Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

আলপনার রঙে রঙিন রংপুর

আলপনার রঙে রঙিন রংপুর
‘রঙে রাঙাবো রংপুর’ উৎসবের উদ্বোধন করেন রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
রংপুর
বার্তা২৪.কম  


  • Font increase
  • Font Decrease

ঘড়ির কাটায় বিকেল চারটা। রঙ তুলি হাতে রাস্তায় দাড়িয়ে শতাধিক তরুণ-তরুণী। অপেক্ষা আলপনা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের। সোয়া চারটায় গাড়িতে করে এলেন সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। হাতে তুলে নিলেন রঙের কৌটা ও তুলি। পিচঢালা সড়কে আলতো করে তুলির আচড়ে উদ্বোধন করলেন ‘রঙে রাঙাবো রংপুর’ উৎসবের। 

এরপর আর থেমে থাকেনি তুলির পরশে পিচ ঢালা পথে দৃষ্টিনন্দন আলপনার বিস্তৃতির। রংপুর মহানগরীর ডিসির মোড় বঙ্গবন্ধু চত্বর থেকে টাউন হল প্রজন্ম চত্ত্বর পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কে এই আলপনা তৈরি করা হয়েছে। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/13/1555163116820.jpg

চৈত্র সংক্রান্তি ক্ষণে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানাতে শনিবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে রংপুরে আলপনা উৎসবের আয়োজন করা হয়। প্রথমবারের মতো বিভাগীয় নগরী রংপুরে ভিন্নমাত্রার এই আয়োজন করে ‘মেট্রোপলিটন ১৬’। 

এদিকে আলপনা উৎসবের উদ্বোধন করে সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ বাঙালির নিজস্ব সত্তা। এটি বাঙালির বর্ষপঞ্জিকা। নববর্ষকে ঘিরে বৈশাখ বরণ বাঙালির ঐতিহ্য। পহেলা বৈশাখের আনন্দের সঙ্গে আলপনার রঙ নতুন মাত্রা যোগ করেছে।’

অন্যদিকে বিশেষ অতিথি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ বলেন, ‘আলপনা শিল্পীর শৈল্পিক গুণের বহিঃপ্রকাশ। বৈশাখ বরণকে ঘিরে রংপুরে এই আয়োজন প্রশংসনীয়। বৈশাখের প্রথম সকাল আলপনার রঙ বাঙালীয়ানা আয়োজনে নতুন রঙ ছড়াবে।’

 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/13/1555163148660.jpg

আলপনা উৎসব কমিটির আহ্বায়ক চৌধুরী মাহামুদ-উন-নবী ডলার জানান, ‘আমাদের প্রাণের উৎসব বৈশাখ বরণ। আমাদের কিছু স্বেচ্ছাসেবী আজ আলপনার রঙে রংপুর রাঙিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এই উৎসব আমাদের গৌরবের।’ 

সন্ধ্যা নামার আগেই শত শত তুলির পরশে বদলে দেয় রংপুর মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি। এতে করে বৈশাখী উৎসবের আনন্দে বাড়তি মাত্রা এনেছে আলপনার রঙ।

 

আপনার মতামত লিখুন :

অযত্নে বেড়ে ওঠা গুণসমৃদ্ধ মানকচু

অযত্নে বেড়ে ওঠা গুণসমৃদ্ধ মানকচু
গ্রামঞ্চলের আনাচেকানাচে বেড়ে ওঠা মানকচু

আমাদের দেশে অনেক ধরণের কচু জন্মায়। তবে এরমধ্যে মানকচুর একটা আলাদা কদর আছে। সেটা এর বিশাল আকারের জন্য। আর কোনো কচু গাছ এত বড় আকারের হয়না। চাষাবাদ না হওয়ায় দেশের গ্রামাঞ্চলে পথে-ঘাটে, জঙ্গল- ঝোপঝাড়ে অনেকটা অযত্নে অবহেলা বেড়ে ওঠে গুণসমৃদ্ধ মানকচু গাছ।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে মানকচু গাছের দেখা মিলে গৌরীপুর পৌরশহরের গো-হাটা সড়ক সংলগ্ন একটি ডোবার পাশে। অযত্নে অবহেলা বেড়ে উঠা বিশালাকৃতির গাছগুলো সহজেই পথচারির নজর কাড়ে।

মানকচুর বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia macrorrhiza/ Alocasia indica হচ্ছে  Araceae পরিবারের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশে মানকচু দেখতে পাওয়া যায়। একে অনেকেই ঔষুধি হিসেবেও ব্যবহার করেন। তবে কিছু কচু আছে, যা খেলে গলা চুলকাতে পারে। তাই মানকচু ঠিকমতো সেদ্ধ করে খেতে হবে। রান্নার পাশাপাশি মানকচু ভর্তা করেও খাওয়া যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566535389148.gif

মানকচু বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। স্থানভেদে সর্বোচ্চ গাছ ১২ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। ছায়াযুক্ত অনুর্বর মাটির মানকছু গাছ খুব বেশি বড় হয় না। শুকনো উর্বর মাটির গাছ বেশ লম্বা হয়। বর্ষকালে মানকচুর উচ্চতা সর্বোচ্চ হয়। গ্রীষ্ম ও শীতকালে উচ্চতা সবচেয়ে কম হয়।

মান কচু গাছের আলাদা কোনো কাণ্ড নেই। মূলের যে অংশ মাটির উপরে থাকে সেই অংশটিকে এর কাণ্ড বলে।

মানকচুর শাখা-প্রশাখা থাকে না। সরাসরি মূল বা কাণ্ড থেকে প্রথম পাতাটা বের হয়। মানকচুর পাতা উপবৃত্তকার। পাতার রং গাঢ় সবুজ। কচি পাতার রং হালকা সবুজ। গাছের উচ্চতা অনুযায়ী পাতা ৪ ইঞ্চি থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত হতে পারে।

মান কচুর ফুল ও ফল হয় না। অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার ঘটে। কচুর মুল থেকে সরাসরি নতুন চারা জন্মে। তাই একটা গাছ কোথাও জন্মালে সেখানে কয়েক মাসের মধ্যে অনেক চারা জন্মে ঘন ঝাড় সৃষ্টি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566535355007.gif

বিশেষজ্ঞরা বলেন, কচু খেলে শরীর পুষ্ট হয় এবং শুক্র বৃদ্ধি পায়। কান ও গলার রুক্ষতা দূর করে। এ ছাড়া মানকচুর আরও কিছু গুণ আছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে মানকচু শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ ও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে মানকচু কার্যকর। মানকচুতে আছে দরকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিটা ক্যারোটিন, যা শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী ফ্রি র‌্যাডিকেলসকে দূরে রাখে। এতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ভিটামিন ত্বকের জন্য ভালো। মানকচুতে থাকা ডায়েটারি ফাইবার ও পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো। এটি হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ধমনির ধকল দূর করায় রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে।

শ্রীপুরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সভাপতিসহ আহত ৭

শ্রীপুরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সভাপতিসহ আহত ৭
দু-গ্রুপের হামালায় আহতরা, ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি ও সম্পাদক সহ সাতজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি জাকিরুল হাসান জিকু, উপজেলা ছাত্র লীগের সহ-সভাপতি রাকিবুল হাসান, গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক তন্ময় বনিক ও সহ-সম্পাদক রাসেল শেখ আহত হয়। এদিকে এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা সিয়াম খন্দকার সানি, সুজন, আল আমিন ও জনি মন্ডল আহত হয় বলে জানা যায়।

কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা সিয়াম খন্দকার সানি বলেন, 'রেলওয়ে স্টেশন থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নিয়ে যাচ্ছিল কয়েকজন ছিনতাইকারী। এ ঘটনায় বাধা দিলে রাকিব, রাসেল, তন্ময়সহ আরও কয়েকজন মিলে আমার ওপর হামলা চালায়। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে এ ঘটনায় রাকিব, তন্ময়,রাসেল ও বুলবুলকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।'

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকিরুল হাসান জিকু বলেন, 'গত রাত সাড়ে ৭টার দিকে রাকিব, রাসেল, তন্ময়সহ আরও কয়েকজন মিলে রেলওয়ে স্টেশনের পাশের একটি দোকানে চা পান করার সময় হঠাৎ ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমিসহ সবাই এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় অভিযোগ লিখা হয়েছে। দুপুরের দিকে থানায় জমা দেয়া হবে।'

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, এ ঘটনা অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র