Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

দ্বিগুণ মূল্যে টিকিট, প্রতিবাদে রক্তাক্ত হলেন বৃদ্ধ

দ্বিগুণ মূল্যে টিকিট, প্রতিবাদে রক্তাক্ত হলেন বৃদ্ধ
আহত মোখলেছুর রহমান মোখলেছ। ছবি: বার্তা২৪.কম
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের গৌরীপুর রেলস্টেশনে টিকিট কালোবাজারি করার প্রতিবাদে মোখলেছুর রহমান মোখলেছ (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয়েছে। বেসরকারি (মালিকানা) ট্রেন চলাচল প্রতিষ্ঠানের টিকিট বিক্রেতা মনিরুজ্জামান বিপ্লবের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আহত যাত্রী গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনার পর থেকে টিকিট বিক্রেতা বিপ্লব পলাতক রয়েছে।

যাত্রীদের অভিযোগ, বিপ্লবের সঙ্গে টিকিট কালোবাজারিদের যোগসূত্র রয়েছে। বিপ্লব কাউন্টারে প্রকাশ্যেই দ্বিগুণ মূল্যে টিকিট বিক্রি করে। কিন্তু রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কখনো তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না।

স্থানীয় ও স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, মারধরের শিকার মোখলেছুর রহমান মোখলেছ অবসরপ্রাপ্ত পোস্ট মাস্টার। তার বাড়ি গৌরীপুর উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের পাছার গ্রামে। আজ দুপুরে গৌরীপুর থেকে জয়দেবপুর যাওয়ার জন্য বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতে কাউন্টারে যান তিনি। ওই সময় টিকিট কাউন্টারে ছিলেন মনিরুজ্জামান বিপ্লব। তিনি টিকিটের দাম নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাবি করলে মোখলেছ প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হলে বিপ্লব ক্ষিপ্ত হয়ে মোখলেছকে মারধর করে। একপর্যায়ে বিপ্লব কাউন্টারে থাকা স্টিলের স্কেল দিয়ে মোখলেছের মাথায় আঘাত করলে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

পরে মোখলেছকে উদ্ধার করে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

মোখলেছুর রহমান মোখলেছ বলেন, ‘আমি কাউন্টারে গিয়ে জয়দেবপুর স্টেশনের টিকিট চাইলে বিপ্লব অতিরিক্ত টাকা চায়। এ সময় তাকে বলি আমি অসুস্থ বৃদ্ধ, ন্যায্য মূল্যে একটি সিট সহ টিকিট দিন। তখন বিপ্লব টিকিট না দিয়ে আমার টাকা আটকে রাখে। আমি প্রতিবাদ করলে সে আমাকে প্রকাশ্যে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয়।’

গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আবদুর রশিদ বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। কিন্তু বিপ্লব আমাদের রেলওয়ের কর্মচারী না হওয়ায় তার ওপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে বিষয়টি আমরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে জানিয়েছি।’

এ বিষয়ে বক্তব্য নেয়ার জন্য অভিযুক্ত মনিরুজ্জামান বিপ্লবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ট্রেনযাত্রীকে মারধরের ঘটনাটি আমরা শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

এক ট্রেড লাইসেন্সে ৬২ হাজার টাকা ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে

এক ট্রেড লাইসেন্সে ৬২ হাজার টাকা ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে
ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন লিটু, ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন লিটুর বিরুদ্ধে ৬২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুদকের এক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে। 

গত মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ১১ নম্বর হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি এ তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে।

দুদকের তদন্ত প্রতিনিধি দলের সদস্য ও উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল গনি বলেন, এক ট্রেড লাইসেন্সে ৫ হাজার টাকার উপরে ট্রেড লাইসেন্স ফি নেয়ার এখতিয়ার নেই। সেখানে ৬২ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসেবে ওই টাকা জমা দেয়নি বলে স্বীকার করেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566560489063.jpg

 

দুদকের অডিট আপত্তিতে দেখানো হয়, এই ইউনিয়ন পরিষদে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ট্রেড লাইসেন্স ও পারমিট বাবদ রাজস্ব আয় ২১ হাজার ৬৫০ টাকা দেখানো হয়। ওই টাকার রাজস্ব ভ্যাট ৩ হাজার ২৩৪ টাকা নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়নি। এদিকে এক ট্রেড লাইসেন্সের বাবদ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা কোন অর্থ বছরেই পরিষদের তহবিলে জমা দেয়নি ইউপি চেয়ারম্যান।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে ২৬ জুলাই মেসার্স কেএলবি ব্রিক ফ্লিড থেকে ইউনিয়ন পরিষদের রশিদের মাধ্যমে ৬২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন লিটু। সে টাকা ইউনিয়ন পরিষদের তহবিলে জমা পড়েনি।

ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম সবুজ বলেন, এক বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব আয় ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে ঢুকছে। এছাড়াও আরো একাধিক ট্রেড লাইসেন্সের টাকা ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে আছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ চাঁদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

নেত্রকোনায় বাঁশ কাটতে গিয়ে বিদ্যুস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

নেত্রকোনায় বাঁশ কাটতে গিয়ে বিদ্যুস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বাড়ির পাশে জঙ্গলে বাঁশ কাটতে গিয়ে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বিদ্যুতের অবৈধ তারে (সাইড লাইন) জড়িয়ে হালান মিয়া (৬০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে কেন্দুয়া পৌর শহরের বাদে আঠারবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হালান মিয়া বাদে আঠারবাড়ি গ্রামের মৃত নেকবর আলী মুন্সীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, কৃষক হালান মিয়া শুক্রবার দুপুরে বাড়ির পাশে জঙ্গলে বাঁশঝাড়ে বাঁশ কাটতে যান। এ সময় তিনি জঙ্গলের ভেতর দিয়ে অবৈধভাবে নেওয়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামানের সঙ্গে কথা হলে তিনি এসব তথ্য বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র