Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চারদিন বন্ধের কবলে ভোমরা স্থলবন্দর

চারদিন বন্ধের কবলে ভোমরা স্থলবন্দর
চারদিন বন্ধের কবলে ভোমরা স্থলবন্দর। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
সাতক্ষীরা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

টানা চারদিনের বন্ধের কবলে পড়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) থেকে আগামী রোববার (২৪ মার্চ) পর্যন্ত বন্দরের সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে বন্ধের এই সময়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা যাতায়াত করতে পারবেন। আগামী ২৫ মার্চ সোমবার থেকে আবারো যথারীতি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলবে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের দোল পূর্ণিমা (হলি), সাপ্তাহিক ছুটি ও আগামী ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা পরিষদের নির্বাচন উপলক্ষে ভোমরা সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও ভারতীয় সিএন্ডএফের যৌথ সিদ্ধান্তে এই চারদিন বন্দরের সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, ৪ দিন বন্ধের পর আগামী ২৫ মার্চ থেকে আবারো ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলবে।

ভোমরা স্থল-বন্দর শুল্ক স্টেশনের সহকারী পরিচালক নিয়ামুল হাসান ৪ দিন বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ধীর গতিতে কমছে পদ্মার পানি

ধীর গতিতে কমছে পদ্মার পানি
পদ্মা নদী। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

রাজবাড়ীর তিন পয়েন্ট পাংশার সেনগ্রাম, গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ও সদরের মহেন্দ্রপুরে প্রবাহমান প্রমত্তা পদ্মার পানি ধীর গতিতে কমছে। এ কারণে এখনো পাংশার সেনগ্রাম ও গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বুধবার (২৪ জুলাই) পদ্মার পানি কমার বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত দুই দিন ধরে পদ্মার পানি বেশ কয়েক সেন্টিমিটার কমেছে। তবে পদ্মার পানি কমার গতি খুবই ধীর। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজবাড়ীতে পদ্মার পানি কমেছে সেনগ্রাম পয়েন্টে ০.২১ সেন্টিমিটার, দৌলতদিয়া পয়েন্টে কমেছে ০.১৯ সেন্টিমিটার এবং মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে কমেছে ০.২০ সেন্টিমিটার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563945217510.jpg

বুধবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টায় দৌলতদিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮.৮৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সেনগ্রামে বিপৎসীমার ১১.১৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। আর মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭.৯০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি বর্ষা মৌসুমে পদ্মার পানি সর্বোচ্চ গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পয়েন্টে ৯.৮০ সেন্টিমিটার, পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে ১১.৬১ সেন্টিমিটার এবং সদরের মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে ৯.৩৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

রাজবাড়ীতে তিন হাজার পরিবার পানিবন্দী

রাজবাড়ীতে তিন হাজার পরিবার পানিবন্দী
বাড়িতে পানি ওঠায় দুর্ভোগে মানুষ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বন্যায় রাজবাড়ীর চারটি উপজেলার তিন হাজারেরও বেশি পরিবারের ১০-১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।

ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসহ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন তারা। পর্যাপ্ত ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ তাদের। আর প্রশাসন বলছে, পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে এবং তা বিতরণ করা হচ্ছে।

পানিবন্দী মানুষের তালিকা তৈরি করে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত দুই হাজার প্যাকেট শুকনা খাবারসহ সরকারিভাবে দেড়শ’ মেট্রিকটন চাল ও নগদ আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানায় জেলা প্রশাসন।

a
বন্যা কবলিত এলাকা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

পানিবন্দী মানুষগুলো এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন। সরকারিভাবে যে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে, তা চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য বলে দাবি করেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রতনদিয়া ইউনিয়নের পানিবন্দী কয়েকজন বলেন, ‘সপ্তাহ খানেক ধরে পানি উঠেছে। এখনো ত্রাণ পাইনি। আমাদের গ্রামের যারা পেয়েছেন, তা খুবই সামান্য। আমাদের বলা হয়েছে, আমরাও নাকি পর্যায়ক্রমে পাব। তবে কবে পাব তা আমরা জানি না। আমাদের নাম নাকি লিখে নিয়ে গেছে।’

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ‘পাংশা, কালুখালী, গোয়ালন্দ ও সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে পানি উঠেছে। এতে পাংশায় ২৫০টি পরিবার, কালুখালীর রতনদিয়া ও কালকিাপুর ইউনিয়নের এক হাজার ৫৭৫ পরিবার, গোয়ালন্দের ৬০০ পরিবার ও সদরের ৯২১ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

a
বন্যা কবলিত এলাকা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কালুখালী উপজেলার জন্য ৪৬.০৫০ মেট্রিকটন চাল, গোয়ালন্দের জন্য ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার ও ১২ মেট্রিকটন চাল এবং সদর উপজেলার জন্য ২১.০৪৫০ মেট্রিকটন চাল জেলা ত্রাণ ভান্ডার থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে তা বিতরণও শুরু হয়েছে। অপরদিকে পাংশা উপজেলায় পানিবন্দি পরিবারগুলোর তালিকা চূড়ান্ত না হওয়ায় এখনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। পানিবন্দী পরিবারগুলোর তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

এবারের বন্যায় ৯৩৫ হেক্টর আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে সম্পূর্ণভাবে পানিতে তলিয়ে গেছে ২৪৯ হেক্টর ও আংশিক তলিয়ে গেছে ৬৮৬ হেক্টর জমির ফসল।

a
বন্যা কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম



রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘জেলায় পানিবন্দী পরিবারগুলোর তালিকা করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। এরই মধ্যে আমরা শুকনা খাবার ও চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছি। বন্যা পরিস্থিতি আমরা সব সময় পর্যবেক্ষণ করছি। যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলা করতে জেলা প্রশাসন প্রস্তুত আছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র