Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কাজ শেষ হওয়ার আগেই সেতুতে ফাটল

কাজ শেষ হওয়ার আগেই সেতুতে ফাটল
কাজ শেষ হওয়ার আগেই সেতুতে ফাটল। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
পটুয়াখালী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় নির্মাণাধীন একটি সেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের কুড়িপাইকা গ্রামে কুমারখালী খালের উপর ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের ওই সেতুটি নির্মিত হচ্ছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা মো. আবু বকর ওরফে কবির মোল্লা জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি ওই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অভিযোগে তিনি জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩০ লাখ ৭৭ হাজার ৬৫৭ টাকা ব্যয়ে কুমারখালী খালের উপর এ সেতুটি নির্মাণের জন্য ‘মা এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. শহিদুল ইসলাম সম্প্রতি সেতুর ঢালাই সম্পন্ন করেছেন। এটি এখনো মানুষের চলাচলের জন্য খুলে দেয়া না হলেও কয়েকটি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। কয়েকটি স্থানে রড বের হয়ে গেছে। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে। সেতুর কিছু কাজ এখনো বাকি আছে।

পটুয়াখালী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিডিউল অনুযায়ী কাজ করা হয়েছে। কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম করা হয়নি।’

জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার লতিফা জান্নাতী জানান, সদর উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটি তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি

ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি
পানিতে তলিয়ে গেছে পদ্মার পাড়ের বাড়ি-ঘর, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে নদীর পানি। ফলে ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর নিম্নঞ্চালের পানিবন্দি মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। পদ্মা পাড়ের মানুষ একরকম জন্মলগ্ন থেকেই পানির সাথে যুদ্ধ করে বেচেঁ আছেন। তবে কৃষি নির্ভর হওয়ায় কোনোরকম নিজেদের রক্ষা করলেও গবাদি পশু ও বিস্তৃর্ণ ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জেলার সদর উপজেলা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায়ই ১৫ হাজার পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563578899227.jpg

বন্যায় ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, ডিগ্রিরচর, চরমাধবদিয়া ও আলিয়াবাদ এবং চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাউকান্দা, হাজিগঞ্জ, চরহরিরামপুর ও গাজিরটেক, সদরপুর উপজেলার চরনাছিরপুর, দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া, ঢেউখালী ও চরমানাইর ইউনিয়নের বসতবাড়ী, কয়েক হাজার একর বিস্তৃর্ণ ফসলী জমি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে।

এছাড়া সদরপুর উপজেলার ৪৪টি ও ভাঙ্গা উপজেলায় ১৪টিসহ মোট ৫৮টি বসত ভিটা গত দুদিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান মোস্তাক জানান, পানিতে তার ইউনিয়নের ৩০০ একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে কৃষকরা মারত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এছাড়া আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই গরু পালন করেছে তারাও তাদের গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, পানি বেড়েই চলছে। ফলে ভাঙনও বেড়েছে। আমরা প্রবল ভাঙন কবলিত এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে কাজ করছি।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, ‘গত তিনদিনে তিন উপজেলায় ৪০ মেট্রিকটন চালের পাশাপাশি শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। আশা করি সকলের সহযোগিতায় আপদকালীন সময় মোকাবিলা করতে পারব।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোখসানা রহমান জানান, ফরিদপুর এখনো বন্যা দুর্গত জেলায় পরিণত হয়নি। যেসব এলাকায় পানির তীব্রতা বেশি সেসব এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।

ফেনীতে বিএনপির ৮ নেতা আটক

ফেনীতে বিএনপির ৮ নেতা আটক
ছবি: সংগৃহীত

ফেনী জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিকসহ দলের অঙ্গ সংগঠনের আট নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাতে শহরের মিজান পাড়া থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃত বাকিদের মধ্যে জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন জসিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, ফেনী পৌর যুবদলের সমন্বয়ক জাহিদ হোসেন বাবরের পরিচয় জানা গেছে। আর বাকি চারজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন তাদেরকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র