Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কুষ্টিয়ায় ফল ব্যবসায়ী হত্যার দায়ে আসামির ফাঁসি

কুষ্টিয়ায় ফল ব্যবসায়ী হত্যার দায়ে আসামির ফাঁসি
সাজাপ্রাপ্ত নূর আলম, ছবি:বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
কুষ্টিয়া
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ায় রবিউল ইসলাম নামে এক ফল ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় নূর আলম(৩০) নামে এক আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার সকাল ১১ টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরুপ কুমার গোস্বামী দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্ত নূর আলম মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার শংকরদি মৃত আবুল হাছেনের ছেলে। নিহত ফল ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ও নূর আলম সম্পর্কে আপন খালাতো ভাই। চৌড়হাঁস মোড় এলাকায় ‘মামা-ভাগ্নে’ নামে একটি ফলের দোকানে ব্যবসা করতেন তারা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২০ জুন কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাঁস মোড় এলাকায় নিহত ব্যবসায়ীর ফলের দোকানের  পেছনে থাকা একটি ড্রামের ভেতর থেকে তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বন্যা আক্তার বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। লাশ উদ্ধারের পর এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নূর আলমকে আটক করে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ। 

এই ঘটনায় জড়িত না থাকায় টিপু মন্ডল নামে অপর একজনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত এই রায় দেয়। রায় প্রদানকালে আসামি নূর আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

পাটুরিয়ায় ঘাটে যানবাহনের চাপ কমেছে

পাটুরিয়ায় ঘাটে যানবাহনের চাপ কমেছে
যাত্রীবাহী বাসের ভিড় নেই, ট্রাকগুলো ধীরে ধীরে পার হচ্ছে পাটুরিয়া ঘাটে/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রায় সপ্তাহ খানেক ভোগান্তির পর যানবাহনের চাপ কমেছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। স্বাভাবিক হতে শুরু হয়েছে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার। পদ্মা নদীতে আগের মতো স্রোত থাকলেও যমুনা নদীর পানি রয়েছে স্থিতিশীল।

এতে করে ধীরে ধীরে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে মনে করছে ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ। নদীতে স্রোত কমে গেলে ছোট বড় মিলে ১৫টি ফেরি অনায়াসে চলাচল করতে পারবে। ১৫টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার শুরু করতে পারলে ভোগান্তির কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।

রোববার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহন পারাপারে ভোগান্তি কমে এসেছে।

নদী পারের অপেক্ষায় যাত্রীবাহী বাসের অপেক্ষামাণ কোনো সারি নেই। ফেরিঘাট এলাকায় জমে থাকা ট্রাকগুলো সিরিয়াল অনুযায়ী পারাপার করা হচ্ছে। সবশেষ পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক নৌরুট পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছ্। রোববার দুপুর নাগাদ ট্রাকগুলো পার হবে বলেও জানান তিনি।

অপরদিকে মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানির স্তর পরিমাপক ফারুক হোসেন জানান, যমুনা নদীর আরিচা পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বাড়েনি। যমুনার পানি স্থিতিশীল রয়েছে। শনিবার ভোর ৬টার তথ্য অনুযায়ী যমুনা নদীর আরিচা পয়েন্টে বিদপসীমার ৪১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এরপর আর যমনুার আরিচা পয়েন্টে পানি কমেনি বা বাড়েনি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের এজিএম জিল্লুর রহমান জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ভোগান্তির খবর পেয়ে যানবাহনের চাপ কিছুটা কমে এসেছে। আবার নদীতে স্রোত আগের তুলনায় একটু কম দেখা যাচ্ছে। ফেরি চলাচল অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসছে।

পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট বড় মিলে ১৫টি ফেরির মধ্যে ১২ থেকে ১৩টি ফেরি চলাচল করতে পারছে। বাকিগুলো অলসভাবে বসে আছে। নদীতে স্রোত কমে আসলে সবগুলো ফেরি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবে। তখন যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে কোন ভোগান্তির সম্ভাবনা থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন এই কর্মকর্তা।

শিবিরে অপরাধ বন্ধে তৎপর রোহিঙ্গা নেতারা

শিবিরে অপরাধ বন্ধে তৎপর রোহিঙ্গা নেতারা
টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প/ ফাইল ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে তৎপর রয়েছেন রোহিঙ্গা নেতারা। শিবিরে নানা অপরাধ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় রোহিঙ্গা নেতারা ইতোমধ্যে স্বোচ্ছার হয়েছেন।

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে টেকনাফের লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ অপরাধ বন্ধে এক সভার আয়োজন করা হয়েছে। শিবিরের নেতাদের স্ব-উদ্যোগে ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় রোহিঙ্গাদের নিয়ে এই সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় উপস্থিত রোহিঙ্গাদের ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে তৎপর থাকার আহ্বান জানান লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ডেভেলপমেন্ট ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. আলম।

সভা শেষে বিকালে মো. আলমের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা নেতারা শিবিরের ইয়াবা মজুদের খবরে বি-ব্লকের ছালেহ আহমদ, মো. সেলিম, খালেদা ও জহুরার বাড়িতে তল্লাশি চালান। এ সময় পাচারের জন্য তৈরি করা ইয়াবার প্যাকেটসহ এক নারীকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় মো. আলম জানান, শিবিরে অপরাধ কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় রোহিঙ্গা নেতাদের নিয়ে সভা করা হয়েছে। শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে সবাই একই সঙ্গে কাজ করছে। তারই সূত্র ধরে শনিবার বিকালে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ এক নারীকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মো. আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জায়গা দিয়ে কি অপরাধ করেছে? যদি তা না হয় গুটি কয়েক রোহিঙ্গা অপরাধীদের জন্য গোটা রোহিঙ্গারা বদনামের ভাগ নেবে না। এখন থেকে রোহিঙ্গা শিবিরে কাউকে অপরাধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না। ইয়াবায় আসক্ত রোধে বিশেষ করে পরিবারের লোকজনকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী এদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জীবন যাপন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অপরাধ প্রবণতা বন্ধে রাত ৮টার পর লোকজন শিবিরে ঘোরাফেরা করতে পারবে না। শিবিরের ছয়টি ব্লকে তিন হাজার পরিবারের প্রায় ২২ হাজার লোকের বসতি। তাদের জন্য প্রায় ৬০ জনের মতো প্রহরী রয়েছে। তার মধ্যে বিশেষ জরুরি ভিত্তিতে ৩০ জন প্রহরী দায়িত্ব পালন করেন।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র