Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

চট্টগ্রামে বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু নিহত

চট্টগ্রামে  বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু নিহত
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম।


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক জলদস্যু নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১এপ্রিল) ভোর সাড়ে সোয়া পাঁচটায় উপজেলার ছোট ছনুয়া নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে রিভলবারসহ চারটি অস্ত্র এবং ১৪৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মো. দেলোয়ার হোসেন ওই এলাকায় স্থানীয় জলদস্যু হিসেবে পরিচিত বলে জানিয়েছে র‌্যাব।  তিনি স্থানীয় নুরুল আলমের ছেলে।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এর সহকারি পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মাশকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বার্তা২৪.কমকে জানান, পটিয়ার ওই স্থানে জলদস্যুর একটি বাহিনীর সঙ্গে গুলি বিনিময়ের সময় দেলোয়ার মারা যান। তার বিরুদ্ধে পটিয়ার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা
শেরপুরের ম্যাপ

শেরপুরে ফরিদা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর পৌর এলাকার গৌরিপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফরিদা ওই এলাকার মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।

নিহতের নাতি শিহাব বলেন, ‘আমি শেরপুরে একটি মোটরসাইকেল শো-রুমে কাজ শেষে বাসায় যাই। এসময় ঘরে সামনে গিয়ে দরজা খোলার জন্য দাদীকে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তিনি দরজা না খোলায় পাশের বাসা থেকে হাতুড়ি এনে তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দাদীকে গলা কাটা অবস্থায় পাই। এরপর চিকৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসে। আমি আর কিছু জানি না।’

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা বৃদ্ধার গলা কেটে রেখেছে আমরা ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি।

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র