Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

বার্তা২৪ এ সংবাদ প্রকাশ

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা মিলেছে

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা মিলেছে
প্রতীকী ছবি
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নাটোর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নাটোরের সিংড়ার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের গণিত শিক্ষক ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের করা যৌন হয়রানি ও ভোগান্তিসহ বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তে সত্যতা মিলেছে তদন্ত প্রতিবেদনে। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকালে তিন সদস্যের স্বাক্ষরিত দুই পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনে এই সত্যতা পাওয়া যায়। তদন্ত প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা, ক্লাস টেস্টে ভিডিও করা, বাজে আচরণ করা, গায়ে হাত দেওয়া ও যৌন হয়রানির ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১১ এপ্রিল বার্তা২৪.কম ও পরদিন একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলাব্যাপী বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। 

সিংড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষক ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। এ বিষয়ে আগামীকাল (১৮ এপ্রিল) স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।‘

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল শিক্ষক ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি, ভোগান্তি, হুমকি প্রদানসহ মোট ১২টি অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ কয়েকটি দফতরে লিখিত অভিযোগ দেন ঐ প্রতিষ্ঠানের ১৩ শিক্ষার্থী ও ১১ জন অভিভাবক।

অভিযোগে বলা হয়, ফজলুর রহমান তার বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের রাতে ফোন করে কুপ্রস্তাব দেন। আর তার কুপ্রস্তাবে রাজি হলে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বেশি নম্বর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তার কাছে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন। এছাড়া পাইভেট পড়ানো অবস্থায় একাধিক শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেওয়াসহ যৌন হয়রানি করেন।

পরে ঘটনা তদন্তে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিপুল কুমার-কে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বিষয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অতি দ্রুত ঐ শিক্ষকের অপসারণসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সিংড়া উপজেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, ‘স্কুলের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ও সুনাম ধরে রাখার প্রয়াশ অব্যাহত রাখতে উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ তদন্ত কার্য পরিচালনার জন্য ধন্যবাদ। তবে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি
আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও দারিয়াপুর হাটসহ সকল হাট বাজারে আমনের চারা (বিছন) ক্রয় বিক্রয়ে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষক সমিতির আয়োজনে স্থানীয় দারিয়াপুর হাটের চারমাথা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাদেকুল ইসলাম মাস্টারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, কৃষক সমিতির জেলা সহ-সভাপতি সন্তোষ বর্মণ, সদর উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, দারিয়পুর অঞ্চল কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি গুলবদন সরকার, সাধারণ সম্পাদক কৃষক নেতা জাহাঙ্গীর আলম মাস্টারসহ অনেকে।

বক্তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। সেই সঙ্গে ইরি ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়া, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছ থেকে যাতে আমন চারা ক্রয় বিক্রয়ে কোনো প্রকার টোল আদায় না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ
দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় বাসের দীর্ঘ সারি

রাত যত বাড়ছে ততই নৈশ কোচের চাপ বাড়ছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে। নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক কোচ।

দুপুরের পর থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহনের তেমন কোন চাপ ছিল না। তবে লোকাল বাসের যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল দিনভর। সন্ধ্যা লাগার পর থেকে লোকাল বাসের যাত্রীদের চাপ কমলেও এখন নৈশ কোচের চাপ বেড়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টায় সরেজমিন দেখা যায় দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে প্রায় দুই শতাধিক নৈশ বাস। রাতে বাসের সারি আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে ধারণা করছেন ঘাট সংশ্লিষ্টরা।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566057794700.jpg

তবে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও খুব বেশি সময় নদী পারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না বলে আশা করছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের শাখা ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, যানবাহন পার করার জন্য দৌলতদিয়া প্রান্তের ৬টি পন্টুনই সচল রয়েছে। তাছাড়া ১৯টি ফেরি নিয়মিত চলাচল করছে। আশা করছি নদী পারের জন্য ঘাটে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনগুলোকে অপেক্ষা করতে হবে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র