Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

একাধিক প্রেমের কারণে প্রেমিককে হত্যা করলেন প্রেমিকা

একাধিক প্রেমের কারণে প্রেমিককে হত্যা করলেন প্রেমিকা
প্রেমিকার পিতাকে গ্রেফতার করা হয়, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
হবিগঞ্জ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে অন্য যুবতীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় ক্ষিপ্ত হয়ে উজ্জ্বল মিয়া (২২) নামে এক কলেজছাত্রকে হত্যা করেছেন তার প্রেমিকা। এ ঘটনায় পুলিশ প্রেমিকা ফারজানা ও তার বাবা মঞ্জু মিয়াকে আটক করেছে।

সোমবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) রবিউল ইসলাম।

এর আগে সোমবার বিকালে মেদি বিল থেকে উজ্জ্বলের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/22/1555948530643.jpg

নিহত উজ্জ্বল মিয়া লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক গ্রামের শাহ্ আলমের ছেলে ও মাধবপুর সৈয়দ সঈদ উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র।

আটককৃতরা হলেন- একই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের মঞ্জু মিয়া (৫০) ও তার কন্যা ফারজানা (১৭)।

ফারজানার স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) রবিউল ইসলাম জানান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ছাত্রী ফারজানার সাথে ফেসবুকে পরিচয় হয় উজ্জ্বল মিয়ার। সেই সুবাধে তারা দুজনে বিভিন্ন সময় মিলিত হতো। গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে ফারজানার বাড়িতে যান উজ্জ্বল। সেখানে তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত চলাকালে উজ্জ্বলের মোবাইল ফোনে অপর এক যুবতীর কল আসে। বিষয়টি নিয়ে ফারজানা ক্ষিপ্ত হন।

এনিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ফারাজানা পাথর দিয়ে উজ্জ্বলের মাথায় আঘাত করে। পরে হাতের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। ঘটনা ধামাচাপা দিতে ঘরের ভেতরেই গর্ত খুঁড়ে মরদেহটি মাটিচাপা দেয় ফারজানা। ঘটনার ১০/১২ দিন পর ফারজানা ও তার বাবা মঞ্জু মিয়া উজ্জ্বলের মরদেহটি মেদি বিলে ফেলে দেন।

এ ঘটনায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উজ্জ্বল নিখোঁজ হয়েছে মর্মে তার পরিবারের পক্ষ থেকে লাখাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। সাধারণ ডায়রির ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের স্বার্থে ২১ এপ্রিল রাতে ফারজানা ও তার পিতা মঞ্জু মিয়াকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের স্বীকারোক্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া
বরগুনায় ইলিশের বাজার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনায় বাজারগুলোতে জাটকার ছড়াছড়ি থাকলেও দেখা মিলছে না বড় ইলিশের। আর মাছ ধরার মৌসুম হলেও এসব জাটকা বিক্রি হচ্ছে বেশ চড়া দামে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বরফ দেওয়া মাছও তাজা বলে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকটা বাধ্য হয়ে বেশি দাম দিয়েই জাটকা কিনতে হচ্ছে। আর মাছ ব্যবসায়ীদের দাবি, ঈদের পর হওয়ায় মাছের দাম একটু বাড়তি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245039647.jpg

 

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বরগুনার কয়েকটি মাছের বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, ১০ ইঞ্চির ছোট জাটকায় ভরে আছে বাজার। ছোট মাছ (২০০ গ্রামের কম) প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, মাঝারি (২৫০-৩০০ গ্রাম) ৮০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২০০ টাকায়। আর এক কেজির বেশি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে দুই-তিন হাজার টাকা।

মাছ ক্রেতা রানী বেগম জানান, এক কেজি জাটকা কিনেছেন ৫০০ টাকায়। এক কেজিতে হয়েছে ৬টি ইলিশ। যা সাধারণ মাছের দামের চেয়ে তিনগুণ।

মাছ ব্যবসায়ী আবুল হোসেন জানান, ঈদের পর মাছের দাম একটু বেশি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245068318.jpg

 

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'গত নভেম্বর-জুন পর্যন্ত জাটকা ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় এখন অনেক ইলিশ ধরা পড়ছে।'

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ্ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'মৎস্য আইন অমান্য করে জাটকা ইলিশ ধরলে ও তা বিক্রি করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর আগামীকাল থেকে মাছের বাজারগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।' 

আরও পড়ুন, পটুয়াখালীতে জমে উঠেছে ইলিশের বাজার

বরিশালে ডেঙ্গুতে তরুণীর মৃত্যু

বরিশালে ডেঙ্গুতে তরুণীর মৃত্যু
মৃত সুমাইয়া আক্তার, ছবি: সংগৃহীত

বরিশালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বরিশালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেন। মৃত সুমাইয়া পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বাসিন্দা ফজলুল হকের মেয়ে।

তিনি জানান, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত সুমাইয়াকে মুমূর্ষ অবস্থায় শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা। ভর্তির পর থেকেই সুমাইয়াকে ডেঙ্গুর সব ধরণের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়। তারপরও সোমবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এদিকে পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. শাহে মোজাহেদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সুমাইয়া প্রথমে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিমে শুক্রবার রাতে ভর্তি করা হয়। শেবাচিমের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে সে মারা যায়।'

এ নিয়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ জন এবং গৌরনদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র