Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

অনিয়মের কারণে শেখ হাসিনা তাঁত পল্লীর স্থান পরিবর্তন

অনিয়মের কারণে শেখ হাসিনা তাঁত পল্লীর স্থান পরিবর্তন
শেখ হাসিনা তাঁত পল্লীর জন্য বরাদ্দকৃত জায়গায় তাৎক্ষণিকভাবে গড়ে তোলা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

অনিয়ম দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে শেখ হাসিনা তাঁত পল্লীর। অনিয়ম রোধে মাদারীপুরের শিবচর ও শরীয়তপুরের জাজিরায় এক হাজার  ৯১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাওয়া শেখ হাসিনা তাঁত পল্লীর পূর্ব নির্ধারিত স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী।

প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) চিফ হুইপ এসব কথা বলেন। এ সময় চিফ হুইপ ভবিষ্যতে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনির চৌধুরীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চিফ হুইপ বলেন, 'শেখ হাসিনা তাঁত পল্লীর নির্ধারিত স্থানে অবৈধ স্থাপনা নিয়ে টিভি, পত্রিকাসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারিত নিউজ দেখে ও তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে দেখা গেছে এখানে ভাল কিছু হচ্ছে না। আমাদের নির্দেশনায় মাদারীপুরের প্রশাসন অবৈধ সকল স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলেছে। কিন্তু শরীয়তপুরের প্রশাসন কোন কার্যক্রম গ্রহণ করেনি।'

তিনি বলেন, 'গত ২৪ মার্চ পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মীর্জা আজম, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা সবাই একমত হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যে সকল এলাকায় অবৈধভাবে ঘর-বাড়ি, গাছপালাসহ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে সে সকল এলাকা এই প্রকল্প থেকে বাদ দেয়া হবে। আর অপর দিকে দুই জেলায় এমন একটি প্রকল্প করতে গেলে শুধু এই অনিয়মই নয় ভবিষ্যতে আরও কিছু সমস্যা হবে। যেমন আইন শৃঙ্খলা অবনতি হলে নিয়ন্ত্রণে জটিলতা সৃষ্টি হবে।'

নূর-ই আলম চৌধুরী আরও বলেন, 'তাই সংসদীয় কমিটি, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সবাই একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আমরা শেখ হাসিনা তাঁত পল্লী একই উপজেলায় করব। আর এ জন্য মাদারীপুরের শিবচরের কুতুবপুর এলাকায় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ আমরা জায়গা দেখে গেলাম। আমাদের পছন্দ হয়েছে। দুই একদিনের মধ্যেই একটি টিম আসবে এখানে। তাদের পছন্দ হলে আগামী দুই মাসের মধ্যেই আমরা কাজ শুরু করতে পারব।'

উল্লেখ্য, গত বছরের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে 'শেখ হাসিনা তাত পল্লী'র ভিত্তিপ্রস্তর করেন। এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৯১১ কোটি টাকা। প্রকল্পটির জন্য জেলার শিবচর উপজেলার কুতুবপুরে ৬০ একর ও শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় ৪৮ একর জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ভিত্তিপ্রস্তরের পর সরকারের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে ওই জমির মালিক ও এক শ্রেণির দালাল চক্র শত শত ঘরসহ স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ লাগানো শুরু করে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর গত ২৬ জানুয়ারি চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করলে জেলার শিবচরে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে প্রশাসন। তবে শরীয়তপুরে কোন অভিযান এখন পর্যন্ত চালায়নি প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন :

এক ট্রেড লাইসেন্সে ৬২ হাজার টাকা ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে

এক ট্রেড লাইসেন্সে ৬২ হাজার টাকা ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে
ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন লিটু, ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন লিটুর বিরুদ্ধে ৬২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুদকের এক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে। 

গত মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ১১ নম্বর হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি এ তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে।

দুদকের তদন্ত প্রতিনিধি দলের সদস্য ও উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল গনি বলেন, এক ট্রেড লাইসেন্সে ৫ হাজার টাকার উপরে ট্রেড লাইসেন্স ফি নেয়ার এখতিয়ার নেই। সেখানে ৬২ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসেবে ওই টাকা জমা দেয়নি বলে স্বীকার করেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566560489063.jpg

 

দুদকের অডিট আপত্তিতে দেখানো হয়, এই ইউনিয়ন পরিষদে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ট্রেড লাইসেন্স ও পারমিট বাবদ রাজস্ব আয় ২১ হাজার ৬৫০ টাকা দেখানো হয়। ওই টাকার রাজস্ব ভ্যাট ৩ হাজার ২৩৪ টাকা নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়নি। এদিকে এক ট্রেড লাইসেন্সের বাবদ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা কোন অর্থ বছরেই পরিষদের তহবিলে জমা দেয়নি ইউপি চেয়ারম্যান।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে ২৬ জুলাই মেসার্স কেএলবি ব্রিক ফ্লিড থেকে ইউনিয়ন পরিষদের রশিদের মাধ্যমে ৬২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন লিটু। সে টাকা ইউনিয়ন পরিষদের তহবিলে জমা পড়েনি।

ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম সবুজ বলেন, এক বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব আয় ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে ঢুকছে। এছাড়াও আরো একাধিক ট্রেড লাইসেন্সের টাকা ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে আছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ চাঁদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

নেত্রকোনায় বাঁশ কাটতে গিয়ে বিদ্যুস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

নেত্রকোনায় বাঁশ কাটতে গিয়ে বিদ্যুস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বাড়ির পাশে জঙ্গলে বাঁশ কাটতে গিয়ে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বিদ্যুতের অবৈধ তারে (সাইড লাইন) জড়িয়ে হালান মিয়া (৬০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে কেন্দুয়া পৌর শহরের বাদে আঠারবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হালান মিয়া বাদে আঠারবাড়ি গ্রামের মৃত নেকবর আলী মুন্সীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, কৃষক হালান মিয়া শুক্রবার দুপুরে বাড়ির পাশে জঙ্গলে বাঁশঝাড়ে বাঁশ কাটতে যান। এ সময় তিনি জঙ্গলের ভেতর দিয়ে অবৈধভাবে নেওয়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামানের সঙ্গে কথা হলে তিনি এসব তথ্য বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র