Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বউ পিটিয়ে মার খেলেন হিরো আলম

বউ পিটিয়ে মার খেলেন হিরো আলম
হিরো আলম, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বগুড়া
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বউ পেটানোর অভিযোগে বহুল আলোচিত হিরো আলমকে পিটিয়েছে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এ ঘটনায় হিরো আলম তার শ্বশুরসহ পাঁচজনের নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

এদিকে হিরো আলমের মারধরে আহত স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমিকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হিরো আলমের বিরুদ্ধে বউ পেটানোর অভিযোগ এনে থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তার শ্বশুর সাইফুল ইসলাম।

হিরো আলমের পরকীয়া এবং দ্বিতীয় বিয়ে করা নিয়ে স্ত্রীর সাথে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/06/1551863641747.jpg

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) রাতে হিরো আলমকে পেটানো হয় বলে তিনি বগুড়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করেন, স্ত্রীর সাথে দাম্পত্য কলহের জের নিয়ে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তার শ্বশুর সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমির নেতৃত্বে হিরো আলমের বাড়িতে এসে চড়াও হয়ে কাঠের বাটাম দিয়ে তাকে পেটানো হয়। পরে হিরো আলম হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে স্ত্রী-শ্বশুরসহ পাঁচ জনের নামে মঙ্গলবার রাতে বগুড়া সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এদিকে, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হিরো আলমের স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমি বার্তা ২৪.কমকে বলেন, ‘দুই মাস পর গত সোমবার রাতে হিরো আলম বগুড়া শহরতলীর এরুলিয়া গ্রামে তার বাড়িতে আসেন।’

রাতে বিছানায় শুয়ে একটানা তিন ঘণ্টা মোবাইল ফোনে ঢাকার এক নারীর সাথে কথা বলে হিরো আলম। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে সোমবার রাতেই স্ত্রীকে বেদম পেটান বলে অভিযোগ করেন তার স্ত্রী।

তিনি আরও অভিযোগ করে জানান, হিরো আলম ঢাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। একারণে বগুড়ায় থাকা স্ত্রী-সন্তানের কোন খবর রাখেন না এবং সংসার খরচ দেন না। এর প্রতিবাদ করলেই তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়।

হিরো আলমের শ্বশুর সাইফুল ইসলাম বার্তা ২৪.কমকে জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর তার মেয়েকে আবারও অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে তিনি খোঁজ পান। নির্যাতনের খবর পেয়ে মেয়ের বাড়িতে যান তিনি। মেয়েকে উদ্ধার করে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করে দেন।

এদিকে, হাসপাতালে স্ত্রী ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে হিরো আলম থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

বুধবার (৬ মার্চ) সকাল থেকে হিরো আলমের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। এছাড়া এরুলিয়া বাজারে তার অফিস এবং বাড়িতে গিয়েও তার সন্ধান মেলেনি। এ কারণে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের অভিযোগে প্রাথমিক অনুসন্ধানকারী পুলিশ কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহিম বার্তা ২৪.কমকে বলেন, 'মঙ্গলবার রাতে হিরো আলম থানায় হাজির হয়ে তার শরীরে জখমের চিহ্ন দেখান। অভিযোগের অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায়, হিরো আলমের নির্যাতনে তার স্ত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।'

আপনার মতামত লিখুন :

শিবিরে অপরাধ বন্ধে তৎপর রোহিঙ্গা নেতারা

শিবিরে অপরাধ বন্ধে তৎপর রোহিঙ্গা নেতারা
টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প/ ফাইল ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে তৎপর রয়েছেন রোহিঙ্গা নেতারা। শিবিরে নানা অপরাধ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় রোহিঙ্গা নেতারা ইতোমধ্যে স্বোচ্ছার হয়েছেন।

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে টেকনাফের লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ অপরাধ বন্ধে এক সভার আয়োজন করা হয়েছে। শিবিরের নেতাদের স্ব-উদ্যোগে ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় রোহিঙ্গাদের নিয়ে এই সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় উপস্থিত রোহিঙ্গাদের ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে তৎপর থাকার আহ্বান জানান লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ডেভেলপমেন্ট ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. আলম।

সভা শেষে বিকালে মো. আলমের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা নেতারা শিবিরের ইয়াবা মজুদের খবরে বি-ব্লকের ছালেহ আহমদ, মো. সেলিম, খালেদা ও জহুরার বাড়িতে তল্লাশি চালান। এ সময় পাচারের জন্য তৈরি করা ইয়াবার প্যাকেটসহ এক নারীকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় মো. আলম জানান, শিবিরে অপরাধ কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় রোহিঙ্গা নেতাদের নিয়ে সভা করা হয়েছে। শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে সবাই একই সঙ্গে কাজ করছে। তারই সূত্র ধরে শনিবার বিকালে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ এক নারীকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মো. আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জায়গা দিয়ে কি অপরাধ করেছে? যদি তা না হয় গুটি কয়েক রোহিঙ্গা অপরাধীদের জন্য গোটা রোহিঙ্গারা বদনামের ভাগ নেবে না। এখন থেকে রোহিঙ্গা শিবিরে কাউকে অপরাধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না। ইয়াবায় আসক্ত রোধে বিশেষ করে পরিবারের লোকজনকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী এদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জীবন যাপন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অপরাধ প্রবণতা বন্ধে রাত ৮টার পর লোকজন শিবিরে ঘোরাফেরা করতে পারবে না। শিবিরের ছয়টি ব্লকে তিন হাজার পরিবারের প্রায় ২২ হাজার লোকের বসতি। তাদের জন্য প্রায় ৬০ জনের মতো প্রহরী রয়েছে। তার মধ্যে বিশেষ জরুরি ভিত্তিতে ৩০ জন প্রহরী দায়িত্ব পালন করেন।’

বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার

বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার
লাইনে দাঁড়িয়ে বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করছেন বন্যা কবলিত জনগণ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বন্যায় গাইবান্ধা জেলার প্রায় চার লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের টিউবয়েলগুলো পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ফলে বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট। বিশুদ্ধ পানির জন্য তাদের মধ্যে শুরু হয়েছে হাহাকার।

ডেভিট কোম্পানিপাড়ার বাসিন্দা স্বপন মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘এমনিতে আমাদের অন্নের সঙ্কট, সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব।’

এদিকে দূষিত পানির কারণে কারো যাতে ডায়রিয়া বা অন্য কোনো পানিবাহিত রোগ না হয়, সে জন্য কাজ করে যাচ্ছে ‘এভারগ্রিন জুম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ও ভলান্টিয়াররা প্লাবিত এলাকার মানুষদের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। শুধু পানিই নয়, তারা দিচ্ছেন পানি বিশুদ্ধ করণ ট্যাবলেট, খাবার স্যালাইন, কার্বলিক এসিড, অ্যামোডিস ও প্যারাসিটামলসহ বিভিন্ন ধরনের ত্রাণ সামগ্রী।

এরই মধ্যে জেলার গোদারহাট, পুলবন্দি, ফারাজিপাড়া ও কোটিপাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় এক হাজার ৩০০ পরিবারের মধ্যে এসব বিতরণ করেছে সংগঠনটি।

গাইবান্ধা শাখার এ সংগঠনের সমন্বয়ক মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন দাতদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ এবং সংগঠনের অর্থ সমন্বয় করে বন্যা কবলিত মানুষের মধ্যে নিরাপদ পানিসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করে আসছি। দানশীল মানুষরা সহযোগিতা করলে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র