Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

দোকানদার-ব্যাংক কর্মকর্তার নাম জেলে তালিকায়!

দোকানদার-ব্যাংক কর্মকর্তার নাম জেলে তালিকায়!
বরগুনায় জেলে পাড়া। ছবি: বার্তা২৪.কম
ইমরান হোসেন
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বরগুনা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বরগুনায় জেলে তালিকায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জেলেদের অভিযোগ, তাদের নাম না রেখে অন্য শ্রেণি-পেশার লোকজনদের জেলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই জেলেদের জন্য আসা বিভিন্ন সময়ের সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত জেলেরা।

ট্রলার মালিক সমিতির দেয়া তথ্য মতে, সাগর উপকূলীয় জেলা বরগুনায় জেলে সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। তবে সরকারি নিবন্ধিত জেলে ৪৫ হাজার ৬২১ জন। জাটকা ইলিশ সংরক্ষণের চলতি আট মাসের অবরোধে ১৩ হাজার ৭৫০ জন জেলের জন্য সহায়তা এসেছে।

জেলেদের অভিযোগ, এই তালিকায়ও রয়েছে ব্যাপক গরমিল। তালিকায় নিবন্ধিত করা হয়েছে খুব কম সংখ্যক জেলে। তালিকার বেশিরভাগ নামই অন্য শ্রেণি-পেশার মানুষের। স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা তাদের নিজেদের পছন্দ মতো করেছে জেলে তালিকা।

বরগুনা সদর উপজেলার ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নের জেলে সোবাহান, নাসির, কবির, খোকন, জুয়েলসহ একাধিক জেলে বার্তা২৪.কমকে জানান, ইউপি সদস্যরা তাদের নাম তালিকায় রাখেনি। তাই জেলেদের জন্য আসা কোনো ধরনের সহায়তা পাচ্ছে না তারা। এ বিষয়ে ৭নং ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা কামাল টিটুর কাছে বার বার বললেও সহায়তা পায়নি তারা।

পাথরঘাটার জেলেরা বার্তা২৪.কমকে জানায়, ৩০-৪০ বছর ধরে মাছ ধরছে তারা। অথচ তারা সহায়তা পায় না। সহায়তা পায় মেম্বারদের স্বজনরা। সহায়তা পায় মুদি দোকানদার, ব্যাংক কর্মকর্তা, রিকশা চালকসহ অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষ।

তালতলীর বেশ কয়েকজন জেলে বার্তা২৪.কমকে জানান, তাদের জন্য আসা সহায়তা আনতে ইউনিয়ন পরিষদে গেলে ইউপি চেয়ারম্যানরা তা দেয় না। বিষয়টি মৎস্য অফিসে জানালেও কোনো লাভ হয়নি।

তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শামীম রেজা বার্তা২৪.কমকে জানান, ২০১২ সালে জেলে তালিকা তৈরি করেছে নৌবাহিনী। দ্বিতীয়বার এ তালিকা তৈরি করেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তাই গরমিল হয়েছে তালিকায়। এখানে মৎস্য অফিসের কোনো ভুল নেই। সরকার যাদের দায়িত্ব দিয়েছে তারাই ভুল করেছে। দায়ভার তারাই নেবে।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সরদার মহীউদ্দিন বার্তা২৪.কমকে জানান, এখন তালিকা হালনাগাদ না করা পর্যন্ত এ সমস্যার সমাধান হবে না।

তবে তালিকা হালনাগাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে করা হবে বলে বার্তা২৪.কমকে জানিয়েছেন বরগুনার জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ।

তিনি জানান, তালিকায় স্বচ্ছতার জন্য জেলে প্রতিনিধি সঙ্গে রেখে নতুন করে তা তৈরি করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু
ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি রফতানি শুরু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (১৯ আগস্ট) থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফিতানি শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে গত ৯ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটি সহ মোট দশদিন বন্দরে সকাল প্রকার পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

তবে বন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক ছিল।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ব্যবসায়ীর স্ত্রী-কন্যা নিখোঁজ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ব্যবসায়ীর স্ত্রী-কন্যা নিখোঁজ
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর স্ত্রী-কন্যা, ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পৌর সদরের চুনিয়াখালিপাড়া মহল্লার কাপড় ব্যবসায়ী আল মুবিন জনের স্ত্রী রুমকি পারভীন (২৬) ও একমাত্র কন্যা জাহরা খাতুন (৩) বেড়াতে গিয়ে চারদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন।

এ ঘটনার পর গত শনিবার (১৭ আগস্ট) রাতে ব্যবসায়ী আল মুবিন শাহজাদপুর থানায় একটি জিডি করেছেন।

এই বিষয়ে আল মুবিন জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈদ উপলক্ষে উপজেলার ভেরুয়াদহ গ্রামে খালার বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকেই তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজ রুমকির মা জিনাত রেহানা রিনা বলেন, 'নিখোঁজের দুই ঘণ্টা পর বগুড়া থেকে বুলবুল তালুকদার নামের এক যুবক আমার বোন জাহানারা বেগম মিনির কাছে ফোন দিয়ে জানায়, রুমকি ও শিশু জাহরা খাতুন তার হেফাজতে আছে। এরপর থেকে ওই ফোন নম্বর বন্ধ রয়েছে।'

আল মুবিন জানান, মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতে ওই যুবক তার স্ত্রী ও কন্যাকে অপহরণ করেছে। দ্রুত তাদের উদ্ধার করতে না পারলে তাদের হত্যার পর লাশ গুম করে ফেলার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, আমরা নিখোঁজ রুমকি ও শিশু জাহরা খাতুনকে উদ্ধারের চেষ্টা করছি। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের উদ্ধারে সক্ষম হব।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র