Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সেই রাফিয়ার পরিবারের দায়িত্ব নিলেন যুবনেতা কাজী রাসেল

সেই রাফিয়ার পরিবারের দায়িত্ব নিলেন যুবনেতা কাজী রাসেল
রাফিয়ার পরিবারের দায়িত্ব নিলেন যুবনেতা কাজী রাসেল, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
কক্সবাজার
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবি ভাইরালের পর স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রাফিয়া আফরিন কানিজের। যে ঝিনুক বিক্রি করে লেখাপড়ার খরচ যোগাতো সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। এমন অবস্থায় চরম আর্থিক দৈন্যদশা সৃষ্টি হয় তার পরিবারের।

রাফিয়ার পরিবারের এই চরম সংকট মুহূর্তে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিলেন কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচনে গ্যাস সিলিন্ডার প্রতীকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী রাসেল আহম্মেদ নোবেল। শুধু রাফিয়া নয়, দায়িত্ব নিয়েছেন তার পুরো পরিবারের।

সম্প্রতি রাফিয়ার ভাইরাল হওয়ার বিষয়ে বার্তা ২৪.কম-এ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এরপর শনিবার (২৩ মার্চ) রাতে তার নিজ কার্যালয়ে এনে রাফিয়ার পরিবারকে সহযোগিতা করার কথা জানান কাজী রাসেল।

তাৎক্ষনিক রাফিয়া এবং ভাইকে স্কুল ড্রেস, জুতা ও ব্যাগ কিনে দেন। পাশাপাশি ঘরের খরচের জন্য নগদ টাকাও দেন।

কাজী রাসেল আহম্মেদ নোবেল বলেন, রাফিয়ার বিষয়টি ফেসবুকে দেখার পর আমার নজরে আসে। আমার মা সবসময় আমাকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়ে থাকেন। সবসময় চেষ্টা করি অসহায় মানুষের সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করার। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমি তাদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ইনশাআল্লাহ যতদিন বেঁচে থাকবো রাফিয়া এবং তার পরিবারের পাশে থাকবো। রাফিয়া আজ থেকে আমার মেয়ে।

তিনি বলেন, রাফিয়া এবং তার ভাই ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত মো. আরফাত মাস্টার্স পাশ করা পর্যন্ত তাদের পড়ালেখা এবং যাবতীয় ভরণপোষণ আমি চালিয়ে যাবো। একই সঙ্গে রাফিয়ার পরিবারকে যতদিন তারা স্বাবলম্বী হয়নি ততদিন পর্যন্ত প্রতিমাসে এক বস্তা করে চাউল এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে সহায়তা করবো। এর বাইরে যখন যে সহযোগিতা প্রয়োজন হয়, তাদের জন্য আমি করে যাবো। রাফিয়ার পরিবারের জন্য আমার দরজা সার্বক্ষণিক খোলা।

রাফিয়ারা চার ভাইবোন। রাফিয়ার বড় দুই ভাইয়ের মধ্যে একজন খালার বাসায় থেকে পলিটেকনিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশোনা করে। তার পড়াশোনার খরচ বহন করে ওই খালা। রাফিয়ার আরেক বড় ভাই মো. আরফাত পড়াশোনা করে কলাতলীর শিশু কল্যাণ স্কুলে। রাফিয়া পড়ে কলাতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে। রাফিয়ার ছোট বোন রাবেয়া বছরীর বয়স এখনো মাত্র দেড় বছর।

উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার একটি ছবি প্রকাশ করে পর্যটক। মুহূর্তে ভাইরাল হতে শুরু করে তার সেই হাসির ছবি। এটি তার জন্য কাল হয়ে বসে। বন্ধ হয়ে গেছে উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম ঝিনুক বিক্রি। পড়াশোনাও বন্ধ হওয়ার পথে ছিল। উল্টো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিল তার পরিবার।

আপনার মতামত লিখুন :

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরি ঘাট/ ফাইল ছবি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া অভিমুখী একটি ফেরির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যাওয়ায় ফেরিটি মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ফেরিটি পাটুরিয়া ফেরিঘাট পন্টুনে এসে পৌঁছায়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি পাটুরিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল বলেন, ‘কেরামত আলী ফেরি ছোট বড় ২০টি যাত্রীবাহী গাড়ি নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

প্রবল স্রোতের বিপরীতে ফেরিটি দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে যায়। কিন্তু দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে নদীতে স্রোত বেশি থাকায় ফেরিটি বার বার চেষ্টা করেও ঘাটে ভিড়তে পারেনি।

স্রোতের বিপরীতে দফায় দফায় চেষ্টা করার কারণে এক পর্যায়ে ফেরিটির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যায়। ইঞ্জিন দুর্বল থাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

তবে এতে ফেরির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। ফেরিতে থাকা গাড়ি বা যাত্রীদেরও কোনো ক্ষতি হয়নি। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফেরিটি দৌলতদিয়া থেকে রাতেই পাটুরিয়ায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ফেরিতে থাকা গাড়ি ও যাত্রীদের অন্য ফেরিতে নিরাপদে দৌলতদিয়া ঘাটে পাঠানোর সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান মহিউদ্দিন রাসেল।

এদিকে ফেরির যাত্রীরা মোবাইল ফোনে কিংবা মেসেঞ্জারে ফেরিতে আগুন ধরার খবর তাদের পরিবার ও স্বজনদের জানালে মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এতে খুবই চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে যাত্রীদের পরিবার।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অঞ্চলের ডিজিএম আজমল হোসেন বলেন, ‘তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে সময় লাগছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ। ফলে বিপুল সংখ্যক গাড়ি পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে।’

ভাসমান কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী স্বদেশ প্রসাদ মণ্ডল বলেন, ‘পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌপথে যে ফেরিগুলো আছে তার অধিকাংশই পুরাতন। স্রোতের বিপরীতে চলতে যেয়ে মাঝে মধ্যেই ফেরি বিকল হয়ে পড়ছে। ছোট ফেরি স্রোতের প্রতিকূলে চলতেই পারছে না। তবে ফেরি মেরামতে সাধ্যমত চেষ্টা করা হচ্ছে।’

পাটুরিয়া ঘাট পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আরাফাত রাসেল বলেন, ‘নদীতে তীব্র স্রোত ও ফেরি সংকটে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। পানি বাড়ার ফলে পন্টুন ডুবে যাচ্ছে। এ কারণে প্রতিদিনই পন্টুন সরিয়ে উপরে উঠানো হচ্ছে।’

পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি

পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পঞ্চগড়ে দুস্থ গর্ভবতী নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতা দিচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। কিন্তু এই ভাতা নিতে এসে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় গর্ভবতী নারীদের। সোনালী ব্যাংকের পঞ্চগড় শাখায় মাতৃকালীন ভাতা নিতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাদের।

মাত্র একজন কর্মকর্তা দিয়ে দেড় হাজার দুস্থ নারীকে এই ভাতা দেওয়া হয়। ফলে ভাতা বিতরণ প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় গর্ভবতীদের।

বৃহস্পতিবার (১৮জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায়, ভাতা উত্তোলন করতে আসা নারীদের দীর্ঘ লাইন, ভাতা বিতরণেও ধীর গতি। লাইনে থাকা বেশিরভাগ নারীই সন্তান প্রসবের শেষ সময়ের দিকে। ফলে ভাতার অপেক্ষায় নাজেহাল অবস্থা তাদের। প্রচণ্ড গরমে অনেকেই অসুস্থপ্রায়!

Panchagar

মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে আসা সদর উপজেলার জগদল এলাকার সেলিনা পারভিন বলেন, 'এক দিনে সব এলাকার মহিলাদের ভাতা প্রদান করায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ফলে বিপাকে পড়েছি আমরা।'

একই উপজেলার গোয়াঝাড় এলাকার মনিরা বেগম বলেন, 'মাত্র একজন দিয়ে ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে আছি আমি। আমাদের দাবি- সরকার যদি মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান সহজ করে তাহলে আমাদের দুর্ভোগ হবে না।’

পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক এ কে এম মতিয়ার রহমান জানান, 'আমাদের জনবল সংকট ও অন্য কাজের চাপ থাকায় একজন অফিসার দিয়েই ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র