Barta24

রোববার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই ইউএনও

স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই ইউএনও
বাউফলের ইউএনও পিজুস চন্দ্র দে ও দশমিনা ইউএনও শুভ্রা দাস, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
পটুয়াখালী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শুভ্রা দাস। তার স্বামী পিজুস চন্দ্র দে পাশের উপজেলা বাউফলের ইউএনও। স্বামীর সাথে সমান তালে নিজের উপজেলার প্রশাসনিক কাজ সম্পাদন করছেন শুভ্রা।

বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছেন শুভ্রা দাস। এগুলোর মধ্যে দশমিনা উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করা, গ্রাম পুলিশদের বাই সাইকেল বিতরণ এবং দুস্থ নারীদের কর্মমুখি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান উল্লেখযোগ্য।

১৯৮৬ সালে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার জয়পুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শুভ্রা দাস। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। ৩০তম বিসিএস -এ প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পান তিনি।

বাউফলের ইউএনও পিজুস চন্দ্র দে বার্তা২৪.কমকে বলেন, স্ত্রী শুভ্রা দাসের সকল কাজেই গুরুত্ব দিয়ে থাকি। স্ত্রীর কোনো অর্জনের খবরে আনন্দিত হই।

দশমিনা ইউএনও শুভ্রা দাস বলেন, ছোট বেলা থেকেই পরিবারের সহযোগিতায় দুই বোনই আজ প্রতিষ্ঠিত। ছোট বোন চিকিৎসক। দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা দিয়ে কাজের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করতে চাই।

দাফতরিক কাজের পাশাপাশি বই পড়তে ও বাগান করতে ভালো বাসেন শুভ্রা দাস। তার সরকারি বাংলোতে ফুল ও ফলের বাগান করেছেন তিনি। বাড়ির ভেতর তাকে তাকে সাজানো আছে অসংখ্য বই। ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) হিসেবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন :

জামানত হারাচ্ছেন সাবেক চিফ হুইপসহ ৫ প্রার্থী

জামানত হারাচ্ছেন সাবেক চিফ হুইপসহ ৫ প্রার্থী
সাবেক চিফ হুইপ ও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ওমর, ছবি: সংগৃহীত

সদ্য সমাপ্ত বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী জামানত হারাচ্ছেন বিরোধী দলের সাবেক চিফ হুইপসহ পাঁচজন প্রার্থী। মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

এরা হলেন- বিরোধী দলের সাবেক চিফ হুইপ ও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ওমর, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মনসুর রহমান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের রফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিনহাজ এবং সৈয়দ কবির আহম্মেদ।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে সেই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সোমবার (২৪ জুন) অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭০। সে অনুযায়ী জামানত ফেরত পেতে প্রার্থীকে ১৬ হাজার ৭৩৩ ভোট পেতে হবে। পাঁচ জন প্রার্থীর কেউ সেই পরিমাণ ভোট পাননি।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী নুরুল ইসলাম ওমর (লাঙল) নির্বাচন করে ভোট পেয়েছেন ৭ হাজার ২৭১ভোট। এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে নির্বাচন করে তিনি ৪০ হাজার ৩৬২ ভোট পেয়ে জামানত ফেরত পেয়েছিলেন। মির্জা ফখরুল শপথ না নেওয়ায় শূন্য ঘোষিত আসনে উপ-নির্বাচনে তিনি আবারও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছিলেন।

জামানত হারানো অপর চার প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম (হারিকেন) পেয়েছেন ৫৫৪ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মনসুর রহমান (ডাব) পেয়েছেন ৪৫৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ কবির আহম্মেদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণে তিনি (ট্রাক) পেয়েছেন ৬৩০ ভোট। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিনহাজ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২০ ভোট।

সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, বিএনপি, আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টি ছাড়া অন্য প্রার্থীরা সব কেন্দ্রে নির্বাচনী এজেন্ট দিতে পারেনি। তবে এবারের নির্বাচনে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করায় স্মরণকালের শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। এ কারণে কোনো প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি।

১০ বছরেও চালু হয়নি বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী স্কুল

১০ বছরেও চালু হয়নি বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী স্কুল
বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী স্কুলটি নির্মাণের ১০ বছরেও চালু হয়নি, ছবি: বার্তা২৪

নির্মাণের ১০ বছরেও চালু হয়নি ঝিনাইদহ বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী স্কুল। শহরের সার্কিট হাউস সড়কের পাশে তিন একর জমির ওপর সমাজসেবা অধিদফতরের মুক-বধির আবাসিক স্কুল স্থাপন প্রকল্পের আওতায় স্কুলটি নির্মাণ করা হয়।

জেলা সমাজসেবা অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্কুলটির নির্মাণ শুরু হয় ২০০২ সালে, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০০৬ সালের মধ্যে। কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০০৯ সালে। ব্যয় হয় চার কোটি ১৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। প্রকল্পের আওতায় একাডেমিক ভবন, দুটি আবাসিক হলসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়।

স্কুলটিতে প্রতিবছর যশোর, ঝিনাইদহ, নড়াইল, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা থেকে মোট ৫০ জন ছেলে ও ৫০ জন মেয়ে বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধীকে ভর্তি হওয়ার কথা ছিল।

আরও জানা গেছে, স্কুলের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই আসবাপত্র ও শিক্ষার্থীদের বিছানাপত্র সরবরাহ করা হয়। কিন্তু স্কুল চালু না হওয়ায় সেগুলো সমাজসেবা অধিদফতরের মধুপুর শিশু পরিবারে রাখা হয়। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় যার অনেক কিছু নষ্ট হয়ে গেছে। যার মধ্যে দুটি ল্যাপটপও রয়েছে।

স্কুলের জন্য একজন প্রধান শিক্ষক, একজন হাউস প্যারেন্ট, দুই জন শিক্ষক, দুই জন কারিগরি শিক্ষক, একজন হিয়ারিং এইড টেকনিশিয়ান, একজন মেট্রন কাম নার্সসহ ১৮টি পদ সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু আজও কোনো লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

স্কুলটি বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের হলেও এখানে দুইজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষকও নিয়োগ দেওয়া হয়। যাদের অন্যত্র ডেপুটেশনে পাঠানো হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ২৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তাদের এক দিনও ক্লাস হয়নি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের খোরাকি বাবদ চলতি অর্থ বছরে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ আসলেও তা ফেরত দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জেলা সমাজসেবা অফিসের একজন সহকারী পরিচালক স্কুলটি দেখভাল করছেন।

এ ব্যাপারে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সুষেন্দু কুমার ভৌমিক বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘এটি একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। নির্মাণের পর দীর্ঘদিন পড়ে আছে। চালু হলে বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধীরা উপকৃত হতো।’

স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘লোকবল নিয়োগ না হওয়ায় স্কুলটি চালু করা যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে সমাজসেবা অধিদফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র