Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

হিরো আলমের স্ত্রী ও শ্বশুরকে আদালতের ভৎর্সনা

হিরো আলমের স্ত্রী ও শ্বশুরকে আদালতের ভৎর্সনা
গ্রেফতার হিরো আলম, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বগুড়া
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

স্ত্রী পেটানোর মামলায় কারাবন্দী আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলমের জামিন চাওয়ায় তার স্ত্রী ও শ্বশুরকে ভৎর্সনা করেছে আদালত। হিরো আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার আপসনামা আদালতে দাখিল করে জামিন আবেদন করলে সোমবার (২৫ মার্চ) বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার এই ভৎর্সনা করেন।

পরে জামিন আবেদন নাকচ করে আগামী ১৮ এপ্রিল হিরো আলমকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন বিচারক। ওই দিন হিরো আলমের উপস্থিতিতে তার জামিন শুনানি হবে মর্মে আদেশ দেন তিনি।

হিরো আলমের আইনজীবী মাসুদার রহমান স্বপন বার্তা২৪.কমকে বলেন, মামলার বাদী হিরো আলমের শ্বশুর সাইফুল ইসলাম আসামি পক্ষের সাথে মীমাংসা করে মামলা চালাবেন না, এই মর্মে এফিডেভিট আদালতে দাখিল করেন। বাদীর এই আপসনামার ভিত্তিতে সোমবার হিরো আলমের জামিন আবেদন করা হয়। জামিন আবেদন শুনানিকালে মামলার বাদী হিরো আলমের শ্বশুর, তার স্ত্রী সুমি বেগম এবং হিরো আলমের দুই সন্তান উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্র জানায়, জামিন আবেদন শুনানিকালে বিচারক মামলার বাদী হিরো আলমের শ্বশুর এবং স্ত্রীর বক্তব্য শুনে দু’জনেকই ভৎর্সনা করেন। হিরো আলম দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে স্ত্রীকে মারধর করে, এমন বক্তব্যের স্বপক্ষে মামলার বাদী কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় আদালত দুজনকেই ভৎর্সনা করেন। পরে হিরো আলমের জামিন না-মঞ্জুর করে আগামী ১৮ এপ্রিল জামিন আবেদন শুনানির দিন ধার্য করেন। ওই দিন হিরো আলমকে আদালতে হাজির করার পাশাপাশি তার স্ত্রী সুমি বেগম ও শ্বশুর সাইফুল ইসলামকে আদালতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়।

উল্লেখ্য, যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগে হিরো আলমের শ্বশুর গত ৬ মার্চ বগুড়া সদর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই রাতেই পুলিশ হিরো আলমকে গ্রেফতার করে এবং পরদিন আদালতে হাজির করে পুলিশ। আদালত জামিন না-মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ায় গত ৭ মার্চ থেকে হিরো আলম কারাগারে রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরে সেরা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ

ফরিদপুরে সেরা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ
ফরিদপুরের সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ/ ছবি: সংগৃহীত

২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় ফরিদপুরে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ। অপরদিকে সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে বাখুন্ডা কলেজ।

ফরিদপুর সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ থেকে এক হাজার ৬০৯ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাশ করেছে এক হাজার ৩৬৮ জন। পাশের হার ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ জন।

সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘সকল শিক্ষার্থীকে গভীর নজরদারির মধ্যে রেখেছি। যারা বার্ষিক পরীক্ষায় খারাপ করেছে তখন তাদের অভিভাবকদের ডেকে এনে বিষয়টি বলেছি, যাতে তারা মেয়েদের পড়ার ব্যাপারে নজর রাখতে পারেন। এভাবে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত চেষ্টায় এ সাফল্য।’

এদিকে বাখুন্ডা কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়েছে ১০৩ জন। পাশ করেছে ২৩ জন। পাশের হার ২২ দশমিক ৩৩।

খারাপ ফলাফলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বাখুন্ডা কলেজের অধ্যক্ষ মো. সেলিম মিয়া বলেন, ‘দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষরা বিনা বেতনে কাজ করছেন। ফলে নিয়মিত পাঠদান করা সম্ভব হয় না। এই কলেজে ভালো শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয় না। নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলেও রাজনৈতিক চাপে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হয়। এ কারণে ফল ভালো হয়নি।’

কৃষকের ঘরে ১৭ গোখরার বাচ্চা

কৃষকের ঘরে ১৭ গোখরার বাচ্চা
জাকির মোল্লার ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সাপগুলো। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আউশিয়া গ্রামে জাকির মোল্লা নামে এক কৃষকের বাড়ি থেকে ১৭টি গোখরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে তার বসতঘরের মেঝে খুঁড়ে সাপের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করা হয়।

কৃষক জাকির মোল্লা জানান, বিকেলে বসত ঘরের মাচার নিচে একটি গোখরা সাপের বাচ্চা দেখতে পান তার মা। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় ঘরের মেঝে খোঁড়ার কাজ শুরু করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা ১৭টি গোখরা সাপের বাচ্চা ও ২৩টি ডিমের খোসা উদ্ধার করেন। মা সাপ ও বাকি বাচ্চাগুলো উদ্ধারের আশায় মেঝের বাকি অংশে খননের কাজ চলছে।

তবে উদ্ধার হওয়া ওই ১৭ গোখরা সাপের বাচ্চাকে মেরে ফেলা হয়েছে বলেও জানান কৃষক জাকির মোল্লা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র