Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

খাগড়াছড়িতে মেলার নামে অশ্লীলতা, র‌্যাফেল ড্রতে সর্বস্বান্ত অনেকে

খাগড়াছড়িতে মেলার নামে অশ্লীলতা, র‌্যাফেল ড্রতে সর্বস্বান্ত অনেকে
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বৈশাখী মেলার নামে রমরমা জুয়া, অশ্লীল নৃত্যসহ চলছে অসামাজিক নানা কর্মকাণ্ড। র‌্যাফেল ড্রর ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তারপরও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

গত ৯ এপ্রিল থেকে উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের বৈসাবি ও বৈশাখী মেলা শুরু হয়। মেলায় দৈনিক তামান্না র‌্যাফেল ড্র, অশ্লীল নৃত্য ও হাউজি চলছে। অবাধে চলছে জুয়া এবং অসামাজিক কার্যকলাপ। এতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। বিঘ্নিত হচ্ছে এলাকার শান্তি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মেলায় এক প্রান্তে র‌্যাফেল ড্রর বুথ, অন্য প্রান্তে হাউজি ঘরসহ রয়েছে বেশ কিছু আবদ্ধ ঘর। দিনে মেলা প্রাঙ্গণে সাধারণ দর্শণার্থীর উপস্থিতি কম; কিন্তু রাতে সে চিত্র পুরো ভিন্ন। হাউজি, র‌্যাফেল ড্র, জাদু ও অশ্লীল নাচগান দেখতে একশ্রেণীর দর্শকের উপস্থিতি ব্যাপক বেড়ে যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555663182483.jpg

এছাড়া সকাল থেকে প্রায় দিনব্যাপী দীঘিনালাসহ পুরো জেলায় র‌্যাফেল ড্র বিক্রির মাইকবাহী গাড়ি চষে বেড়ায়। এসব কিছুর পরও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, জুয়া ও অশ্লীলতার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী কথা বলার সাহস করছে না। উপজেলা পরিষদ ও থানা থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরত্বে বৈশাখী মেলার নামে অনুমতি ছাড়াই জুয়া ও অশ্লীল কার্যকলাপ চললেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ শিক্ষার্থীরা রাতের পর রাত মেলায় কাটিয়ে দিচ্ছে। নিম্ন শ্রেণির লোকজন সারাদিনের উপার্জিত অর্থ রাতে মেলা প্রাঙ্গণে খরচ করে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরছেন। এ নিয়ে এলাকায় সামাজিক ও পারিবারিক কলহ বাড়ছে। এটি বন্ধে সকলকে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন ইউপি চেয়ারম্যান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555663197704.jpg

এ বিষয়ে মেলা আয়োজক কমিটির সভাপতি মজিব মেম্বার বার্তা২৪.কমকে বলেন, অনুমতি আছে কি-না, সেটি জানি না। স্থানীয় সাংবাদিক নাজিম উদ্দিন প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে মেলার সবকিছু দেখাশোনা করছেন।

জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, কিছু শর্তসাপেক্ষে বৈসাবি ও বৈশাখী মেলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে শর্ত ভঙ্গ করে র‌্যাফেল ড্র, হাউজি ও অশ্লীল কিছু করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি

ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি
পানিতে তলিয়ে গেছে পদ্মার পাড়ের বাড়ি-ঘর, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে নদীর পানি। ফলে ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর নিম্নঞ্চালের পানিবন্দি মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। পদ্মা পাড়ের মানুষ একরকম জন্মলগ্ন থেকেই পানির সাথে যুদ্ধ করে বেচেঁ আছেন। তবে কৃষি নির্ভর হওয়ায় কোনোরকম নিজেদের রক্ষা করলেও গবাদি পশু ও বিস্তৃর্ণ ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জেলার সদর উপজেলা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায়ই ১৫ হাজার পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563578899227.jpg

বন্যায় ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, ডিগ্রিরচর, চরমাধবদিয়া ও আলিয়াবাদ এবং চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাউকান্দা, হাজিগঞ্জ, চরহরিরামপুর ও গাজিরটেক, সদরপুর উপজেলার চরনাছিরপুর, দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া, ঢেউখালী ও চরমানাইর ইউনিয়নের বসতবাড়ী, কয়েক হাজার একর বিস্তৃর্ণ ফসলী জমি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে।

এছাড়া সদরপুর উপজেলার ৪৪টি ও ভাঙ্গা উপজেলায় ১৪টিসহ মোট ৫৮টি বসত ভিটা গত দুদিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান মোস্তাক জানান, পানিতে তার ইউনিয়নের ৩০০ একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে কৃষকরা মারত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এছাড়া আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই গরু পালন করেছে তারাও তাদের গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, পানি বেড়েই চলছে। ফলে ভাঙনও বেড়েছে। আমরা প্রবল ভাঙন কবলিত এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে কাজ করছি।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, ‘গত তিনদিনে তিন উপজেলায় ৪০ মেট্রিকটন চালের পাশাপাশি শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। আশা করি সকলের সহযোগিতায় আপদকালীন সময় মোকাবিলা করতে পারব।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোখসানা রহমান জানান, ফরিদপুর এখনো বন্যা দুর্গত জেলায় পরিণত হয়নি। যেসব এলাকায় পানির তীব্রতা বেশি সেসব এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।

ফেনীতে বিএনপির ৮ নেতা আটক

ফেনীতে বিএনপির ৮ নেতা আটক
ছবি: সংগৃহীত

ফেনী জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিকসহ দলের অঙ্গ সংগঠনের আট নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাতে শহরের মিজান পাড়া থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃত বাকিদের মধ্যে জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন জসিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, ফেনী পৌর যুবদলের সমন্বয়ক জাহিদ হোসেন বাবরের পরিচয় জানা গেছে। আর বাকি চারজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন তাদেরকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র