Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

শিক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
চন্দ্রকোণা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উৎসবে বক্তব্য দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
শেরপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে শুধু অবকাঠামো নয়, শিক্ষা পদ্ধতিতেও কিছুটা পরিবর্তন আনা হবে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার জন্য আমরা কাজ করছি।

শনিবার (৩০ মার্চ) বিকালে শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোণা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ালে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। গুজব ছড়ানোর অপকর্মের সাথে সম্পৃক্তদের কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান না দেওয়ার আহবান জানান দীপু মনি। বলেন, গত ১০ বছরে শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। শুধু শিক্ষা ও বিজ্ঞানে নয়, শিক্ষার্থীদের মানবিকভাবেও সমৃদ্ধ হতে হবে। শিক্ষিত তরুণদেরকে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী এক মাসের মধ্যে ননএমপিও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিলের কোনো চিন্তা নেই। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী তৃতীয় শ্রেণীতে পরীক্ষা উঠিয়ে দিতে জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ কাজ করছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/30/1553952682594.jpg

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম মতিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই দেশের উন্নয়ন হয়। এখন সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, কৃষি, ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন সেক্টরে যে উন্নয়ন হয়েছে, তাতে জনগণ উপকৃত হচ্ছে। আর এ কারণে জনগণ জামায়াত-বিএনপির ধ্বংসাত্মক কোনো আন্দোলনে সাড়া দিচ্ছে না।

জনতা ব্যাংকের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ও শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহবায়ক আকরাম হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সড়ক পরিবহন সচিব নজরুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মুফাখখারুল ইসলাম, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. গাজী হাসান কামাল, ঢাকা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর তাসলিমা খাতুন এবং শেরপুরের জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ।

আরও বক্তব্য দেন চন্দ্রকোনা কলেজের অধ্যক্ষ ড. রফিকুল ইসলাম, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাজু সাঈদ সিদ্দিকী, প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোখলেসুর রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, নকলার দুর্গম চরাঞ্চলে ১৯১৯ সালে তৎকালীন জমিদার গোপাল দাস চৌধুরী তার মায়ের নামে চন্দ্রকোনা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন :

গণধর্ষণ মামলার আসামি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার

গণধর্ষণ মামলার আসামি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার
আসামি বাদশা হোসেন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঝিনাইদহে ৭ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাদশা হোসেনকে (৩১) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার খাজুরা জোয়ার্দ্দার পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার বাদশা খাজুরা এলাকার মৃত মন্তেজ হোসেনের ছেলে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খান জানান, গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাদশা খাজুরা এলাকায় অবস্থান করেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাদশা ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুলিশকে আঘাত করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে। এতে বাদশা পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ঈদের দিন সন্ধ্যায় শহরের মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী পাশের বাড়িতে তার মাকে খুঁজতে বের হয়। এ সময় বাদশা, একই এলাকার মন্টু মণ্ডলের ছেলে রুহুল আমীন ও জাফরের ছেলে মুন্নু তাকে মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর শহরের ক্যাডেট কলেজের সামনের একটি আবাসন এলাকায় ফেলে যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র শকুনি লেক

জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র শকুনি লেক
শকুনি লেক। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

যেকোনো উৎসব বা আয়োজনকে সামনে রেখে আনন্দ-বিনোদনে মেতে উঠেন মাদারীপুরবাসী। বিশেষ করে সেখানের শকুনি লেক এলাকাবাসীর মূল বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই যেকোনো উৎসবকে ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে লেকে।

গেল ঈদে দর্শনার্থীদের জন্য লেকের রাইডে যোগ হয় পায়ে চালানো নৌকা বা প্যাডেল বোট। লেকের টলটলে পানি, আশপাশের মনোরম পরিবেশ সব কিছুই যেন দর্শনার্থীদের মন কাড়ে। তাই সেখানে এখনো রাত ও দিনে ঈদের আমেজ বিরাজমান।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১৮৮৪ সালে শকুনি লেকটি খনন করা হলেও দীর্ঘদিন অযত্ন-অবহেলায় পড়ে ছিল। ২০১৩ সালে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে কাজের শতভাগ শেষ হয়েছে। লেকটিকে আরও সুন্দর করে তুলতে কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566358494030.jpg

লেকটিতে ‘মাদারীপুর ঘড়ি’ নামে একটি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। সেখানে উঠে পুরো শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, শহীদ কানন, শিশুপার্ক, স্বাধীনতা অঙ্গন, শহীদ চত্বর, মুক্তমঞ্চ, এমপি থিয়েটার মঞ্চ, শান্তি ঘাটলাসহ লেকটির বিভিন্ন স্থানে দর্শনার্থীদের ভিড় লেগে থাকে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, শকুনি লেকের চারপাশে শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের মানুষের ভিড় রয়েছে। কেউ কেউ প্রিয়জনের সঙ্গে ছবিও তুলছেন, কেউবা সেলফি তুলছেন। আবার কেউ প্যাডেল বোটে প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরছেন।

বরিশালের গৌরনদী এলাকা থেকে আসা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে নিয়ে জনপ্রিয় এই শকুনি লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছি। এখানের সৌন্দর্যে আমরা সবাই খুশি। বিশেষ করে প্যাডেল বোটে চড়তে পেরে সবার ভালো লেগেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566358514111.jpg

মাদারীপুর শহরের নিজাম উদ্দিন জানান, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল-বিকেল তাকে হাঁটতে হয়। পার্কে হাঁটার জন্য সুন্দর পরিবেশও আছে। তাই তিনি প্রতিদিনই সেখানে যান।

মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘মাদারীপুর জেলাকে পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে লেকটির গুরুত্ব ব্যাপক। আমরা লেকটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করি। তাছাড়া লেকের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) উত্তম কুমার পাঠক জানান, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের একটি দল লেক ও এর আশপাশের এলাকায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র