Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

দুর্নীতির দায়ে ব্যাংক কর্মকর্তার কারাদণ্ড

দুর্নীতির দায়ে ব্যাংক কর্মকর্তার কারাদণ্ড
দুর্নীতির দায়ে ব্যাংক কর্মকর্তার কারাদণ্ড। ছবি: প্রতীকী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ফরিদপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় জনতা ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৩১ মার্চ) ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান এই রায় দেন। তবে এ সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যাংক কর্মকর্তা হলেন মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার শশিকর গ্রামের কৃষ্ণকান্ত বিশ্বাস। তিনি জনতা ব্যাংক মাদারীপুর প্রধান শাখার ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম সুপারভাইজার পদে কর্মরত ছিলেন। কর্মরত থাকাকালে ঋণের আদায়কৃত ৩১ হাজার ৬১১ টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন তিনি। এছাড়া ২১ ব্যক্তির নামে ভুয়া ঋণ দেখিয়ে ৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকাসহ সরকারি আরও ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬১১ টাকা আত্মসাৎ করেন।

২০০৫ সালের ২৬ জানুয়ারি ওই ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্লা এ ব্যাপারে বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন। এরপর বরখাস্ত অবস্থায় পলাতক রয়েছেন কৃষ্ণকান্ত বিশ্বাস।

দুদকের পিপি মো. মজিবর রহমান জানান, আদালত তিনটি ধারায় বিভিন্ন মেয়াদে ব্যাংক কর্মকর্তা কৃষ্ণকান্তকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন। এরমধ্যে সরকারি টাকা আত্মসাতের দায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং নগদ ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬১১ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাদণ্ড দেয়া হয়।

জাল-জালিয়াতির দায়ে ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাস কারাদণ্ড দেয়া হয়। তবে কৃষ্ণকান্ত বিশ্বাস সব সাজা একসঙ্গে ভোগ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন :

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা
শেরপুরের ম্যাপ

শেরপুরে ফরিদা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর পৌর এলাকার গৌরিপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফরিদা ওই এলাকার মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।

নিহতের নাতি শিহাব বলেন, ‘আমি শেরপুরে একটি মোটরসাইকেল শো-রুমে কাজ শেষে বাসায় যাই। এসময় ঘরে সামনে গিয়ে দরজা খোলার জন্য দাদীকে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তিনি দরজা না খোলায় পাশের বাসা থেকে হাতুড়ি এনে তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দাদীকে গলা কাটা অবস্থায় পাই। এরপর চিকৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসে। আমি আর কিছু জানি না।’

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা বৃদ্ধার গলা কেটে রেখেছে আমরা ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি।

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র