Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সাংবাদিকসহ স্থানীয় চেয়ারম্যানের স্বাধীনতা অনুষ্ঠান বর্জন

সাংবাদিকসহ স্থানীয় চেয়ারম্যানের স্বাধীনতা অনুষ্ঠান বর্জন
জয়পুরহাটের মানচিত্র
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
জয়পুরহাট
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

জয়পুরহাটে মহান স্বাধীনতা দিবসে ব্ল্যাক আউট পালন না করাসহ নানা অব্যবস্থাপনার কারণে অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় জয়পুরহাট জেলা স্টেডিয়াম মাঠ ছেড়ে চলে যান সবাই।

জানা যায়, গণহত্যা দিবসে ১ মিনিট ব্ল্যাক আউট বাস্তবায়নের সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের রাতে এক মিনিট অন্ধকার রাখার ব্যবস্থা করা, ওই সময়ে কোনো গাড়িও চলাচল না করা, সাধারণ মানুষের হাঁটা-চলা বন্ধ রেখে পথে দাঁড়িয়ে থাকাসহ ব্লাক-আউট নিশ্চিত করার কথা থাকলেও জয়পুরহাটে তা বাস্তবায়ন হয়নি। জেলা প্রশাসনের নিমন্ত্রণ পত্রে যে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে, সেখানেও ‘ব্লাক আউটের’ উল্লেখ নাই।

এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানস্থলে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের আসন বিন্যাস ঠিক না রাখা, দীর্ঘ সময় মাঠে অনুষ্ঠান গড়ালেও প্রচার মাইকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান ও উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অশোক ঠাকুরের নাম ঘোষণা না করায় ক্ষুব্ধ ওই দুই জনপ্রতিনিধিসহ সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানস্থল বর্জন করে মাঠ ছেড়ে চলে যান।

এ ব্যাপারে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান বলেন ‘জেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অব্যবস্থাপনা দেখে ক্ষুব্ধ স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাড. সামছুল আলম দুদু অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যাওয়ার পর ‘উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও আমি অনুষ্ঠান থেকে চলে আসি।’

স্থানীয় সাংবাদিকদের এ অনুষ্ঠান বর্জনের কারণ জিজ্ঞাসা করলে জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাকিম ফাররোখ জানান, প্রায় প্রতিটি দিবসে সকলের আসন ঠিক থাকলেও শুধুমাত্র সংবাদকর্মীদের আসন ঠিক থাকে না। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের উদাসীনতাকেই দায়ী করছি আমরা।

ব্ল্যাক আউটের ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী মিল্টন চন্দ্র রায় ও জেলা প্রশাসক জাকির হোসনকে দুপুরে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তারা মোবাইল ধরেননি।

এ বিষয়ে অনুষ্ঠান স্থলে জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকির হাসেন বলেন, ‘অনুষ্ঠান আয়োজনের মূল দায়িত্বে ছিলেন একজন এনডিসি। তিনি এই জেলায় নতুন হওয়ায় বিষয়টি বুঝতে পারেননি। আগামীতে সব কিছু নিয়ম মাফিক রাখা হবে বলেও জানান তিনি।’

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরি ঘাট/ ফাইল ছবি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া অভিমুখী একটি ফেরির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যাওয়ায় ফেরিটি মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ফেরিটি পাটুরিয়া ফেরিঘাট পন্টুনে এসে পৌঁছায়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি পাটুরিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল বলেন, ‘কেরামত আলী ফেরি ছোট বড় ২০টি যাত্রীবাহী গাড়ি নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

প্রবল স্রোতের বিপরীতে ফেরিটি দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে যায়। কিন্তু দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে নদীতে স্রোত বেশি থাকায় ফেরিটি বার বার চেষ্টা করেও ঘাটে ভিড়তে পারেনি।

স্রোতের বিপরীতে দফায় দফায় চেষ্টা করার কারণে এক পর্যায়ে ফেরিটির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যায়। ইঞ্জিন দুর্বল থাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

তবে এতে ফেরির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। ফেরিতে থাকা গাড়ি বা যাত্রীদেরও কোনো ক্ষতি হয়নি। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফেরিটি দৌলতদিয়া থেকে রাতেই পাটুরিয়ায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ফেরিতে থাকা গাড়ি ও যাত্রীদের অন্য ফেরিতে নিরাপদে দৌলতদিয়া ঘাটে পাঠানোর সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান মহিউদ্দিন রাসেল।

এদিকে ফেরির যাত্রীরা মোবাইল ফোনে কিংবা মেসেঞ্জারে ফেরিতে আগুন ধরার খবর তাদের পরিবার ও স্বজনদের জানালে মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এতে খুবই চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে যাত্রীদের পরিবার।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অঞ্চলের ডিজিএম আজমল হোসেন বলেন, ‘তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে সময় লাগছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ। ফলে বিপুল সংখ্যক গাড়ি পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে।’

ভাসমান কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী স্বদেশ প্রসাদ মণ্ডল বলেন, ‘পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌপথে যে ফেরিগুলো আছে তার অধিকাংশই পুরাতন। স্রোতের বিপরীতে চলতে যেয়ে মাঝে মধ্যেই ফেরি বিকল হয়ে পড়ছে। ছোট ফেরি স্রোতের প্রতিকূলে চলতেই পারছে না। তবে ফেরি মেরামতে সাধ্যমত চেষ্টা করা হচ্ছে।’

পাটুরিয়া ঘাট পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আরাফাত রাসেল বলেন, ‘নদীতে তীব্র স্রোত ও ফেরি সংকটে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। পানি বাড়ার ফলে পন্টুন ডুবে যাচ্ছে। এ কারণে প্রতিদিনই পন্টুন সরিয়ে উপরে উঠানো হচ্ছে।’

পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি

পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পঞ্চগড়ে দুস্থ গর্ভবতী নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতা দিচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। কিন্তু এই ভাতা নিতে এসে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় গর্ভবতী নারীদের। সোনালী ব্যাংকের পঞ্চগড় শাখায় মাতৃকালীন ভাতা নিতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাদের।

মাত্র একজন কর্মকর্তা দিয়ে দেড় হাজার দুস্থ নারীকে এই ভাতা দেওয়া হয়। ফলে ভাতা বিতরণ প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় গর্ভবতীদের।

বৃহস্পতিবার (১৮জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায়, ভাতা উত্তোলন করতে আসা নারীদের দীর্ঘ লাইন, ভাতা বিতরণেও ধীর গতি। লাইনে থাকা বেশিরভাগ নারীই সন্তান প্রসবের শেষ সময়ের দিকে। ফলে ভাতার অপেক্ষায় নাজেহাল অবস্থা তাদের। প্রচণ্ড গরমে অনেকেই অসুস্থপ্রায়!

Panchagar

মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে আসা সদর উপজেলার জগদল এলাকার সেলিনা পারভিন বলেন, 'এক দিনে সব এলাকার মহিলাদের ভাতা প্রদান করায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ফলে বিপাকে পড়েছি আমরা।'

একই উপজেলার গোয়াঝাড় এলাকার মনিরা বেগম বলেন, 'মাত্র একজন দিয়ে ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে আছি আমি। আমাদের দাবি- সরকার যদি মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান সহজ করে তাহলে আমাদের দুর্ভোগ হবে না।’

পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক এ কে এম মতিয়ার রহমান জানান, 'আমাদের জনবল সংকট ও অন্য কাজের চাপ থাকায় একজন অফিসার দিয়েই ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র