Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে উঠলেন বৃদ্ধা বানতের নেছা

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে উঠলেন বৃদ্ধা বানতের নেছা
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে উঠলেন বৃদ্ধা বানতের নেছা / ছবি: বার্তা২৪
জাহিদ পাটোয়ারী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
কুমিল্লা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বৃদ্ধ বয়সে ভাঙা কুড়ে ঘরে কোনো রকম দিনপার করছিলেন ৮৩ বছরের বৃদ্ধা বিধবা বানতের নেছা। তিনি ভেবেছিলেন এই ভাঙা ঘরে এভাইে হয়তো জীবনের শেষ সময়টা অতিবাহিত করতে হবে। কিন্তু তার ভাবনা ভাবনাতেই আটকে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দ্ররিদ্রদের জন্য আলোর দিশারী হয়ে আসে আশ্রয়ন-২ প্রকল্প।

‘আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ এই স্লোগান নিয়ে যে প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে জমি আছে ঘর নেই এমন দরিদ্র মানুষদের তালিকা তৈরি করে তাদের জমিতে সম্পূর্ণ সরকারি খরচে আধা পাকা ঘর ও একটি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। সেই সুবিধা ভোগীদের একজন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের আলীরচর গ্রামের বৃদ্ধা বানতের নেছা।

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর পেয়ে তার যেন খুশির অন্ত নেই। বার্তা২৪.কমকে তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি আপ্লুত হয়ে পড়েন, বলেন, ‘আগে আমি অনেক কষ্টে দিন কাডাইছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমারে একটা ঘর কইরা দিছে, একটা টয়লেট কইরা দিছে। অহন আমার আর কোনো কষ্ট নাই। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লাইগা দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাঁরে সুস্থ রাহে (রাখে)।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুল হাই খান বার্তা২৪.কমকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় মুরাদনগর উপজেলার ২২টি ইউনিয়নে মোট ৩৭৬টি দরিদ্র পরিবারকে তাদের নিজেদের জমিতে সরকারি খরচে আধা পাকা ঘর ও একটি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিতু মরিয়ম বার্ত২৪.কমকে বলেন, ‘আশ্রয়ন-২এর জমি আছে ঘর নেই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ প্রকল্প। আমরা এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি করে মাঠ পর্যায় থেকে যারা ঘর পাবার উপযুক্ত তাদের তালিকা করে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছি। গঠিত কমিটির মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন প্রকল্পের সকল কার্যক্রমের প্রতিটি পর্যায়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করছে।’

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম খসরু বার্ত২৪.কমকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার, জনগণের সরকার এবং জনবান্ধব সরকার। দেশের দরিদ্র মানুষের সরকারি খরচে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়ে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন যে, এই সরকার জনগণের কল্যাণে প্রান্তিক পর্যায়েও কাজ করে যাচ্ছেন।’

আপনার মতামত লিখুন :

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে মোটরসাইকেলে পিষ্ট হয়ে মোঃ সাদ হোসেন (১০) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে।

নিহত সাদ শিবচর উপজেলা গুপ্তেরচর নাজমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্র। সে দত্তপাড়া ইউনিয়নের গুপ্তেরচর গ্রামের মোঃ খাইরুল ইসলামের ছেলে। 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সূর্যনগর বাজার সংলগ্ন গুপ্তেরচর এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিল শিশু সাদ। তখন বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া মোটরসাইকেল তার শরীরের উপর উঠে যায়।

পরিবারের লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়। পরে রাত সাড়ে ১১টায় ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ, গতকাল (১৯ আগস্ট) দুপুর দেড় টায় একই রাস্তায় (ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক) মাত্র ২ কিলোমিটার ব্যবধানে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মোটরসাইকেল আরোহী শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাবুল শিকদার (৫৫) নিহত হন।

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া
বরগুনায় ইলিশের বাজার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনায় বাজারগুলোতে জাটকার ছড়াছড়ি থাকলেও দেখা মিলছে না বড় ইলিশের। আর মাছ ধরার মৌসুম হলেও এসব জাটকা বিক্রি হচ্ছে বেশ চড়া দামে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বরফ দেওয়া মাছও তাজা বলে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকটা বাধ্য হয়ে বেশি দাম দিয়েই জাটকা কিনতে হচ্ছে। আর মাছ ব্যবসায়ীদের দাবি, ঈদের পর হওয়ায় মাছের দাম একটু বাড়তি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245039647.jpg

 

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বরগুনার কয়েকটি মাছের বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, ১০ ইঞ্চির ছোট জাটকায় ভরে আছে বাজার। ছোট মাছ (২০০ গ্রামের কম) প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, মাঝারি (২৫০-৩০০ গ্রাম) ৮০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২০০ টাকায়। আর এক কেজির বেশি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে দুই-তিন হাজার টাকা।

মাছ ক্রেতা রানী বেগম জানান, এক কেজি জাটকা কিনেছেন ৫০০ টাকায়। এক কেজিতে হয়েছে ৬টি ইলিশ। যা সাধারণ মাছের দামের চেয়ে তিনগুণ।

মাছ ব্যবসায়ী আবুল হোসেন জানান, ঈদের পর মাছের দাম একটু বেশি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245068318.jpg

 

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'গত নভেম্বর-জুন পর্যন্ত জাটকা ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় এখন অনেক ইলিশ ধরা পড়ছে।'

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ্ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'মৎস্য আইন অমান্য করে জাটকা ইলিশ ধরলে ও তা বিক্রি করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর আগামীকাল থেকে মাছের বাজারগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।' 

আরও পড়ুন, পটুয়াখালীতে জমে উঠেছে ইলিশের বাজার

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র