Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

চট্টগ্রামে মাদরাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামে মাদরাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
মাদরাসার পরিত্যক্ত কক্ষে মাদরাসাছাত্রের মরদেহ, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম। 


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের বায়োজিদ থানাধীন অনন্যা আবাসিক এলাকায় গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় এক মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় মাদরাসার পরিত্যক্ত একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

নিহত হাবিবুর রহমান (১১) নগরীর ওমর ফারুক আল ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থী ছিলেন। হাবিবুরের বাবার নাম আনিসুল। তার গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়ি উপজেলায়।

বায়োজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, প্রকৃত ঘটনা তদন্তে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি।

এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী ও স্থানীয়রা মাদরাসায় কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

বিপজ্জনক গ্যাস পাম্প বন্ধ করল প্রশাসন

বিপজ্জনক গ্যাস পাম্প বন্ধ করল প্রশাসন
স্বদেশ গ্লোরী এগ্রো প্রোডাক্টস সিবিজি কোম্পানির অবৈধ ভ্রাম্যমাণ গ্যাস পাম্প। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্বদেশ গ্লোরী এগ্রো প্রোডাক্টস সিবিজি কোম্পানির অবৈধ ভ্রাম্যমাণ গ্যাস পাম্পটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম বানু শান্তি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিপজ্জনক এ পাম্পটি বন্ধ করে দেন। এ সময় পাম্পের মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সম্প্রতি রায়পুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. শাহজাহান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী জামশেদ কবির বাক্কি বিল্লাহ ও সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী নাজমুল কাদের গুলজার গ্যাস পাম্পটি উদ্বোধন করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566223718370.jpg

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই আওয়ামী লীগ নেতারা অবৈধ ওই পাম্প মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এটি পরিচালনা করতে সহায়তা করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের সিংহেরপুল এলাকায় শফিকুর রহমানসহ তিনজন ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে পাম্পটি বসান। কাভার্ড ভ্যানযোগে পাম্পটিতে গ্যাস এনে নিরাপত্তার কথা না ভেবে যানবাহনে তা সরবরাহ করা হতো। এছাড়া একটি ফিলিং মিটার বসিয়ে অতিরিক্ত দামে চালকদের কাছে গ্যাস বিক্রি করা হতো।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম বানু শান্তি জানান, রায়পুর-চাঁদপুর সড়কের সিংহেরপুল এলাকায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে একটি ভ্রাম্যমাণ গ্যাস পাম্প পরিচালিত হয়ে আসছিল। এজন্য পাম্পটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

গাইবান্ধায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল

গাইবান্ধায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল
হাটে কারেন্ট জাল হাতে খুচরা বিক্রেতারা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোলাপবাগ হাটসহ জেলার বিভিন্ন হাটে-বাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল অবাধে বিক্রি হচ্ছে। ফলে নদ-নদী ও খাল-বিলের ডিমওয়ালা মাছগুলো নির্বিকারে নিধন চলছে। ফলে এ এলাকায় নানা জাতীয় দেশীয় মাছ বিলুপ্তির পথে।

জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করতোয়া, বাঙ্গালী নদী, নুরুলের বিলসহ বিভিন্ন খাল-বিলে এখনো যথেষ্ট পরিমাণ দেশি মাছ পাওয়া যায়। বর্ষায় এসব নদী-নালা, খাল-বিলে মাছ ডিম ছাড়ায় প্রচুর রেণু-পোনা জন্ম নিয়েছে। বন্যার পানি কমতে শুরু করায় নদী ছাড়াও খাল-বিলে প্রচুর মাছ পাওয় যাচ্ছে। এ কারণে হাট-বাজারে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও উপজেলার-গোলাপবাগ হাটসহ বিভিন্ন হাট বাজারে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের জমজমাট বাজার বসেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, গোলাপবাগ হাটে সপ্তাহের রোববার ও বৃহস্পতিবার হাটের দিন খোলাবাজারে প্রকাশ্যে প্রায় অর্ধশত ব্যবসায়ী চটি দোকান বসিয়ে, আবার কেউ দাঁড়িয়ে হাজার হাজার টাকার কারেন্ট জাল বিক্রি করে থাকেন। এছাড়া প্রতিদিন পাইকারি দরে লাখ লাখ টাকার কারেন্ট জাল এ হাটে বিক্রি হয়ে থাকে। এসব কারেন্ট জাল এই এলাকার দেশীয় মাছের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উপজেলার রাখালবুররুজ ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামের লিটন মিয়া বলেন, ‘বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গেই গ্রামের মানুষ কারেন্ট জাল কিনে এনে খাল-বিল, নদী
নালায় ব্যাপক হারে মাছ ধরছে। এভাবে মাছ ধরলে মাছের বংশ নির্বংশ হয়ে যাবে।‘

গোবিন্দগঞ্জ পৌর সভার কালিকাডোবা গ্রামের কহিনুর বেগম বলেন, ‘আমিসহ গ্রামের আনেকেই গোলাপবাগ হাট থেকে কারেন্ট জাল কিনে এনে তা সাজিয়ে বিক্রি
করি। এ বছর বন্যা ও ব্যপক বৃষ্টিপাত হওয়ায় ডোবা খাল-বিল নদীনালা সর্বত্র পানিতে ভরে যায়। সর্বত্র পানি থাকায় সাজানো কারেন্ট জাল বিক্রি করে আমরা
লাভবান হয়েছি।’

এদিকে, নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক ক্ষুদ্র জাল ব্যবসায়ী জানান, উত্তরবঙ্গের সব চেয়ে বড় কারেন্ট জালের পাইকারি ব্যবসার কেন্দ্র হলো গোবিন্দগঞ্জের গোলাপবাগ হাট। কয়েকজন ব্যবসায়ী এ হাটে লাখ টাকার অবৈধ কারেন্ট জালের পাইকারির ব্যবসা করে থাকেন। এ হাট থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা মূল্যের কারেন্ট জাল ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা পাইকারি মূল্যে কিনে নিয়ে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন হাটে বাজারে খুচরা বিক্রি করে থাকেন।

গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা মুমু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘এবারে মৎস্য সপ্তাহে অভিযান পরিচালনা করে বেশ কিছু কারেন্ট জাল পুড়িয়েছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র