Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সূর্যমুখীর হাসি

বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সূর্যমুখীর হাসি
মাঠজুড়ে সূর্যমুখীর হাসি। ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
খুলনা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সোনা রোদের আভায় সবুজ গাছের মাথায় সূর্যমুখীর হাসি যেন চারিদিকে দ্যুতি ছড়াচ্ছে। ফুলে ফুলে উড়ে মধু সংগ্রহ করছে মৌমাছি, ভ্রমর আর প্রজাপতি। বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে এখন শুধু পরিপক্ব সোনালি সূর্যমুখী ফুলের সৌন্দর্য। খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার মহম্মদনগরে কৃষকের মাঠজুড়ে হাসছে নয়নাভিরাম সূর্যমুখী ফুল।

ফসলের মাঠ থেকে আমন ধান কাটার পরে এ মৌসুমের বাকি সময়ে জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে লাভবান হচ্ছেন উপজেলার কৃষকরা। এ অঞ্চলে বসন্তের এ সময়েই সূর্যমুখী ফুলের চাষ ভালো হয়। সূর্যমুখী ফুল চাষে তুলনামূলক খরচ কম হওয়ায় এতে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। প্রথমদিকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সূর্যমুখী চাষ শুরু করলেও লাভের মুখ দেখায় এখন বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী চাষ করছে কৃষকরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/03/1554272523503.jpg

মহম্মদনগর পূর্ব পাড়ার সূর্যমুখী ফুল চাষি বাবুল হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমি ৫ বছর ধরে এখানে সূর্যমুখীর চাষ করি। বিগত বছরগুলোতে সূর্যমুখী চাষ করে ভালো লাভ পেয়েছি। তাই এ বছরও প্রায় ৬ বিঘা জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করেছি। এ বছর শিলা বৃষ্টিতে বেশ কিছু ফুল নষ্ট হয়েছে। তবে আমি জমিতে ১০ হাজার টাকা খরচ করে ফুলের তেল বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ৪০ হাজারেরও বেশি লাভ পাব বলে আশা করছি।’

আরেক চাষি সালমান শেখ বলেন, ‘প্রথমে ব্র্যাকের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আমাদের বীজ ও সার দেয়া হতো। আমরা সবাই এ থেকে উপকৃত হতাম। গত দু’বছর ধরে ব্র্যাকের কোনো সাহায্য পাচ্ছি না। এখন ব্যক্তিগত ভাবেই সূর্যমুখী চাষ করি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/03/1554272541945.jpg

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সূর্যমুখী ফুল চাষে খরচের তুলনায় কয়েকগুণ লাভ বেশি হওয়ায় এ ফুল চাষে দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। চলতি রবি মৌসুমের আবহাওয়াই সূর্যমুখী ফুল চাষের জন্য উপযুক্ত সময়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সূর্যমুখীর চাষ করে এ অঞ্চলের কৃষকরা লাভবান হবেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) পঙ্কজ কান্তি মজুমদার বার্তা২৪.কমকে জানান, সূর্যমুখী ফুল চাষ করে যে তেল পাওয়া যায়, দেশে-বিদেশে সেই তেলের বেশ চাহিদা রয়েছে। এ ফুল থেকে যে তেল উৎপন্ন হয় তা সম্পূর্ণ কোলেস্টেরলমুক্ত। এ তেলে মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। সূর্যমুখী তেলের অনেক পুষ্টিগুণ। এ অঞ্চলে কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উদ্বুদ্ধ করতে সরকারিভাবে অনেক কার্যক্রম অব্যাহত আছে। তবে বেসরকারি সহায়তায়ও অনেক জায়গায় এখন সূর্যমুখী চাষ হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া
বরগুনায় ইলিশের বাজার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনায় বাজারগুলোতে জাটকার ছড়াছড়ি থাকলেও দেখা মিলছে না বড় ইলিশের। আর মাছ ধরার মৌসুম হলেও এসব জাটকা বিক্রি হচ্ছে বেশ চড়া দামে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বরফ দেওয়া মাছও তাজা বলে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকটা বাধ্য হয়ে বেশি দাম দিয়েই জাটকা কিনতে হচ্ছে। আর মাছ ব্যবসায়ীদের দাবি, ঈদের পর হওয়ায় মাছের দাম একটু বাড়তি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245039647.jpg

 

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বরগুনার কয়েকটি মাছের বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, ১০ ইঞ্চির ছোট জাটকায় ভরে আছে বাজার। ছোট মাছ (২০০ গ্রামের কম) প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, মাঝারি (২৫০-৩০০ গ্রাম) ৮০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২০০ টাকায়। আর এক কেজির বেশি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে দুই-তিন হাজার টাকা।

মাছ ক্রেতা রানী বেগম জানান, এক কেজি জাটকা কিনেছেন ৫০০ টাকায়। এক কেজিতে হয়েছে ৬টি ইলিশ। যা সাধারণ মাছের দামের চেয়ে তিনগুণ।

মাছ ব্যবসায়ী আবুল হোসেন জানান, ঈদের পর মাছের দাম একটু বেশি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245068318.jpg

 

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'গত নভেম্বর-জুন পর্যন্ত জাটকা ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় এখন অনেক ইলিশ ধরা পড়ছে।'

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ্ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'মৎস্য আইন অমান্য করে জাটকা ইলিশ ধরলে ও তা বিক্রি করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর আগামীকাল থেকে মাছের বাজারগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।' 

আরও পড়ুন, পটুয়াখালীতে জমে উঠেছে ইলিশের বাজার

বরিশালে ডেঙ্গুতে তরুণীর মৃত্যু

বরিশালে ডেঙ্গুতে তরুণীর মৃত্যু
মৃত সুমাইয়া আক্তার, ছবি: সংগৃহীত

বরিশালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বরিশালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেন। মৃত সুমাইয়া পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বাসিন্দা ফজলুল হকের মেয়ে।

তিনি জানান, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত সুমাইয়াকে মুমূর্ষ অবস্থায় শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা। ভর্তির পর থেকেই সুমাইয়াকে ডেঙ্গুর সব ধরণের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়। তারপরও সোমবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এদিকে পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. শাহে মোজাহেদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সুমাইয়া প্রথমে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিমে শুক্রবার রাতে ভর্তি করা হয়। শেবাচিমের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে সে মারা যায়।'

এ নিয়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ জন এবং গৌরনদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র