Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

জয়পুরহাট বাস দুর্ঘটনায় পুলিশের মামলা

জয়পুরহাট বাস দুর্ঘটনায় পুলিশের মামলা
জয়পুরহাটে বাস দুর্ঘটনার, দুর্ঘটনাকবলিতবাস,ছবি:বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
জয়পুরহাট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জয়পুরহাট-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। জয়পুরহাট সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে এ মামলা করেন।

সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) মুমিনুল হক জানান, মামলায় বাসচালক জিয়াউর রহমান, তার সহকারী আরমান আলী, সুপারভাইজার মতিয়ার রহমান এবং বাস মালিক রাহেলা বেগমকে আসামি করা হয়েছে। সরকারি আইন অমান্য করে ফিটনেস ও রুট পারমিটবিহীন বাস রাস্তায় নামানোর অভিযোগ আনা হয়েছে বাস মালিকের বিরুদ্ধে।

আর বেপরোয়াভাবে বাস চালিয়ে দুর্ঘটনার অভিযোগ আনা হয়েছে চালক, তার সহাকারী ও বাস সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে। দুর্ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক আছেন।

শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা এম.পি পরিবহন নামের যাত্রীবাহী বাস জয়পুরহাট সদর উপজেলার বানিয়াপাড়া পুলিশ বক্সের কাছে উল্টে খাদে পড়ে ৮ জন নিহত হন। আহত হন ৩০ যাত্রী।

 

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত মসজিদ খাদেমের মৃত্যু

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত মসজিদ খাদেমের মৃত্যু
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের নাম দেলোয়ার হোসেন (৪৫)। সে শহরের পূর্ব খাবাসপুর এলাকায় বসবাস করতেন এবং পূর্ব খাবাসপুর জামে মসজিদের খাদেম হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের শেখ শফিউদ্দিনের ছেলে।

এতে এই হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ছয়জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে গত ৭২ ঘণ্টায় মারা গেছে তিনজন।

স্বজনরা জানান, গত শুক্রবার (১৬ আগস্ট) থেকে দেলোয়ার ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। গতকাল রোববার (১৮ আগস্ট) রাতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় গতকাল রাত ১২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। ভোরে অবস্থার আরও অবনতি হওয়ার এক পর্যায়ে বেলা ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. এনামুল হক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে ৩৪৬ জন, চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৭১২ জন, অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে ১৬০ জনকে। ২০ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ভর্তি হয়েছে ১২২৪ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ছয়জন।

প্রসঙ্গত, গত ৭২ ঘণ্টায় ফরিদপুরে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা সাতটার দিকে মৃত্যুবরণকারী ওই রোগীর নাম ইউনুস শেখ (৫৫)। ইউনুস শেখ রাজবাড়ীর সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের আয়নাল শেখের ছেলে।

ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই একই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন মাগুরা সদর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক মো. মিজানুর রহমানের ছেলে ও স্থানীয় সত্যজিৎপুর কলেজের মানবিক বিভাগে দ্বাদশ বর্ষের শিক্ষার্থী সুমন বাশার (২২) মারা যান।

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না কানাই লাল শর্মার

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না কানাই লাল শর্মার
কানাই লাল শর্মা। ছবি: সংগৃহীত

গিনেস বুকে নাম লেখানো হলো না সাঁতারু ডা. কানাই লাল শর্মার। ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক লালদিঘিতে ৯০ ঘণ্টা ১৭ মিনিট সাঁতার কেটে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করেছিলেন তিনি।

সোমবার (১৯ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া শহরতলীর মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কানাই লাল শর্মা।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে। দুপুর আড়াইটার সময় কুষ্টিয়া মহাশ্মশানে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

১৯৩০ সালের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কানাইলাল শর্মা। তার বাবা স্বর্গীয় অভিমন্যু শর্মা। কানাইলাল শর্মা পেশায় চিকিৎসক ছিলেন। কুষ্টিয়া শহরতলীর মঙ্গলবাড়ীয়া এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। তার স্বপ্ন ছিল সাঁতারে গিনেস বুকে নাম লেখাবেন। তবে তার সে স্বপ্ন পূরণ হলো না।

আরও পড়ুন: গিনেস বুকে নাম লেখাতে চান কানাই লাল শর্মা

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র