Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত
বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত। ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জ উপজেলায় ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি দুই যুবক নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মাসুদপুর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সমির উদ্দীন।

নিহতরা হলেন- মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর ঠুঠাপাড়া গ্রামের আফসার হাজীর ছেলে সেনারুল (২৫) ও তারাপুর মোড়লপাড়ার কালুর ছেলে মিলন (২০)।

মনাকষা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সমির উদ্দীন জানান, ভোরে সীমান্তে বিএসএফ গুলিবর্ষণ করে। এরপর স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ সেনারুলকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আর মিলনের লাশ সীমান্তে পড়ে আছে।

তিনি আরও বলেন, ‘নিহতরা গরু আনতে গিয়েছিল নাকি অন্য কাজে তা আমার জানা নেই। তবে সেনারুল একবার ফেনসিডিলসহ ধরা পড়েছিল।’

এদিকে নিহতের কথা স্বীকার করলেও এই দুই যুবক ঠিক কীভাবে মারা গেছেন, তা জানাতে পারেনি বিজিবি।

৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সাজ্জাদ সরোয়ার বলেন, ‘সোমবার রাতে বিজিবি সদস্যরা ওই সীমান্ত থেকে ইয়াবাসহ একটি সংঘবদ্ধ চোরা কারবারি চক্রের তিন সদস্যকে আটক করে। এরই মধ্যে নিহতের ঘটনা ঘটে। তারা ওই চক্রের সদস্য কিনা, কীভাবে মৃত্যু হলো, এ বিষয়ে আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

বগুড়ায় আমন চাষের ধুম পড়েছে

বগুড়ায় আমন চাষের ধুম পড়েছে
জমিতে পর্যাপ্ত পানি থাকায় কৃষক ঘরে বসে নেই, চলছে আমনের চারা রোপণ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতের পর বগুড়ায় আমন চাষের ধুম পড়েছে। জমিতে পর্যাপ্ত পানি থাকায় কৃষক ঘরে বসে নেই। একদিকে চলছে জমি চাষ অন্যদিকে চলছে চারা রোপণের কাজ। চারা এবং শ্রমিকের মূল্য কম থাকায় কেউ জমি ফেলে রাখছেন না। বোরো চাষের লোকসান আমন চাষের পুষিয়ে নেয়ার জন্যই কৃষকের এই উদ্যোগ। তবে এবার বন্যার কারণে বগুড়া জেলার পূর্ব অঞ্চলের সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় আমন চাষ দেরিতে শুরু হবে।

বগুড়া জেলার অধিকাংশ জমি তিন ফসলি। এ কারণে কৃষক বোরো ধান ঘরে তোলার পর এক থেকে দেড় মাস জমি ফেলে রাখে। আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি থেকে আমন চাষ শুরু করেন। কিন্তু এবার আষাঢ় মাসে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় অনেকেই আগাম চাষের জন্য সেচ মেশিনের পানি দিয়ে আমন চাষ শুরু করেন।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, আমন চাষের মৌসুম পহেলা শ্রাবণ থেকে শুরু হয়। কিন্তু  আলু চাষের কারণে বগুড়া অঞ্চলের কৃষক ১৫-২০দিন আগে থেকেই আমন চাষের প্রস্তুতি নেন। এবার আষাঢ় মাসে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় আগাম আমন চাষ করতে পারেন নি। তবে মৌসুমের শুরুতেই ব্যাপক বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষক ঘরে বসে নেই।

গাবতলী উপজেলার খলিশাকুড়ি গ্রামের শাহিন ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, তিনি পেশায় গৃহ নির্মাণ শ্রমিক। অন্যের জমি পত্তন নিয়ে তিনি চাষাবাদ করেন। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে থাকায় শ্রমিক না নিয়ে নিজেই আমন চারা রোপণ করছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563539343944.gif

শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর গ্রামের কৃষক হুমায়ুন কবির বার্তা টোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, এবার আমন চাষে খরচ তেমন হবে না।জমিতে পর্যাপ্ত পানি এবং ঘরের বীজ রয়েছে। শুধু চারা রোপণের শ্রমিক এবং জমি চাষের খরচ। পাওযার টিলার দিয়ে এক বিঘা জমি চাষ করতে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা খরচ হয়। এবার শ্রমিকের দাম কম রয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোন জমি ফাঁকা নেই, কেউ চাষ করছেন আবার কেউ চারা রোপণ করছেন। নন্দীগ্রাম উপজেলার রিধইল গ্রামের কৃষক ফজলুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, বোরো চাষ করে লোকসান হয়েছে। দাম কম থাকায় এখনও ধান বিক্রি করা হযনি। লোকসান পুষিয়ে নেয়ার জন্য এবার ১৭ বিঘা জমিতে আমন ধানের চারা রোপণের কাজ শুরু করেছি। আমন ধান ঘরে তোলার পর একই জমিতে আলু চাষ করবো।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পহেলা শ্রাবণ থেকে আমন চাষ শুরু করা হয় এবং তা চলে ভাদ্র মাসের ১ম সপ্তাহ পর্যন্ত। এছাড়াও বগুড়ার সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর চরে আশ্বিন মাস পর্যন্ত গাইঞ্জা ধানের চারা রোপণ করা হয়। কিন্তু বন্যার কারণে এবার চরাঞ্চলের ধান নষ্ট হয়ে গেছে। আমন মৌসুমে জেলার ১২ উপজেলায় এক লাখ ৭৩ হাজার ৪৮৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।

 

নুসরাতের সেই মাদরাসায় সিসি ক্যামেরা

নুসরাতের সেই মাদরাসায় সিসি ক্যামেরা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসায় ১০টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গতিবিধি লক্ষ্য রাখতেই মাদরাসার বিভিন্ন স্থানে এসব ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকালে মাদরাসাটি সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে আনার কাজ শেষ হয়।

এই মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলার যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। তারপর থেকেই আলোচিত হয়ে ওঠে মাদরাসাটি। তবে সিসি ক্যামেরার স্থাপনের কারণে মাদরাসায় যেকোনো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা প্রকাশ করছেন মাদরাসা সংশ্লিষ্টরা।

সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ হোছাইন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, গভর্নিং বডির সর্বসম্মতিক্রমে মাদরাসা পুরোপুরি সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত করা হয়েছে। আশা করি, এবার কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে প্রমাণ হিসেবে সিসিটিভিতে রেকর্ড থাকবে, কেউ অপরাধ করেও পার পাবে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র