Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পটুয়াখালী শহরের পুকুর ও দিঘি সংস্কার শুরু

পটুয়াখালী শহরের পুকুর ও দিঘি সংস্কার শুরু
পটুয়াখালী শহরের পুকুর ও দিঘি সংস্কার শুরু, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
পটুয়াখালী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালী শহরের পুকুর ও দিঘিগুলোকে দূষণমুক্ত করে পানি ব্যবহারের উপযোগী করতে পৌরসভার পক্ষ থেকে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পুকুরের নষ্ট পানি সেচে প্রয়োজন অনুযায়ী খনন করা হবে। এ ছাড়া পুকুরের পাশে মানুষের চলাচল ও বিনোদনের সুযোগ তৈরি করা হবে।

পটুয়াখালী শহরের এসডিওর পুকুর। একটা সময় শহরের সুপেয় পানির প্রধান উৎস ছিলো। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় এবং পুকুরের পাড়ে ময়লা আবর্জনা ফেলায় পুকুরটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যায়।

পটুয়াখালী পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ দায়িত্ব নেওয়ার পর শহরের এসডিও পুকুর, মিঠা পুকুর, কলের পুকুর, টিবি ক্লিনিক সংলগ্ন পুকুর, বিটাইপ পুকুর এবং ফৌজদারী পুল সংলগ্ন পুকুরগুলো সংস্কারে উদ্যোগ গ্রহণ করে। ইতোমধ্যে এসডিও পুকুরে ময়লা আবর্জনাযুক্ত পানি সেচ খনন কাজ চলছে।

পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ জানান, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমাতে শহরে1র পুকুর এবং দিঘিগুলোর পানি যাতে দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করা যায়, সে জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পুকুরের পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করে পুকুরের পাশে সবুজায়ন এবং শিশুদের বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

এ ছাড়া শহরের যেসব পুকুর টিকে আছে, সেগুলো যাতে দখল না হয় সে জন্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি করা ও এসব পুকুর যাতে নতুন করে দূষণ না হয় সে জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান মেয়র মহিউদ্দিন।

তবে শহরের সরকারি পুকুরগুলো যাতে কোনো ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের কাছে মাছ চাষের জন্য ইজারা না দেওয়া হয় এ জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে পৌরবাসীর পক্ষ থেকে দাবী তোলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি

ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি
পানিতে তলিয়ে গেছে পদ্মার পাড়ের বাড়ি-ঘর, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে নদীর পানি। ফলে ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর নিম্নঞ্চালের পানিবন্দি মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। পদ্মা পাড়ের মানুষ একরকম জন্মলগ্ন থেকেই পানির সাথে যুদ্ধ করে বেচেঁ আছেন। তবে কৃষি নির্ভর হওয়ায় কোনোরকম নিজেদের রক্ষা করলেও গবাদি পশু ও বিস্তৃর্ণ ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জেলার সদর উপজেলা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায়ই ১৫ হাজার পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563578899227.jpg

বন্যায় ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, ডিগ্রিরচর, চরমাধবদিয়া ও আলিয়াবাদ এবং চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাউকান্দা, হাজিগঞ্জ, চরহরিরামপুর ও গাজিরটেক, সদরপুর উপজেলার চরনাছিরপুর, দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া, ঢেউখালী ও চরমানাইর ইউনিয়নের বসতবাড়ী, কয়েক হাজার একর বিস্তৃর্ণ ফসলী জমি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে।

এছাড়া সদরপুর উপজেলার ৪৪টি ও ভাঙ্গা উপজেলায় ১৪টিসহ মোট ৫৮টি বসত ভিটা গত দুদিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান মোস্তাক জানান, পানিতে তার ইউনিয়নের ৩০০ একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে কৃষকরা মারত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এছাড়া আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই গরু পালন করেছে তারাও তাদের গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, পানি বেড়েই চলছে। ফলে ভাঙনও বেড়েছে। আমরা প্রবল ভাঙন কবলিত এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে কাজ করছি।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, ‘গত তিনদিনে তিন উপজেলায় ৪০ মেট্রিকটন চালের পাশাপাশি শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। আশা করি সকলের সহযোগিতায় আপদকালীন সময় মোকাবিলা করতে পারব।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোখসানা রহমান জানান, ফরিদপুর এখনো বন্যা দুর্গত জেলায় পরিণত হয়নি। যেসব এলাকায় পানির তীব্রতা বেশি সেসব এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।

ফেনীতে বিএনপির ৮ নেতা আটক

ফেনীতে বিএনপির ৮ নেতা আটক
ছবি: সংগৃহীত

ফেনী জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিকসহ দলের অঙ্গ সংগঠনের আট নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাতে শহরের মিজান পাড়া থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃত বাকিদের মধ্যে জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন জসিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, ফেনী পৌর যুবদলের সমন্বয়ক জাহিদ হোসেন বাবরের পরিচয় জানা গেছে। আর বাকি চারজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন তাদেরকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র