Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চাষ ছাড়াই এক বাড়িতে অর্ধশতাধিক মৌচাক

চাষ ছাড়াই এক বাড়িতে অর্ধশতাধিক মৌচাক
ভবনের কার্নিশে ঝুলছে মৌচাক / ছবি: বার্তা২৪
মাসুদুর রহমান
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
গোপালগঞ্জ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মাদারীপুরের সদর উপজেলার দক্ষিণ খাকছাড়া এলাকার দুই তলা বিশিষ্ট একটি ভবনে কোনো প্রকার চাষ ছাড়াই গত ১০ বছরে প্রায় অর্ধশতাধিক মৌচাক নিয়ে বাসা বেঁধেছে মৌমাছি। ভবনটির কার্নিশ, বারান্দা ও দরজাসহ বিভিন্ন অংশে এসব মৌচাক ঝুলে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মৌমাছির বাসা থাকায় স্থানীয়রা বাড়িটির নাম দিয়েছেন ‘মৌচাক বাড়ি’।

এছাড়া বাড়িটির চারপাশে মৌমাছির আনাগোনা আর দৃষ্টিনন্দন এই দৃশ্য দেখার জন্য অনেকই ছুটে আসেন দূর-দূরান্ত থেকে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ খাকছাড়া গ্রামের কবির মল্লিকের দু’তলা ভবনের কার্নিশ, বারান্দার দেয়াল ও দরজার উপরের অংশসহ প্রায় সব জায়গায় ঝুলছে মৌচাক। এমনকি ভবনের আশেপাশে থাকা গাছগুলোর ডালেও মৌচাকের দেখা মেলে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/02/1551485584867.jpg

মৌচাক বাড়ির গৃহকর্তা কবির মল্লিকের তিন ছেলের দুজনই ইতালি প্রবাসী এবং একজন সরকারি চাকরিজীবী।

কবির মল্লিক বার্তা২৪.কমকে বলেন, `প্রায় এক যুগ আগে বাড়িটি তৈরি করার পর থেকেই মৌমাছি বাসা বাঁধতে শুরু করে। আস্তে আস্তে ভবনটির বিভিন্ন অংশে মৌচাকে ভরে যায়। আমার মৌমাছি দেখতে খুব ভাল লাগে। মৌমাছি আমাদের বাড়ির কাউকে কোনো ক্ষতি করে না।’

মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করা হয় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, `আমি কারও কাছে মধু বিক্রি করি না। কেউ মৌমাছির চাকে ইটও ছোঁড়ে না। বরং সবাই মৌচাকগুলো দেখাশুনা করে রাখে। নিজেদের প্রয়োজন হলে বছরে দুই একটা চাক থেকে মধু সংগ্রহ করি। সেখান থেকেই প্রতিবেশি ও আত্মীয় স্বজনদেরকেও মধু দেই।‘

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/02/1551485768728.jpg

এলাকার মিরাজুল ইসলাম বলেন, `ভবনটিতে সব সময় মৌচাক থাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে দর্শনাথীরা এই দৃশ্য দেখতে আসে। যখন মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করা হয় তখন খাঁটি মধু আমরা খেতে পারি।’

বাড়িটি দেখতে আসা দর্শনার্থী আরিফ বলেন, `মৌচাকবাড়িটির নাম আগেই শুনেছি। তাই নিজের চোখে দেখার জন্য এখানে এসেছি। বাড়িটির চারদিকে মৌচাকগুলো দেখতে খুব সুন্দর লাগছে। মনে হচ্ছে মৌমাছির রাজ্যে এসেছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/02/1551485825519.jpg

স্থানীয়রা জানান, ২০ থেকে ২৫ বছর পূর্বে বেশিরভাগ বাড়িতেই মৌচাক দেখা যেত। কিন্তু বর্তমানে ইটভাটার কারণে দিনদিন মৌমাছি আর মৌচাক কমে যাচ্ছে। এই মল্লিকবাড়ির মৌচাকের দৃশ্যটি ছাড়া পরিবেশের ভারসাম্যহীনতার কারণে এলাকায় এখন আর তেমন মৌমাছির বাসা চোখে পড়ে না। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারলে মৌচাকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি

ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি
পানিতে তলিয়ে গেছে পদ্মার পাড়ের বাড়ি-ঘর, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে নদীর পানি। ফলে ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর নিম্নঞ্চালের পানিবন্দি মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। পদ্মা পাড়ের মানুষ একরকম জন্মলগ্ন থেকেই পানির সাথে যুদ্ধ করে বেচেঁ আছেন। তবে কৃষি নির্ভর হওয়ায় কোনোরকম নিজেদের রক্ষা করলেও গবাদি পশু ও বিস্তৃর্ণ ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জেলার সদর উপজেলা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায়ই ১৫ হাজার পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563578899227.jpg

বন্যায় ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, ডিগ্রিরচর, চরমাধবদিয়া ও আলিয়াবাদ এবং চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাউকান্দা, হাজিগঞ্জ, চরহরিরামপুর ও গাজিরটেক, সদরপুর উপজেলার চরনাছিরপুর, দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া, ঢেউখালী ও চরমানাইর ইউনিয়নের বসতবাড়ী, কয়েক হাজার একর বিস্তৃর্ণ ফসলী জমি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে।

এছাড়া সদরপুর উপজেলার ৪৪টি ও ভাঙ্গা উপজেলায় ১৪টিসহ মোট ৫৮টি বসত ভিটা গত দুদিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান মোস্তাক জানান, পানিতে তার ইউনিয়নের ৩০০ একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে কৃষকরা মারত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এছাড়া আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই গরু পালন করেছে তারাও তাদের গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, পানি বেড়েই চলছে। ফলে ভাঙনও বেড়েছে। আমরা প্রবল ভাঙন কবলিত এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে কাজ করছি।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, ‘গত তিনদিনে তিন উপজেলায় ৪০ মেট্রিকটন চালের পাশাপাশি শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। আশা করি সকলের সহযোগিতায় আপদকালীন সময় মোকাবিলা করতে পারব।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোখসানা রহমান জানান, ফরিদপুর এখনো বন্যা দুর্গত জেলায় পরিণত হয়নি। যেসব এলাকায় পানির তীব্রতা বেশি সেসব এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।

ফেনীতে বিএনপির ৮ নেতা আটক

ফেনীতে বিএনপির ৮ নেতা আটক
ছবি: সংগৃহীত

ফেনী জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিকসহ দলের অঙ্গ সংগঠনের আট নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাতে শহরের মিজান পাড়া থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃত বাকিদের মধ্যে জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন জসিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, ফেনী পৌর যুবদলের সমন্বয়ক জাহিদ হোসেন বাবরের পরিচয় জানা গেছে। আর বাকি চারজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন তাদেরকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র