছেলে ধরা গুজব ছড়িয়ে প্রাইভেট কারসহ একটি পরিবারকে আটক করে স্থানীয় পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এলাকাবাসী। এ সময় অল্পের জন্য গণপিটুনী থেকে রক্ষা পেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় বগুড়া শহরতলীর সাবগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বগুড়া মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য সরোয়ার হোসেন প্রাইভেট কার যোগে স্ত্রী সন্তান নিয়ে সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীতে বন্যার পানি দেখতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে গাবতলী পৌর সভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল রানার মোটরসাইকেলের সাথে প্রাইভেট কারের ধাক্কা লাগে।

এ সময় প্রাইভেট কার থামাতে বললে চালক সরোয়ার হোসেন না থামিয়ে বগুড়া শহরের দিকে যেতে থাকেন। সোহেল রানা মোটরসাইকেল নিয়ে প্রাইভেট কারের পিছু ধাওয়া করেন।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে প্রাইভেট কারটি সাবগ্রাম দ্বিত্বীয় বাইপাস মহাসড়কে যানজটে আটকা পড়লে সোহেল রানা ছেলে ধরা গুজব ছড়ান। এ সময় স্থানীয় জনগণ প্রাইভেট কারে দুই শিশু দেখে তাদেরকে আটক করে। মুহূর্তের মধ্যে ছেলে ধরা গুজব ছড়িয়ে পড়লে শত-শত জনগণ তাদেরকে ঘেরাও করে।

সরোয়ার হোসেন এ সময় স্ত্রী সন্তান নিয়ে দৌড়ে একটি দোকান ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রেজাউল করিম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘থানায় আসার পর ভুল বোঝাবুঝির অবসান হলে সরোয়ার হোসেন স্ত্রী সন্তান নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র