Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স আছে, চালক নেই

নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স আছে, চালক নেই
চালকের অভাবে পড়ে রয়েছে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সটি/ ছবি: বার্তা২৪.কম
মো. সাদের হোসেন বুলু
ডিস্ট্রিক্ট্র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স চালকের পদটি প্রায় ছয় মাস ধরে শূন্য। চালক না থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ঢাকায় আনতে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয় দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের।

জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আগের অ্যাম্বুলেন্সটি অকেজো হয়ে পড়ে ছিল। পরে ২০১৬ সালে নতুন একটি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়। কিন্তু গত ছয় মাস আগে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালকের পদটি শুন্য হয়ে যায়। ফলে দরিদ্র রোগীরা পরিবহন ও জরুরি স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সিংগাইর উপজেলার চান্দহর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা শিশু ইয়াসিনের (৩) বাবা আব্দুল আলিম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘চিকিৎসক ছেলেকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক না থাকায় বাইরে থেকে অতিরিক্ত টাকায় অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে হয়েছে। যা আমার জন্য খুবই কষ্টকর ও ব্যবহুল।’

নবাবগঞ্জের শোল্লা খতিয়া এলাকার তানিয়া আক্তার বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘আমার স্বামীকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু এখানে অ্যাম্বুলেন্স চালক নেই। আবার এই মুহূর্তে আমার হাতে টাকাও নেই। ফলে এখন কী করবো- সেটা বুঝতে পারছি না।’

উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহিদ হায়দার উজ্জল বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণমুখী স্বাস্থ্য নীতির কল্যাণে ২০১৬ নবাবগঞ্জবাসী একটি নতুন সরকারি অ্যাম্বুলেন্স উপহার পায়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদাসীনতায় চালক পদটি শুন্য হয়ে গেছে, যা খুবই দুঃখজনক। কারণ সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।’

এ সময় তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত শূন্য পদটি পূরণের আহ্বান জানান।

নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল ইসলাম বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘এখানে সবসময় রোগীর চাপ থাকে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি শীঘ্রই শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা
শেরপুরের ম্যাপ

শেরপুরে ফরিদা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর পৌর এলাকার গৌরিপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফরিদা ওই এলাকার মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।

নিহতের নাতি শিহাব বলেন, ‘আমি শেরপুরে একটি মোটরসাইকেল শো-রুমে কাজ শেষে বাসায় যাই। এসময় ঘরে সামনে গিয়ে দরজা খোলার জন্য দাদীকে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তিনি দরজা না খোলায় পাশের বাসা থেকে হাতুড়ি এনে তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দাদীকে গলা কাটা অবস্থায় পাই। এরপর চিকৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসে। আমি আর কিছু জানি না।’

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা বৃদ্ধার গলা কেটে রেখেছে আমরা ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি।

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র