Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পথের বাধা সংসদ উপনেতার ছেলে লাবু!

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পথের বাধা সংসদ উপনেতার ছেলে লাবু!
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ফরিদপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মনিরুজ্জামান সরদারের পাশে নেই আওয়ামী লীগ নেতারা। অপরদিকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী শাহ জামান বাবুলের সঙ্গে জোট বেধেছে তারা।

নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর রাজনৈতিক প্রতিনিধি পুত্র শাহদাব আকবর চৌধুরী লাবুর নির্দেশের কারণে তারা বাধ্য হচ্ছেন বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে। লাবু তাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ যাকেই মনোনয়ন দিক না কেন আমার প্রার্থী বাবুল কাজী। তাকে জেতাতে হবে।

আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী মনিরুজ্জামান সরদার জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি। তিনি নগরকান্দা উপজেলার সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছিলেন। আ.লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শাহ জামান বাবুল কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সাবেক সহ সম্পাদক। বিত্তশালী হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রভাব রয়েছে তার।

মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় মনিরুজ্জামানের পাশে উপজেলা আ.লীগের বর্তমান কমিটির কোন সদস্য ছিলেন না। তার পাশে ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য খন্দকার জাকির হোসেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার আলতাফ হোসেন।

অথচ আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহ জামানের সঙ্গে ছিলেন উপজেলা আ.লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুস সোবাহান মিয়া, উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি কালাম কাজী, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, উপজেলা আ.লীগের দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রহমান পথিক, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আরিফ হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, কাইচাইল ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেনসহ অনেকে।

উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার জাকির হোসেন জানান, আমার রক্তে আ.লীগ। আমি নৌকার সঙ্গে বেঈমানী করতে পারি না। দলীয় প্রার্থীর পক্ষে আ.লীগের নেতাদের না থাকার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শাহদাব আকবর আ.লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের ফোন করে বলেছেন, দল যাকেই মনোনয়ন দিক না কেন, আমার প্রার্থী শাহ জামান বাবুল। আপনাদের তার পক্ষে কাজ করতে হবে।’ জাকির হোসেন আরও বলেন, ‘তবে শাহদাব আমাকে কোন ফোন করেনি।’

কেন বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন জানতে চাইলে উপজেলা যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী যাকে মার্কা দিয়েছেন আমাদের সকলে মিলে তার পক্ষে কাজ করা উচিত। কিন্তু আমরা তা করতে পারছি না ছোট মামার (লাবু) জন্য । তিনি বলেছেন, দল অন্য কাউকে নৌকা প্রতীক দিলেও তার প্রার্থী বাবুল কাজী।

আ.লীগ প্রার্থী মনিরুজ্জামান জানান, উপজেলা ও ইউনিয়ন আ.লীগের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছে নির্বাচনে তাকে সাহায্য করতে পারবেন না। সংসদ উপনেতার ছেলে লাবু চৌধুরী স্থানীয় নেতাদের ঢাকা থেকে ডেকে নিয়ে নৌকার পক্ষে নির্বাচন না করে শাহ জামানের পক্ষে নির্বাচন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। এই অবস্থায় নেতা-কর্মীরা শাহদাব আকবরের ভয়ে তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং কেউ কেউ নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে বিরত রয়েছেন।

এ অভিযোগের ব্যাপারে শাহদাব আকবর চৌধুরীকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। কথা হয় সংসদ উপনেতার এপিএস শফিউদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, শাহদাব প্রকাশ্যে নৌকার বিরোধিতা করেননি। তবে তার পছন্দের কথা তিনি গোপনে কাউকে কাউকে হয়তো জানিয়ে থাকতে পারেন। তিনি (শাহদাব) নৌকা বিরোধী কোন কাজও করছেন না বলেও দাবি করেন শফিউদ্দিন চৌধুরী।

উপজেলা নির্বাচনের ২য় ধাপে ১৮ই মার্চ নগরকান্দা উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থী। এরা হলেন- আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী মনিরুজ্জমান সরদার, আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী শাহ জামান, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য তালুকদার নাজমুল ইসলাম ও জাকের পার্টির খাইরুজ্জামান টিটু।

আপনার মতামত লিখুন :

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ
পাসের খবরে উল্লাসে মেতেছে শিক্ষার্থীরা। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় চলতি বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা বেড়েছে। এবার এই বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬০ দশমিক ৪০ শতাংশ।

আর জিপিএ-৫ গত বছরের চেয়ে এবার বেশি পেয়েছে ৩ হাজার ২শ ২৩ শিক্ষার্থী। পাসের হারের দিক থেকে খুলনা জেলা সবার উপরে। ওই জেলায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং সবচেয়ে খারাপ করেছে নড়াইল জেলা। তাদের পাসের হার ৬৯ দশমিক ৪০ শতাংশ।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, চলতি বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা বেড়েছে।

তিনি আরও জানান, এ বছর ইংরেজি, পরিসংখ্যান ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে ছেলেমেয়েরা একটু খারাপ করেছে।

যশোর বোর্ডে এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১ লাখ ২৬ হাজার ২২৯ জন। পাস করেছে ৯৫ হাজার ৪৯৫ জন। পাসের দিক থেকে ছাত্রীরা এগিয়ে। ছাত্রীরা পাস করেছে ৪৮ হাজার ৫৩ জন এবং ছেলেরা পাস করেছে ৪৭ হাজার ৪৪২ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৩১২ জন। যেখানে গত বছর পেয়েছিল ২ হাজার ৮৯ জন।

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সাথে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের শিক্ষকরা/ ছবি: সংগৃহীত

২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে ৪৬ জন গোল্ডেন জিপিএ-৫সহ শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

কলেজ অধ্যক্ষ আতিকুর রহমান জানান, এ বছর কলেজ থেকে মোট ৫২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৪৬ জন গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে এবং ছয় জন পেয়েছে এ-গ্রেড। অন্যান্য বারের ন্যায় এ বছরও ফলাফলে শতভাগ পাশের গৌরব অর্জন করেছে ঐতিহ্যবাহী এই ক্যাডেট কলেজ।

ক্যাডেটদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অভিভাবকদের আন্তরিকতা ও শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান অধ্যক্ষ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র