Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জলকেলিতে মেতেছে কক্সবাজারের রাখাইন সম্প্রদায়

জলকেলিতে মেতেছে কক্সবাজারের রাখাইন সম্প্রদায়
জলকেলি উৎসব / ছবি: বার্তা২৪
মুহিববুল্লাহ মুহিব
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
কক্সবাজার
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে কক্সবাজার শহরের পল্লীগুলোতে রাখাইন নববর্ষ পালন করছে এ সম্প্রদায়ের মানুষ। পুরনো বছর ১৩৮০ রাখাইন বর্ষকে বিদায় জানিয়ে তারা ১৩৮১ বর্ষকে বরণ করছে। এ উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা প্রতিবছর তিন দিনব্যাপী সাংগ্রেং পোয়ে (মৈত্রিময় জলকেলি) উৎসব পালন করে আসছে। এতে নতুন রঙে সেজে নাচ গান আর আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে তরুণ-তরুণীরা। 

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে শহরের ১২টি কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে জলকেলি উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে রাখাইনদের পাশাপাশি আনন্দ-উল্লাসে মেতেছে পর্যটকরাও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555502314009.jpg

রাখাইন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দরা জানান, বুধবার থেকে থেকে আগামী শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) পর্যন্ত জাকঝমকভাবে অনুষ্ঠিত হবে জলকেলি উৎসব। নববর্ষে রাখাইন প্রবীণ ব্যক্তিরা উপবাসও করে থাকেন। এ সময় প্রাণী হত্যা, মিথ্যা বলাসহ কমপক্ষে আটটি দুষ্কর্ম থেকে দূরে থাকতে হয়।

শহরছাড়াও মহেশখালী, টেকনাফ, সদর, হ্নীলা, চৌধুরী পাড়া, রামু, পানিরছড়া, হারবাং, চকরিয়ার মানিক পুরসহ রাখাইন অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সপ্তাহ জুড়ে নববর্ষ পালনে নানা অনুষ্ঠান পালিত হবে। ইতোমধ্যে শহরের টেকপাড়া, হাঙর পাড়া, বার্মিজ স্কুল এলাকা, চাউল বাজার, পূর্ব-পশ্চিম মাছ বাজার, ক্যাং পাড়া ও বৈদ্যঘোনাস্থ থংরো পাড়ায় তৈরি করা হচ্ছে জলকেলির ২০টি নান্দিক প্যান্ডেল। রঙিন ফুল আর নানা কারুকার্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্যান্ডেলের চারপাশ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555502331625.jpg

রাখাইন শিক্ষার্থীরা বলেন, আদিকাল থেকে রাখাইন নববর্ষ উপলক্ষে সামাজিকভাবে সাংগ্রেং পোয়ে উৎসব পালন হয়ে আসছে। এবারও ব্যতিক্রম ঘটবে না। আনন্দ-উল্লাসে নতুন বছরকে বরণ করে নেব আমরা। আমরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটানোর মধ্য দিয়ে পুরনো দিনের সব ব্যথা, বেদনা, হিংসা বিদ্বেষ ভুলে নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি। এটি আমাদের কাছে খুবই পবিত্র।

চট্টগ্রাম পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর উ থুয়েন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সাংগ্রাই পোয়ে বা জলকেলি রাখাইনদের সামাজিক উৎসব। বুদ্ধের মূর্তিকে স্নান করানোর মাধ্যমে সামাজিক এ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। ১৯ এপ্রিল এই উৎসব শেষ হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555502357461.jpg

রাখাইন সম্প্রদায়ের নেতা ক্যাতিন অং বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আদিকাল থেকে রাখাইন নববর্ষ উপলক্ষে সামাজিকভাবে সাংগ্রাই পোয়ে উৎসব পালন হয়ে আসছে। এবারও ব্যতিক্রম ঘটবে না। আনন্দ-উল্লাসে নতুন বছরকে বরণ করে নেব আমরা। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের যে উন্নয়ন চলছে আমরা তারও অগ্রতি প্রত্যাশা করছি।’

কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রাখাইনদের জলকেলি উৎসব উপলক্ষে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ-র‌্যাবের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555502384377.jpg

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরে সেরা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ

ফরিদপুরে সেরা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ
ফরিদপুরের সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ/ ছবি: সংগৃহীত

২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় ফরিদপুরে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ। অপরদিকে সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে বাখুন্ডা কলেজ।

ফরিদপুর সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ থেকে এক হাজার ৬০৯ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাশ করেছে এক হাজার ৩৬৮ জন। পাশের হার ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ জন।

সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘সকল শিক্ষার্থীকে গভীর নজরদারির মধ্যে রেখেছি। যারা বার্ষিক পরীক্ষায় খারাপ করেছে তখন তাদের অভিভাবকদের ডেকে এনে বিষয়টি বলেছি, যাতে তারা মেয়েদের পড়ার ব্যাপারে নজর রাখতে পারেন। এভাবে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত চেষ্টায় এ সাফল্য।’

এদিকে বাখুন্ডা কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়েছে ১০৩ জন। পাশ করেছে ২৩ জন। পাশের হার ২২ দশমিক ৩৩।

খারাপ ফলাফলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বাখুন্ডা কলেজের অধ্যক্ষ মো. সেলিম মিয়া বলেন, ‘দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষরা বিনা বেতনে কাজ করছেন। ফলে নিয়মিত পাঠদান করা সম্ভব হয় না। এই কলেজে ভালো শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয় না। নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলেও রাজনৈতিক চাপে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হয়। এ কারণে ফল ভালো হয়নি।’

কৃষকের ঘরে ১৭ গোখরার বাচ্চা

কৃষকের ঘরে ১৭ গোখরার বাচ্চা
জাকির মোল্লার ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সাপগুলো। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আউশিয়া গ্রামে জাকির মোল্লা নামে এক কৃষকের বাড়ি থেকে ১৭টি গোখরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে তার বসতঘরের মেঝে খুঁড়ে সাপের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করা হয়।

কৃষক জাকির মোল্লা জানান, বিকেলে বসত ঘরের মাচার নিচে একটি গোখরা সাপের বাচ্চা দেখতে পান তার মা। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় ঘরের মেঝে খোঁড়ার কাজ শুরু করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা ১৭টি গোখরা সাপের বাচ্চা ও ২৩টি ডিমের খোসা উদ্ধার করেন। মা সাপ ও বাকি বাচ্চাগুলো উদ্ধারের আশায় মেঝের বাকি অংশে খননের কাজ চলছে।

তবে উদ্ধার হওয়া ওই ১৭ গোখরা সাপের বাচ্চাকে মেরে ফেলা হয়েছে বলেও জানান কৃষক জাকির মোল্লা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র