Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

রাঙামাটিতে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা!

রাঙামাটিতে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা!
ছবি: সংগৃহীত
আলমগীর মানিক
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
রাঙামাটি
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পরও পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা! এতদিন মাদকের খুচরা বাজার কথিত কয়েকজন ‘বড় ভাই’ নিয়ন্ত্রণ করলেও বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ করছে কিশোররা। পুলিশের তৎপরতায় কারবারীরা রাজপথ ছেড়ে নদী পথে ইয়াবা পাচার করছে। নদীতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত টহল না থাকায় তারা এ পথ বেছে নিয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবা ব্যবসায়ীরা নিত্যনতুন ও অভিনব কৌশল অবলম্বন করে ইয়াবা পাচার করছে। ফলে সব অভিযানে মাদক শনাক্ত বা জব্দ করা কঠিন। মিয়ানমার থেকে বিভিন্ন পণ্যের সঙ্গে নিয়ে আসা হয় এসব ইয়াবা।

তবে সম্প্রতি জেলার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ ও পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর জানিয়েছেন, ইয়াবা কারবারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাঙামাটিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কার্যালয় থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। তবে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করা যেতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হবে।’

জেলার বিভিন্ন সংস্থা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবা কারবারীদের সমর্থন করছেন কয়েকজন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। এতোদিন মাদকের খুচরা বাজার কথিত কয়েকজন ‘বড় ভাই’ নিয়ন্ত্রণ করলেও বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ করছে কিশোররা। এসব কিশোরদের কোনো রাজনৈতিক আদর্শ না থাকলেও তারা রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় ব্যবসা করছে। যারা শহরের রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি, বনরূপা ও ভেদভেদী এলাকার বাসিন্দা।

একটি বেসরকারি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শুধু রাঙামাটিতে অন্তত দুই হাজার মানুষ নিয়মিত ইয়াবা সেবন করেন। আর অন্তত ৮৫ জন কারবারী খুচরা পর্যায়ে প্রত্যক্ষভাবে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছে।

স্থানীয়দের তথ্য মতে, রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজার এলাকার আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ী, ডেকোরেশন ব্যবসায়ী, সিএনজি মালিক-চালক, ফলের দোকানদার, তেল ব্যবসায়ী ও ট্রাক ড্রাইভার থেকে শুরু করে কসাই ইয়াবা বিক্রির সাথে জড়িত।

জানা গেছে, পুলিশের তৎপরতায় কারবারীরা রাজপথ ছেড়ে নদী পথে ইয়াবা পাচার করছে। নদীতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত টহল না থাকায় তারা এ পথ বেছে নিয়েছে। বিশেষ করে কাপ্তাই হ্রদকেই বর্তমানে ইয়াবা বিক্রির অন্যতম হাট বানিয়েছে কারবারীরা। তারা আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বোট বানিয়ে ইয়াবার ব্যবসা করছেন।

রাঙামাটি কোতয়ালী থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা অনেক সময় রাজনৈতিক তদবিরে অসহায়বোধ করি। কয়েকজন জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য রাজনৈতিক নেতার তদবিরে অতিষ্ঠ আমরা। আমাদের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অফিসাররা মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে পারছে না।’

তবে কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘গত দেড় মাসে কোতয়ালী থানায় ২৩টি মামলায় ২৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

একটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য মতে, রাঙামাটিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যই ইয়াবা সেবন করেন। এমনকি তারা ইয়াবা চোরাচালানে সহায়তাও করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা, স্বামী আটক

স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা, স্বামী আটক
আটক হওয়া স্বামী, ছবি: সংগৃহীত

সিদ্ধিরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশে পেটে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগে স্বামী সোহাগ (৩৫) কে আটক করে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে মিজমিজি পূর্বপাড়া পাগলাবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সোহাগকে আটক করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।

গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূ মুন্নি আক্তারকে (২৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই সন্তানের জননীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে স্বজনরা।

আটককৃত সোহাগ কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানা এলাকার ফজলুর রহমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে হালিম মোল্লার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাদশা আলম জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে সোহাগ তার স্ত্রী মুন্নি আক্তারের পেটে ছুরিকাঘাত করেছে। এ ঘটনায় স্বামী সোহাগকে আটক করা হয়েছে। উভয় পরিবারের সিদ্ধান্ত জেনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যুতের নতুন সংযোগ পেলো ২৪৫ পরিবার

বিদ্যুতের নতুন সংযোগ পেলো ২৪৫ পরিবার
নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধন করা হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার হলদাহ গ্রামের ২৪৫ পরিবার।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ সুইচ টিপে আলো জ্বালিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধন করেন লোহাগড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিকদার আবদুল হান্নান রুনু।

নলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ পাখির সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর লোহাগড়ার পরিচালক অধ্যাপক আবু আবদুল্লাহ, যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর লোহাগড়ার এজিএম গোলাম রব্বানী প্রমুখ।

সূত্র জানায়, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার হলদাহ গ্রামে ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার এলাকায় জুড়ে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। এতে ওই গ্রামের ২৪৫ পরিবার বিদ্যুতের সুবিধা পেয়েছে। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র