Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গাছের সাথে বেঁধে বৃদ্ধাকে নির্যাতন

গাছের সাথে বেঁধে বৃদ্ধাকে নির্যাতন
বৃদ্ধাকে প্রহার করেছে প্রভাবশালী পরিবার, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
চাঁদপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে গাছের সাথে বেঁধে এক বৃদ্ধাকে বেদম প্রহার করেছে প্রভাবশালী এক পরিবার। ঘটনাটি গত ১৭ মার্চ রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে ঘটে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের দক্ষিণ পাড়া মোল্লা বাড়ির মৃত আবু তাহেরের পুত্র মিজানুর রহমান ও সুমন তাদের বাড়ির জায়গায় বেড়া দিতে গেলে একই বাড়ির শহিদুল্লার স্ত্রী বেলুয়া খাতুন (৫২) বাধা দেয়। এতে মিজান ও সুমন ক্ষিপ্ত হয়ে বেলুয়া খাতুনের সাথে বাক বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। ওই সময় মিজানের স্ত্রী কাজল বেগম ও সুমনের স্ত্রী রোজিনা বেগম ঘটনাস্থলে এসে বেলুয়া খাতুনকে আক্রমণ করে । এক পর্যায়ে তারা বেলুয়া খাতুনকে তার মাথার চুল মুষ্টিবদ্ধ করে মাটিতে হেঁচড়ে নিজ বাড়ির উঠোনে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে প্রহার করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/20/1553038596015.jpg

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বেলুয়া খাতুনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দেন। এব্যাপারে শহিদুল্লাহ বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদি শহিদুল্লাহ্ বলেন, 'আমি আমার পিতার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছি । দুই দলিলে সাড়ে ২৮ শতক জায়গা ক্রয় করে বসবাস করছি। আমার নিজ নামে বিবাদীদের পিতা আবু তাহেরের কাছ থেকে সাড়ে ১৩ শতক জায়গা ক্রয় করেছি,অথচ ওই জায়গা বিবাদীরা দখল দিয়ে আমাকে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছে।'

তিনি বলেন, 'ঘটনার দিন সকালে বিবাদী আবু তাহের গং আমার খরিদকৃত জায়গায় বেড়া দিতে আসলে আমার স্ত্রী বেলুয়া খাতুন তাদের বাধা দেয়। বাধা দেয়ার কারণে তারা আমার স্ত্রীকে বেদম প্রহার এবং গাছের সাথে বেঁধে মারধর করে। আমি অসহায় বিধায় এই সমাজে বিচার পাইনা।'

এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

ভুঞাপু‌রে কম‌তে শুরু ক‌রে‌ছে যমুনার পা‌নি

ভুঞাপু‌রে কম‌তে শুরু ক‌রে‌ছে যমুনার পা‌নি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

টাঙ্গাই‌লের ভুঞাপু‌র উপজেলায় যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। শুক্রবার (১৯ জুলাই) বি‌কে‌লের পর থে‌কেই পানি কমতে দেখা যায়।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, ভুঞাপুরে যমুনা নদীর পা‌নি দুই সে‌ন্টি‌মিটার ক‌মে বিপদসীমার ৯৭ সে‌ন্টি‌মিটার ওপর দি‌য়ে বইছে। অথচ দুপুরেও এই পয়েন্টে পা‌নি ‌বিপদসীমার ৯৯ সে‌ন্টি‌মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

Tangail Flood

টাঙ্গাইলের পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, বি‌কে‌লের পর থে‌কে যমুনা নদী‌তে কিছুটা পা‌নি হ্রাস পে‌য়ে‌ছে। ধারণা করা হচ্ছে, শ‌নিবার (২০ জুলাই) থে‌কে পা‌নি আরও কমবে।

আরও পড়ুন: ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক মেরামতে সেনাবাহিনী

ছেলে ধরা গুজব ছড়িয়ে পরিবার আটক

ছেলে ধরা গুজব ছড়িয়ে পরিবার আটক
গুজব ছড়িয়ে এক পরিবারের চার সদস্যকে আটক করে স্থানীয়রা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বগুড়ায় ছেলে ধরা গুজব ছড়িয়ে প্রাইভেট কারসহ একটি পরিবারকে আটক করে স্থানীয় পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এলাকাবাসী। এ সময় অল্পের জন্য গণপিটুনী থেকে রক্ষা পেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় বগুড়া শহরতলীর সাবগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বগুড়া মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য সরোয়ার হোসেন প্রাইভেট কার যোগে স্ত্রী সন্তান নিয়ে সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীতে বন্যার পানি দেখতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে গাবতলী পৌর সভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল রানার মোটরসাইকেলের সাথে প্রাইভেট কারের ধাক্কা লাগে।

এ সময় প্রাইভেট কার থামাতে বললে চালক সরোয়ার হোসেন না থামিয়ে বগুড়া শহরের দিকে যেতে থাকেন। সোহেল রানা মোটরসাইকেল নিয়ে প্রাইভেট কারের পিছু ধাওয়া করেন।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে প্রাইভেট কারটি সাবগ্রাম দ্বিত্বীয় বাইপাস মহাসড়কে যানজটে আটকা পড়লে সোহেল রানা ছেলে ধরা গুজব ছড়ান। এ সময় স্থানীয় জনগণ প্রাইভেট কারে দুই শিশু দেখে তাদেরকে আটক করে। মুহূর্তের মধ্যে ছেলে ধরা গুজব ছড়িয়ে পড়লে শত-শত জনগণ তাদেরকে ঘেরাও করে।

সরোয়ার হোসেন এ সময় স্ত্রী সন্তান নিয়ে দৌড়ে একটি দোকান ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রেজাউল করিম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘থানায় আসার পর ভুল বোঝাবুঝির অবসান হলে সরোয়ার হোসেন স্ত্রী সন্তান নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র