Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

তাড়াশে অর্ধশত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

তাড়াশে অর্ধশত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান, ছবি: বার্তা২৪
রানা আহমেদ
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
সিরাজগঞ্জ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ১৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান। এসব ভবনের শ্রেণি কক্ষের ভেতরের ছাদ ও বারান্দায় ফাটল দেখা দিয়েছে। এছাড়াও ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাড়াশ উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, অতি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের মধ্য উপজেলার চৌড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাদো সৈয়দপুর মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুন্দইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুয়ারাখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রানীরহাট চককলামুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর-হামকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিরল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিলট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুল্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিঘরীয়া-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চকরুসুলাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরকুশাবাড়ি-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালূপাড়া-বাশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাটাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন ভবন নির্মাণ না করা হলে যেকোনো মূহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

১৯২৬ সালে উপজেলার তালম ইউনিয়নের চৌড়া গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। পরে ১৯৯৬ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি পাকা ভবন নির্মাণ করেন সরকার। চৌড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির পাকা ভবনে দেয়ালজুড়ে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের ফাটল। আবার কোথাও কোথাও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় বেরিয়ে এসেছে মূল কাঠামোর রড। বর্ষায় ফাটল দিয়ে পানি চুয়ে পড়ে শ্রেণিকক্ষে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/23/1555967756891.jpg

এসব ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষেই ক্লাস করতে হয় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। ভবনটি নির্মাণের পর নতুন করে মেরামত না হওয়ায় দেয়ালজুড়ে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষকদের। শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানায়, শ্রেণিকক্ষে আমাদের ক্লাস করতে হয় ভয়ে ভয়ে। আরেক শিক্ষার্থী সাদিয়া জাহান জানায়, ক্লাস চলাকালে অনেকবার ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছে। আর অভিভাবক ফজলুল হক জানান, আমার মেয়ে প্রতিদিন স্কুলে যায়। কিন্তু বিদ্যালয়টির কক্ষগুলোর যে অবস্থা আমরা তাতে চিন্তায় থাকি।

এ বিষয়ে উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের নাদো সৈয়দপুর মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, স্কুলের ভবনটি অনেক পুরাতন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের আতঙ্কের মধ্যে ক্লাস করতে হয়। ভবনের দেয়ালে সামান্য একটি পেরেক লাগলেও পলেস্তরা খসে পড়ে। একই কথা জানালেন চৌড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম।

তিনি জানান, বিদ্যালয়টির বয়স অনেকদিন হওয়ায় ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তাছাড়া সে সময়ে ভবন নির্মাণের সময় অনিয়ম ছিল বলে টেকসই হয়নি। ঝড়ের সময় আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভবনের বাইরে গিয়ে আশ্রয় নেই।

এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, উপজেলায় ১৩৬টি বিদ্যালয়ের মধ্য প্রায় ৫০টি বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্য অতিঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি বিদ্যালয় রয়েছে। আর এই ভবনগুলার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে মোটরসাইকেলে পিষ্ট হয়ে মোঃ সাদ হোসেন (১০) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে।

নিহত সাদ শিবচর উপজেলা গুপ্তেরচর নাজমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্র। সে দত্তপাড়া ইউনিয়নের গুপ্তেরচর গ্রামের মোঃ খাইরুল ইসলামের ছেলে। 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সূর্যনগর বাজার সংলগ্ন গুপ্তেরচর এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিল শিশু সাদ। তখন বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া মোটরসাইকেল তার শরীরের উপর উঠে যায়।

পরিবারের লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়। পরে রাত সাড়ে ১১টায় ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ, গতকাল (১৯ আগস্ট) দুপুর দেড় টায় একই রাস্তায় (ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক) মাত্র ২ কিলোমিটার ব্যবধানে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মোটরসাইকেল আরোহী শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাবুল শিকদার (৫৫) নিহত হন।

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া
বরগুনায় ইলিশের বাজার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনায় বাজারগুলোতে জাটকার ছড়াছড়ি থাকলেও দেখা মিলছে না বড় ইলিশের। আর মাছ ধরার মৌসুম হলেও এসব জাটকা বিক্রি হচ্ছে বেশ চড়া দামে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বরফ দেওয়া মাছও তাজা বলে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকটা বাধ্য হয়ে বেশি দাম দিয়েই জাটকা কিনতে হচ্ছে। আর মাছ ব্যবসায়ীদের দাবি, ঈদের পর হওয়ায় মাছের দাম একটু বাড়তি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245039647.jpg

 

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বরগুনার কয়েকটি মাছের বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, ১০ ইঞ্চির ছোট জাটকায় ভরে আছে বাজার। ছোট মাছ (২০০ গ্রামের কম) প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, মাঝারি (২৫০-৩০০ গ্রাম) ৮০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২০০ টাকায়। আর এক কেজির বেশি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে দুই-তিন হাজার টাকা।

মাছ ক্রেতা রানী বেগম জানান, এক কেজি জাটকা কিনেছেন ৫০০ টাকায়। এক কেজিতে হয়েছে ৬টি ইলিশ। যা সাধারণ মাছের দামের চেয়ে তিনগুণ।

মাছ ব্যবসায়ী আবুল হোসেন জানান, ঈদের পর মাছের দাম একটু বেশি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245068318.jpg

 

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'গত নভেম্বর-জুন পর্যন্ত জাটকা ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় এখন অনেক ইলিশ ধরা পড়ছে।'

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ্ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'মৎস্য আইন অমান্য করে জাটকা ইলিশ ধরলে ও তা বিক্রি করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর আগামীকাল থেকে মাছের বাজারগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।' 

আরও পড়ুন, পটুয়াখালীতে জমে উঠেছে ইলিশের বাজার

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র