Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

জাহিদের শপথগ্রহণ নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

জাহিদের শপথগ্রহণ নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
জাহিদুর রহমান, পুরনো ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঠাকুরগাঁও বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমানের শপথ গ্রহণ করাকে কেন্দ্র করে তার নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিএনপির স্থানীয় নেতারা বলছেন, সে দলের সাথে প্রতারণা করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, জনগণের প্রতি সম্মান দেখিয়েছেন তিনি। জাহিদের এলাকার ভোটাররা তার সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সংসদ ভবনে তার শপথ গ্রহণের পর দলের হাই কমান্ড থেকে তাকে বহিষ্কার করা হবে বলে জানানো হয়। তার সাথে সুর মিলিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, জাহিদ শুধু বিএনপির সাথেই নয়, সে জনগণের সাথেও প্রতারণা করেছে। তিনি দলের কথা অমান্য করে এই শপথ নিয়েছেন। আমার মহাসচিবের সাথে যোগাযোগ করেছি। তাকে খুব শিগগিরই দল থেকে বহিস্কৃত করা হবে।

জাহিদের শপথগ্রহণ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমিন। বার্তা২৪.কমকে তিনি বলেন, তার এই শপথ গ্রহণ আমাদের কাছে লজ্জাকর বিষয়। এটি দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে। আমরা কোনো দিন ভাবিনি, সে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে এই কাজ করবে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সেই সাথে কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করব- তাকে যেন বহিষ্কার করা হয়। কারণ তিনি আমাদের নেতাকর্মীদের হতাশ করেছেন। আমাদের ঐক্যের মধ্যে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করেছেন।

তবে জাহিদুর রহমানের শপথ নেওয়াকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তাক আলম টুলু। বার্তা২৪.কমকে তিনি বলেন, জাহিদুর রহমান জনগণের রায়ের প্রতি সন্মান রেখেছেন। আমার আশা করি, তার মাধ্যমে পীরগঞ্জের (ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসন) মানুষের উন্নয়ন হবে।

সংসদে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় জাহিদের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বেশিরভাগ ভোটার। স্থানীয় কামাল উদ্দিন বলেন, আমার জাহিদুর রহমানকে ভোট দিয়েছি আমাদের এলাকার উন্নয়নের জন্য। কারণ আমার চাই- উন্নয়ন। আজ আমরা আনন্দিত যে, তিনি শপথ গ্রহণ করেছেন।

নুর আলম নামের আরেক ভোটার বলেন, এই শপথ নেওয়াতে আমার অনেকটাই আনন্দিত। দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের এলাকায় তেমন কোনো উন্নয়ন নেই। আশা করি, এবারে হয়তো আমাদের এলাকার উন্নয়ন হবে।

আরও পড়ুন: শপথ নিলেন বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমান

আরও পড়ুন: জাহিদুরের শপথগ্রহণ: ধরা দিল ২৭ বছরের স্বপ্ন

আরও পড়ুন: ‘মানুষের চাপে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরেই শপথ নিয়েছি’

আরও পড়ুন: শপথ নেওয়ায় বহিষ্কার হবেন জাহিদুর, বলছে বিএনপি

আরও পড়ুন: শপথ গ্রহণকারীরা জনগণের থুতুর ঢলে ভেসে যাবেন: গয়েশ্বর

আপনার মতামত লিখুন :

গণধর্ষণ মামলার আসামি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার

গণধর্ষণ মামলার আসামি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার
আসামি বাদশা হোসেন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঝিনাইদহে ৭ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাদশা হোসেনকে (৩১) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার খাজুরা জোয়ার্দ্দার পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার বাদশা খাজুরা এলাকার মৃত মন্তেজ হোসেনের ছেলে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খান জানান, গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাদশা খাজুরা এলাকায় অবস্থান করেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাদশা ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুলিশকে আঘাত করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে। এতে বাদশা পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ঈদের দিন সন্ধ্যায় শহরের মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী পাশের বাড়িতে তার মাকে খুঁজতে বের হয়। এ সময় বাদশা, একই এলাকার মন্টু মণ্ডলের ছেলে রুহুল আমীন ও জাফরের ছেলে মুন্নু তাকে মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর শহরের ক্যাডেট কলেজের সামনের একটি আবাসন এলাকায় ফেলে যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র শকুনি লেক

জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র শকুনি লেক
শকুনি লেক। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

যেকোনো উৎসব বা আয়োজনকে সামনে রেখে আনন্দ-বিনোদনে মেতে উঠেন মাদারীপুরবাসী। বিশেষ করে সেখানের শকুনি লেক এলাকাবাসীর মূল বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই যেকোনো উৎসবকে ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে লেকে।

গেল ঈদে দর্শনার্থীদের জন্য লেকের রাইডে যোগ হয় পায়ে চালানো নৌকা বা প্যাডেল বোট। লেকের টলটলে পানি, আশপাশের মনোরম পরিবেশ সব কিছুই যেন দর্শনার্থীদের মন কাড়ে। তাই সেখানে এখনো রাত ও দিনে ঈদের আমেজ বিরাজমান।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১৮৮৪ সালে শকুনি লেকটি খনন করা হলেও দীর্ঘদিন অযত্ন-অবহেলায় পড়ে ছিল। ২০১৩ সালে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে কাজের শতভাগ শেষ হয়েছে। লেকটিকে আরও সুন্দর করে তুলতে কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566358494030.jpg

লেকটিতে ‘মাদারীপুর ঘড়ি’ নামে একটি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। সেখানে উঠে পুরো শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, শহীদ কানন, শিশুপার্ক, স্বাধীনতা অঙ্গন, শহীদ চত্বর, মুক্তমঞ্চ, এমপি থিয়েটার মঞ্চ, শান্তি ঘাটলাসহ লেকটির বিভিন্ন স্থানে দর্শনার্থীদের ভিড় লেগে থাকে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, শকুনি লেকের চারপাশে শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের মানুষের ভিড় রয়েছে। কেউ কেউ প্রিয়জনের সঙ্গে ছবিও তুলছেন, কেউবা সেলফি তুলছেন। আবার কেউ প্যাডেল বোটে প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরছেন।

বরিশালের গৌরনদী এলাকা থেকে আসা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে নিয়ে জনপ্রিয় এই শকুনি লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছি। এখানের সৌন্দর্যে আমরা সবাই খুশি। বিশেষ করে প্যাডেল বোটে চড়তে পেরে সবার ভালো লেগেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566358514111.jpg

মাদারীপুর শহরের নিজাম উদ্দিন জানান, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল-বিকেল তাকে হাঁটতে হয়। পার্কে হাঁটার জন্য সুন্দর পরিবেশও আছে। তাই তিনি প্রতিদিনই সেখানে যান।

মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘মাদারীপুর জেলাকে পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে লেকটির গুরুত্ব ব্যাপক। আমরা লেকটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করি। তাছাড়া লেকের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) উত্তম কুমার পাঠক জানান, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের একটি দল লেক ও এর আশপাশের এলাকায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র