Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

টঙ্গীতে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ছাত্রলীগ কর্মী নিহত

টঙ্গীতে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ছাত্রলীগ কর্মী নিহত
প্রিন্স মাহমুদ নাহিদ, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
গাজীপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গাজীপুরে টঙ্গীতে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে প্রিন্স মাহমুদ নাহিদ (২৮) নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টঙ্গীর ভরান মুন্সিপাড়া রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নাহিদ টঙ্গী পূর্ব থানাধীন দত্তপাড়া এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয় ওয়ার্ড ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

নাহিদ স্থানীয় সিরাজ উদ্দিন স্কুল এ্যান্ড কলেজের ছাত্র ছিল। ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি নাহিদ উত্তরার আব্দুল্লাহপুরে বরিশাল স’মিল এবং টঙ্গীর হোসেন মার্কেটের তামান্না স’মিলের ব্যবসা পরিচালনা করত।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নাহিদ টঙ্গী ভরান এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যা। রাতে এশার নামাজে যাওয়ার পথে মুন্সিপাড়া রোড এলাকায় একই রাজনৈতিক দলের প্রতিপক্ষ গ্রুপের ১০/১২ জন ব্যক্তি দা-ছুরি নিয়ে অতর্কিতে নাহিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ সময় ছোরার কয়েকটি আঘাত নাহিদের বুকে বিদ্ধ হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তাররা তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হলে ওই হাসপাতালের ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাহিদের নির্মম হত্যাকান্ডে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও হত্যাকারীদের কাউকে খুঁজে পায়নি পুলিশ।

তবে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুভ মন্ডল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখনও থানায় কোনো অভিযোগ কিংবা মামলা দায়ের হয়নি। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দোষিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

পাটুরিয়া ঘাটে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি

পাটুরিয়া ঘাটে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত বইছে। নৌরুটে দেখা দিয়েছে ফেরির স্বল্পতা। এ অবস্থায় ধীর গতিতে চলছে পারাপার। ফলে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি।

পারাপারের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে পরিবহন শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের। জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক, বাস ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি পারাপারে অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পণ্যবাহী ট্রাকের চালকেরা।

নৌরুট পারাপারের জন্য দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী পণ্যবাহী ট্রাক চালকদের এসব ভোগান্তি নিত্যদিনের। তবে খুব সহসাই এর থেকে তাদের রেহাই মিলছে না বলে জানায় ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন হোসেন জানান, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকালে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ৩ শতাধিক গাড়ি অপেক্ষামান ছিল। এসবের বেশির ভাগই পণ্যবাহী ট্রাক।

Paruria Ghat

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের এজিএম জিল্লুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, পদ্মা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করায় প্রচণ্ড স্রোত রয়েছে। একারণে ফেরি চলাচলে সময় লাগছে আগের চেয়ে বেশি। এছাড়াও নৌরুটে থাকা ছোট একটি ফেরি মেরামতে রয়েছে। বাকি ১৪টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে যানবাহন পারাপার কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি জানান, মেরামতের জন্য নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ডে চারটি এবং মাওয়া ঘাটে একটি ফেরি রয়েছে। ঈদের আগেই মেরামত সম্পন্ন হয়ে নৌরুটে যুক্ত হবে ওই ফেরিগুলো। এর আগ পর্যন্ত পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহনের বাড়তি চাপ পড়লে পারাপারে কিছুটা সময় অপেক্ষামান থাকতে হতে পারে।

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১১ জনের দাফন সম্পন্ন

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১১ জনের দাফন সম্পন্ন
নিহতদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেন ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত বর-কনেসহ ১১ জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার থেকে বাদ জোহর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ, রামগাঁতি, কালিয়া হরিপুর, সয়াধানগড়া, দিয়ার ধানগড়া ঈদগাহ ও এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের ঘাটিনা ঈদগাহ মাঠ ও রায়গঞ্জের উপজেলার কৃষ্ণদিয়ার গ্রামে পৃথক পৃথকভাবে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় আশপাশের গ্রামের শত শত মানুষ অংশ নেয়। শেষবারের মতো মৃতদেহগুলো দেখতে বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ ছুটে এসে ভিড় জমায়। পৃথক পৃথকভাবে সাতটি জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। চোখের পানি ঠেকাতে পারেননি অনেকেই। সান্ত্বনা দেয়ারও ভাষা ছিল না কারও কাছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563272947300.jpg
দুর্ঘটনার পরবর্তী অবস্থা, ছবি: ফাইল ফটো

 

জানাজা নামাজ শেষে উত্তর কান্দাপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে বর রাজন শেখ (২২), বরের মামাতো ভাই শিশু আলিফ বায়েজিদ (৮), চুনিয়াহাটি (কাজীপাড়া)র মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ভাষা সেখ (৫৫)কে কালিয়া হরিপুর করবস্থান, বরযাত্রী শহরের রামগাতি মহল্লার আব্দুল মতির ছেলে আব্দুস সামাদ (৫০), তার ছেলে শাকিল (২০), সয়াধানগড়া মহল্লার সুরুত আলীর ছেলে হেলপার আব্দুল আহাদ সুজন (২১), দিয়ারধানগড়া মহল্লার আলতাফ হোসেনের ছেলে শরীফুল ইসলাম (২৬)কে পৌর এলাকার মালশাপাড়া কবরস্থান, চালক স্বাধীন (৪৫)কে পৌর এলাকার রহমতগঞ্জ কবরস্থান, রায়গঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণদিয়ার গ্রামের আলম শেখের ছেলে খোকন (৩৫)কে কৃষ্ণদিয়ার পারিবারিক কবরস্থান এবং উল্লাপাড়া পৌর এলাকার এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত গফুর সেখের মেয়ে নব বিবাহিত সুমাইয়া খাতুন (১৮) ও তার ভাবি আশরাফ আলীর স্ত্রী মমতা বেগম (৩৫)কে এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের ঘাটিনা কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, বিয়ের মাইক্রোবাসটি উল্লাপাড়া থেকে বেতকান্দি যাবার পথে সলপ এলাকায় রেলক্রসিং পার হবার সময় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে ঘটনাস্থলেই ১১ জন নিহত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র