Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মুজিবনগর সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করছেন শেখ হাসিনা: আমু

মুজিবনগর সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করছেন শেখ হাসিনা: আমু
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্টিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মেহেরপুর: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন, মুজিবনগরে প্রথম সরকার যে উদ্দেশ্যে নিয়ে শপথ নিয়েছিল তা বাস্তবায়নে কাজ করছেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, এ দেশে যা কিছু অর্জিত হয়েছে, সবই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে, আওয়ামী লীগের আমলে। আর এসেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত আওয়ামী লীগের মাধ্যমে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে মেহেরপুরের মুজিবনগরের আম্রকাননে মুজিবনগর দিবসের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান খুনি। তার নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা শুরু হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো গ্রামের উপর দাঁড়িয়ে কারো ঘোষণার উপরে আসে নাই। এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে জাতির পিতার নেতৃত্বে, দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555505353198.jpg

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে মুজিবনগরে সরকারপ্রধানদের শপথ হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাদের অনেকেই বলে, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। যদি মুক্তিযোদ্ধা থাকতেন তাহলে তারা ১৭ এপ্রিলের প্রথম সরকারকে মেনে নিতেন। যারা এ সরকারকে বিশ্বাস করে না তারা অবশ্যই স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিশ্বাস করে না।

বিএনপি রাজাকারদের ক্ষমা করেছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ১৯৭৫ -এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করেন। প্রথমে তিনি দালাল আইন বাতিল করে সাড়ে ১১ হাজার কুখ্যাত খুনি রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীকে মুক্তি দেন। স্বাধীনতা বিরোধী কুখ্যাত রাজাকারের দল হিসেবে জায়ায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু তিনি তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555505338827.jpg

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, বিএনপি-জামায়াত একাত্তরের ১৭ এপ্রিল শপথের সময়ও ষড়যন্ত্র করেছিল। মোশতাক আহমেদ প্রথম সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেও তিনি জাতির জনকের সাথে বেঈমানি করলেন। পাকিস্তানী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে আঁতাত করে তিনি পাকিস্তানকে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ স্বপন, মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাহিদুজ্জামান খোকন, মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগর টগর, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম রসুল, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইলাম ও মুজিবনগর উপজেলা চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555517111216.jpg

মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রী নেতা এসএম কামাল।

আপনার মতামত লিখুন :

বঙ্গবন্ধুপ্রেমী রফিকুল পায়ে হেঁটে রংপুর থেকে গোপালগঞ্জে

বঙ্গবন্ধুপ্রেমী রফিকুল পায়ে হেঁটে রংপুর থেকে গোপালগঞ্জে
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকছেন রফিকুল ইসলাম/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে পায়ে হেঁটে সুদুর রংপুর থেকে গোপালগঞ্জে পৌঁছেছেন বঙ্গবন্ধুপ্রেমী রফিকুল ইসলাম। জেলায় জেলায় বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন ও মাজার জিয়ারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নেই তার এ পদযাত্রা।

রফিকুল ইসলাম জানান, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনার পর থেকেই তিনি জাতির পিতার ভক্ত। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকতে থাকেন তিনি। অবশেষে পায়ে হেঁটে বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারতের স্বপ্ন পূরণের জন্য রংপুর জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র নিয়ে গত ১৩ জুন পদযাত্রা শুরু করেন।

রফিকুল ১১ জেলার ২৬টি স্থানে জাতির জনকের ছবি এঁকেছেন এবং পরিবেশবান্ধব কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) তিনি গোপালগঞ্জে অবস্থান করছেন এবং পরিকিল্পনা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকছেন ডিসি অফিস ভবনের দ্বিতীয় তলায়। এরপর তিনি টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করবেন। পরে ৪ আগস্ট গনভবনে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন ও কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপনের মাধ্যমে তার এ পদযাত্রা শেষ করবেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563449760261.gif

রফিকুল ইসলাম পেশায় রিকশাচালক। রংপুর শহরের তাজহাট বাবুপাড়া এলাকায় স্ত্রী রশিদা বেগম, দুই মেয়ে ও তিন ছেলেসহ বাবাকে নিয়ে এক বাড়িতেই তার বসবাস। পরিবার পরিচালনার ভার ছেলেদের হাতে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালবাসা নিয়েই স্বপ্ন পূরণে ঘর থেকে বের হন ৫৯ বছর বয়সী রফিকুল।

মা-বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ায় স্বাধীনতা যুদ্ধে যেতে পারেননি বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন রফিকুল। তিনি বলেন, ‘রিকশা চালানোর পাশাপাশি প্রেস শ্রমিক হিসেবে কাজ করতাম। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনের দেয়ালে দেয়ালে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন করে আসছি। নতুন প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলো ছড়াতে জেলায় জেলায় ছবি অংকন ও বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারতের যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নের জন্য আমার এ পদযাত্রা।’

গোপালঞ্জ জেলা প্রসাশকের পক্ষে এমডিসি সোভন সরকার জানান, রফিকুল ইসলাম গোপালগঞ্জে আসার পর তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে। তিনি ডিসি অফিস ভবনে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন করেছেন।

ব্যাগের ভেতর শিশুর মাথা, গণধোলাইয়ে যুবকের মৃত্যু

ব্যাগের ভেতর শিশুর মাথা, গণধোলাইয়ে যুবকের মৃত্যু
গণধোলাইয়ে নিহত যুবক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ব্যাগের ভেতরে পাঁচ-ছয় বছর বয়সের এক শিশুর কাটা মাথা নিয়ে ঘোরাফেরা করার সময় নেত্রকোনায় স্থানীয়দের গণধোলাইয়ে নিহত হয়েছেন যুবক।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা শহরের নিউ টাউন এলাকার পাটগুদাম বড় পুকুরপাড় নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

কাটা মাথার ওই শিশুটি হল- জেলার সদর উপজেলার আমতলা এলাকার রহিছ মিয়ার ছেলে সজীব মিয়া। তবে তারা জেলা শহরের কাটলি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করত বলে জানান স্থানীয়রা। 

গণধোলাইয়ে নিহত যুবক জেলাশহরের কাটলি এলাকার এখলাছ উদ্দিনের ছেলে রবিন (২২) পেশায় রিকশাচালক।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ব্যাগের ভেতর শিশুর কাটা মাথা নিয়ে রবিন জেলার শহরের হরিজন পল্লী এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে হরিজন পল্লী এলাকার স্থানীয় লোকজন ওই যুবককে ধাওয়া করে। যুবক দৌড়ে পালানোয় তাকে ধাওয়া করে ধরে শহরের নিউটাউন এলাকার পাটগুদাম বড় পুকুর নামক স্থানে গণধোলাই দেয় উত্তেজিত জনতা। এ সময় ঘটনাস্থলেই নিহত হয় ওই যুবক।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম ও ওসি (তদন্ত) নাজমুল হাসানসহ মডেল থানার পুলিশ।

এ বিষয়ে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী বলেন, 'শিশুর কাটা মাথা ও গণধোলাইয়ে নিহত যুবকের লাশ উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র