Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

নরসিংদীতে মা-মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযাগে গ্রেফতার ২

নরসিংদীতে মা-মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযাগে গ্রেফতার ২
মা-মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ‍দুই আসামি (মাঝে)/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নরসিংদী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নরসিংদীর শিবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বিকল হয়ে যাওয়া বাসের যাত্রী মা ও মেয়েকে ফুসলিয়ে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার করেছে শিবপুর থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সৃষ্টিগড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে শুক্রবার রাতে শিবপুর থানা পুলিশ অভিযুক্ত ছয় যুবকের দুই জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- শিবপুরের সৃষ্টিগড় এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩০) ও আব্দুল বারেকের ছেলে শফিক (২৫)।

পুলিশ ও নির্যাতনের শিকার মা-মেয়ের সঙ্গে থাকা স্বজনরা জানান, মা ও মেয়েসহ পাঁচ নারী স্বজন বাসযোগে ঢাকা থেকে সিলেটের হবিগঞ্জে নিজবাড়িতে ফিরছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুরের সৃষ্টিগড় বাসস্ট্যান্ডের অদূরে বিকল হয়ে যায়।

এ সময় গ্রেফতার হওয়া দুই আসামিসহ স্থানীয় ছয় যুবক বাসে উঠিয়ে দেওয়ার কথা বলে মা-মেয়েকে ফুসলিয়ে স্থানীয় একটি জুটমিলের পরিত্যক্ত কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে দুটি কক্ষে তাদের আটক করে গণধর্ষণ করে আসামিরা।

এ সময় নির্যাতনের শিকার মা ও মেয়ে চিৎকার শুরু করলে আসামিরা পালিয় যায়। পরে নির্যাতনের শিকার মা-মেয়ে সৃষ্টিগড় বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে সঙ্গে থাকা স্বজনদের খোঁজ পায় এবং স্থানীয়দের ঘটনা জানায়।

খবর পেয়ে রাতেই শিবপুর থানা পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার মা বাদী হয়ে ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতার দুই আসামিকে শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতনের শিকার মা-মেয়েকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে শিবপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন :

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না কানাই লাল শর্মার

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না কানাই লাল শর্মার
কানাই লাল শর্মা। ছবি: সংগৃহীত

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না সাঁতারু ডা. কানাই লাল শর্মার। ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক লালদিঘিতে ৯০ ঘণ্টা ১৭ মিনিট সাঁতার কেটে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করেছিলেন তিনি।

সোমবার (১৯ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া শহরতলীর মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকায় তার নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে। দুপুর আড়াইটার সময় কুষ্টিয়া মহাশ্মশানে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

১৯৩০ সালের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কানাইলাল শর্মা। তার বাবা স্বর্গীয় অভিমন্যু শর্মা। কানাইলাল শর্মা পেশায় চিকিৎসক ছিলেন। কুষ্টিয়া শহরতলীর মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। তার স্বপ্ন ছিল সাঁতারে গিনেস বুকে নাম লেখাবেন। তবে তার সে স্বপ্ন পূরণ হলো না।

আরও পড়ুন: গিনেস বুকে নাম লেখাতে চান কানাই লাল শর্মা

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ

ধান-পাটের তুলনায় শসা চাষে ৪ গুণ বেশি লাভ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় নড়াইলে দিন দিন শসার আবাদ বাড়ছে। অন্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় শসা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এখানকার কৃষকরা।

জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার আগদিয়া, বিছালী, মুসুড়ি, মুলিয়া, শেখহাটিসহ অন্তত ১০ গ্রামের কৃষকরা শসা চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। পেয়েছেন আর্থিক সচ্ছলতা, হয়েছেন স্বাবলম্বী।

শসা আবাদে জমি-মাচা তৈরি করা সহ এক একর জমিতে খরচ হয় ৪০-৫০ হাজার টাকা। সেখানে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার শসা উৎপাদিত হয়। প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৪শ থেকে ৫শ টাকা। আর সেখানে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার শসা উৎপাদিত হয়। বীজ রোপণের ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা শুরু হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194706129.jpg

এদিকে আবাদ ভালো হওয়ায় গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠেছে শসা কেনাবেচার মৌসুমি আড়ত। কৃষকরা ক্ষেত থেকে শসা তুলে এনে আড়তে বিক্রি করছেন। এতে বেকার যুবক-নারীদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় চলে যাচ্ছে এখানকার শসা।

আকদিয়া গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ধান বা পাট চাষে লাভ হয় না। ধান বা পাটের তুলনায় শসা চাষে ৩-৪ গুণ বেশি লাভ হয়। তাই শসা চাষ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পাইকারি প্রতি কেজি শসা বর্তমানে ৩০-৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিছালী গ্রামের তপন বিশ্বাস জানান, শষা চাষে প্রতি শতক জমিতে খরচ হয় ৫শ থেকে ৬শ টাকা। আর খরচ বাদে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা লাভ হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566194764291.jpg

যশোর থেকে আসা পাইকারি শসা ক্রেতা আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এখানকার শসা কিনে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করি। বর্তমানে পাইকারি প্রতি মণ শসা ১২শ থেকে ১৩শ টাকা দরে ক্রয় করে নিয়ে যাই। পরে ১৭শ থেকে ১৮শ টাকা দরে তা বিক্রি করি।’

নড়াইল শহরের রুপগঞ্জ বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী বিন্দু বিশ্বাস জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে।

নড়াইল সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, জেলায় এ বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় অনেকেই শসা চাষে আগ্রহী হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র