Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাড়ছে ছাদ বাগানের সংখ্যা

বাড়ছে ছাদ বাগানের সংখ্যা
ছাদ বাগান, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

অবসর সময় প্রকৃতির সাথে কাটানোর জন্য এবং স্বাস্থ্যসম্মত ফল, সবজি ও ঔষধি ফলফলাদি হাতের নাগালে পাওয়ার জন্য ঝিনাইদহে দিন দিন বাড়ছে ছাদ বাগানের সংখ্যা।

শহরের প্রতিটি পাড়ার ছাদে এখন প্রকৃতির সমারোহ। শখের বশে নিজের বাড়ির ছাদে ছাদ বাগান গড়ে তুলছেন ঝিনাইদহের প্রকৃতিপ্রেমীরা।

শহরের হামদহ, আরাপপুর, ব্যাপারীপাড়া, চাকলাপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে প্রায় দুই শতাধিক ছাদ বাগান। ছোট পরিসরে গড়ে ওঠা এই সকল ছাদ বাগানে স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে চাষ করা হচ্ছে কলা, লেবু, পেয়ারা, আতা, পেঁপে, সফেদা, ড্রাগনফলসহ বেশ কয়েক প্রজাতির ফল।

বাগানে সবজির মাঝে রয়েছে লাউ, বেগুন, আলু, শিম, পটল, উচ্ছে আর ঝিঙা। আরও আছে আদা, অ্যালোভেরা, পুদিনাসহ বেশ কিছু দেশি-বিদেশি প্রজাতির গাছ।

ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকার বাসিন্দা জেলার সিভিল সার্জন ডা. রাশেদা সুলতানা জানান,  স্বাস্থ্য বিভাগের চাকুরির পাশাপাশি তিনি ২০০১ সালে বাগান তৈরি শুরু করেন। নিজ হাতে তৈরি ছাদের বাগানে প্রায় ১৮ বছর ধরে আম ধরছে। বাগানে আছে শাক-সবজি, লেবু, সফেদা, কামরাঙ্গাসহ নানান ফুলফল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/19/1552953976457.jpg

শহরের আরাপপুর পশ্চিমপাড়ার কলেজ ছাত্র তানভির আহম্মেদ বলেন, বর্তমানে তার ছাদ বাগানে প্রায় দুই শতাধিক প্রজাতির গাছ আছে।

ছাদ বাগান শুরু করার গল্পটা জানান তিনি। প্রথমদিকে স্কুলের পাশের নার্সারি দেখে বাগান করার শখ হয় তার। কিন্ত বাড়িতে বাগান করার মত জমি নেই বলে সেই ইচ্ছাটা পূরণ হয়না তার।

পরবর্তীতে ২০১১ সালে বাড়ির ছাদেই ছোট পরিসরে বাগান শুরু করেন তিনি। শহরের আরাপপুর শহরে সবচেয়ে বড় ছাদ বাগানটি তার।

তানভির আহম্মেদ জানান, বাগানের পাশাপাশি নিজের একটি ছোট নার্সারিও আছে তার। এপর্যন্ত শহরের প্রায় ৩০ জনকে ছাদ বাগান তৈরি করতে সহযোগিতা করেছেন তিনি।

ঝিনাইদহ শহরের গোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ বলেন, ‘বড় করে বাগান করার শখ অনেক দিনের। নিজেকে কৃষক রূপে দেখার ইচ্ছা ছিল। সেই ভাবনা থেকেই বাড়ির ছাদে বাগান গড়ে তোলা। অবসর সময়ে বাড়ির ছাদে এসে সময় কাটানো হয়’।

ছাদ বাগান গড়ে ওঠার বিষয়ে জেলা বন কর্মকর্তা খোন্দকার গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে শহরে প্রকৃতি প্রেমীদের মাঝে ছাদ বাগান তৈরীর আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ জন্য বন বিভাগের পক্ষ থেকে ছাদ বাগান তৈরিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। যারা ছাদ বাগান তৈরী করছেন তাদের বন বিভাগের পক্ষ থেকে নানা ধরণের সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদাণ করা হচ্ছে’।

আপনার মতামত লিখুন :

খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা

খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা
খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা

ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনে খুলনাগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে রোববার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায়। এরপর পরপরই খুলনার সাথে সারা দেশের ট্রেন চলাচল অচল হয়ে পড়ে। কোটচাঁদপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত হবার ফলে খুলনা রুটে অন্যান্য ট্রেন চুয়াডাঙ্গার রেল লাইনের বিভিন্ন পয়েন্টে হাজারো যাত্রী নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

সরজমিনে রাত ১১ টার দিকে খুলনামুখী তিনটি যাত্রীবাহী ট্রেনকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন রেল লাইনের পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। চুয়াডাঙ্গা রেল স্টেশন হতে দুই কিলোমিটার দূরে ফার্মপাড়া ও উথলীতে এই তিনটি ট্রেন অপেক্ষমান রয়েছে। ট্রেনগুলো হলো খুলনামুখী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সুন্দরবন, চিলহাটি থেকে ছেড়ে আসা রূপসা ও গোয়লন্দ থেকে ছেড়ে আসা নকশী। ট্রেনগুলোর বগিতে ৪ হাজারেরও বেশী যাত্রী। এসব যাত্রী দীর্ঘ সময় ট্রেনের মধ্যে বসে নিশ্চুপ সময় পাড় করছেন। তারা জানেন না কখন তাদের ট্রেন খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনে বসে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566160769719.jpg

স্টেশন থেকে দুই কিলোমিটার দূরে আন্ত:নগর রূপসা ট্রেনটিকে যাত্রী নিয়ে নিরাপত্তাহীনভাবে শহরের অন্ধকারাচ্ছন্ন ফার্মপাড়ায় রেল লাইনে অপেক্ষমান অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।  যাত্রীদের নিরাপত্তায় অপেক্ষমান ট্রেনের আশপাশে স্টেশনের কোনও জিআরপি পুলিশকে দেখা যায়নি। আর ট্রেনের ভেতরে যাত্রীদের মালামাল রক্ষার্থে যে পুলিশ সদস্য দায়িত্বে-তাকে দেখা গেছে ট্রেনের ভেতরে গভীর ঘুমে মগ্ন।

খুলনাগামী রূপসা ট্রেনের যাত্রী রোকন বলেন, স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি নাটোর থেকে খুলনায় ফিরছেন। সকালে তার অফিস। এখন কখন ট্রেন ছাড়বে তা কেউ বলতে পারছে না। এতে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566160786981.jpg

সরকারী চাকরীজীবী মেরিনা বলেন, যে জায়গায় ট্রেন থামানো হয়েছে স্থানটি ভালো নয়। আশপাশের লোকজন বাজে বাজে কথা বলছে ট্রেনের জানালার ওপাশ থেকে। ট্রেনটি যদি প্লাটফর্মে থামাত তাহলে ভালো হত।

চুয়াডাঙ্গা স্টেশনের মাস্টার নাসরিন ফারহানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান সন্ধ্যার পরপরই তিনটি ট্রেন পর্যায়ক্রমে চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে ঢুকলে আমরা ট্রেনগুলোকে বিভিন্ন রুটে দাঁড় করিয়ে দেই। কোটচাঁদপরে কপোতাক্ষ ট্রেন সচল করতে ঈশ্বরদী থেকে এরই মধ্যে রিলিফ ট্রেন পোড়াদহ স্টেশন ছেড়ে এসেছে। রিলিফ ট্রেনটি গিয়ে লাইনচ্যুত ট্রেনকে উদ্ধার করার পরপরই চুয়াডাঙ্গায় অপেক্ষমান ট্রেনগুলো খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।

সৈয়দপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত

সৈয়দপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত
ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জোবেদা বেগম (৫০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) আনুমানিক বিকেল ৫ টায় বাইপাস সড়কের মুজার মোড় এলাকায় সড়ক পার হতে গিয়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাবেদা বেগম সৈয়দপুর পৌর শহরের কয়া গোলাহাট এলাকার দক্ষিণ পাড়ার মৃত আজিজার রহমানের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, দুর্ঘটনায় আহত জোবেদা বেগমকে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) প্রেরণ করলে, হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃতবরণ করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র