Alexa

পাবনায় সংযোগের আগেই উপড়ে পড়লো বৈদ্যুতিক খুঁটি

পাবনায় সংযোগের আগেই উপড়ে পড়লো বৈদ্যুতিক খুঁটি

সংযোগের পূর্বেই উপড়ে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি, ছবি: বার্তা২৪.কম

পাবনার টেবুনিয়া-পাবনা মহাসড়কের গাছাপাড়া থেকে বালিয়াহালট স্কুল পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) ৩৩ কিলো ভোল্টের (কেভি) বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের ১১টি বৈদ্যুতিক খুঁটি সংযোগ দেওয়ার আগেই উপড়ে পড়েছে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে বসতবাড়ি, অফিস ও সীমানা প্রাচীর।

সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, তড়িঘড়ি করে পবিস’র ঠিকাদারের শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত লাইন ও বৈদ্যুতিক খুঁটি প্রতিস্থাপনের কাজ করছেন।

পবিস’র ঠিকাদার রফিক বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'পাবনা শহরের নুরপুর থেকে টেবুনিয়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ২০০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি বসানো ও লাইন টাঙানোর কাজ করেছি। ইতোমধ্যে সবকটি খুঁটি বসানোর পর রোববার লাইন টাঙানো হয়েছে। আগামী ৩০ জুন ৩৩ কেভি লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।'

সংযোগের পূর্বেই উপড়ে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি

তিনি দাবি করেন, 'পিডিবি কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতার কারণে বসানো খুঁটির এক সাইডে তার টাঙানোয় লোড বেশি পড়েছে এবং রোববার সন্ধ্যার পর অতিমাত্রায় বৃষ্টি ও ঝড়ে খুঁটিগুলো উপড়ে পড়েছে। ফলে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।'

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঠিকাদারের লোকজন যেনতেনভাবে খুঁটি বসিয়ে একপাশে তার টাঙিয়ে দেওয়ায় খুঁটিগুলো উপড়ে পড়েছে।

বালিয়াহালট গোরস্থানের কাছে কর্মরত কয়েকজন শ্রমিক জানান, ঠিকাদার যেভাবে কাজ করতে বলেছে আমরা সেভাবেই কাজ করেছি। কারণ ঠিকাদারই আমাদের মজুরি দেবে।

সংযোগের পূর্বেই উপড়ে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি

এ ব্যাপারে পিডিবি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'পবিস সংশ্লিষ্টরা ঠিকাদারের সাথে যোগসাজশে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে রাতের আঁধারে খুঁটি বসানোর কাজ করেছে। পিডিবি’র ১১ কেভি লাইনের পাশ দিয়ে পবিস’র ৩৩ কেভি লাইন কখনো বসতে পারে না। এতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাঘাত ঘটে।'

সংযোগের পূর্বেই উপড়ে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি

তিনি আরও বলেন, '৫ ফিট দূরত্বে তার টাঙানোর নিয়ম থাকলেও তারা এক ফুট ব্যবধান রেখেছিল, যা বিপজ্জনক। ইতোমধ্যে তাদের ৩৩ কেভি লাইনের কারণে শহর ও আশপাশে বেশ কিছু মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সঠিক ও নিরাপদভাবে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য উভয় অফিসে একাধিক চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু তারা সেটা মানে নি। ফলে এর দায়ভার তাদের।'

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে পবিস’র পাবনাস্থ নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

আপনার মতামত লিখুন :