Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

তীব্র গরমে হবিগঞ্জে যুবকের মৃত্যু

তীব্র গরমে হবিগঞ্জে যুবকের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট হবিগঞ্জ বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

হবিগঞ্জের সদর উপজেলায় প্রচণ্ড গরমে ফসলের মাঠে প্রজেক্টের ধান তুলতে গিয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আব্দুল্লাপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত রঙ্গিলা মিয়া (৩০) বানিয়াচং উপজেলার রামগঞ্জ গ্রামের ইছাক উল্লাহর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে রঙ্গিলা মিয়া সদর উপজেলার আব্দুল্লাপুর গ্রামে সেচ প্রকল্পের চার্জ (ধান) তুলতে গিয়েছিলেন। এ সময় হঠাৎ তিনি অচেতন হয়ে মাটিতে পড়ে যান। তাৎক্ষণিক স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসক সাইফুর রহমান সোহাগ বার্তা২৪.কমকে জানান, তিনি হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। যা প্রচণ্ড গরমের কারণে হয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই গরমে মাঠে কাজ করতে গেলে কিছুক্ষণ পর পর আরাম করতে হবে। বেশি বেশি করে পানি পান করতে হবে। যেন শরীর ঠাণ্ডা থাকে।’

আপনার মতামত লিখুন :

মাধবপুরে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

মাধবপুরে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পাঁচ মাদকসেবীকে তিন মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসনুভা নাশতারান এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সুরেশ শীল (৫৫), জসিম মিয়া (২৫), মোস্তফা শহীদ (২৬), জুয়েল মিয়া(২৮) ও তোহার মৃদা (৪৫)।

তাসনুভা নাশতারান জানান- দুপুরে উপজেলার জগদীশপুর চা বাগানে পাঁচজন বসে গাঁজা সেবন করছে। এ সময় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের প্রত্যেককে তিন মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

সিরাজগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সেবার সংকট

সিরাজগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সেবার সংকট
ওয়ার্ডে সিট না পেয়ে হাসপাতালের গলিতে অবস্থান করছেন রোগীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলছে। ঢাকা থেকে আসা রোগীর পাশাপাশি জেলায় এডিস মশা ও লার্ভা থাকায় প্রতিদিন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ ডেঙ্গুরোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

অন্যদিকে, স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে শুরু করে সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুর চিকিৎসা সেবার বেহালদশা। এছাড়া পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ এডিস মশা নির্মূলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ৬০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566395186772.jpg

জানা গেছে, গত ২৫ এপ্রিল থেকে সিরাজগঞ্জে ডেঙ্গু রোগী শনাক্তকরণ শুরু হয়। প্রায় তিন সপ্তাহে জেলায় ৪৬৬জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্তকরণ হয়েছে। গত ১৭ আগস্ট মেহেদী হাসান মীম নামে এক কলেজছাত্র একটি সরকারি হাসপাতালে মারা গেছে। সাতজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ায় স্থানানন্তর করা হয়েছে। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।

এদিকে, প্রতিদিন ডেঙ্গু রোগী বাড়লেও জেলায় তেমন কোনো প্রতিরোধে কর্মসূচি পালন হচ্ছে না। স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরে দু-একটি র‌্যালি, ব্যানার ও লিফলেটসহ স্কুল কলেজে কয়েকটি সমাবেশের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে, প্রতিদিনই ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায় থেকে ডেঙ্গু রোগী বাড়লেও প্রতিরোধে নেই কোনো তৎপরতা। শুধু সিরাজগঞ্জের পৌরসভাগুলোতে মশক নিধন স্প্রে করা হচ্ছে। তাও প্রতিটি ওয়ার্ডে স্পে করা হচ্ছে না। এছাড়া সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার সুব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালের বাইরে গিয়ে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বাড়তি টাকা দিয়ে পরীক্ষা করানো হচ্ছে। এমনকি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর জন্য স্যালাইনের সংকট রয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566395204617.jpg

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগী সোলায়মান হোসেনসহ অনেকে জানান, হাসপাতালে আসার পরই একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা করতে বলা হয়। পরীক্ষার ফলাফলের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রোগীদের অভিযোগ, শুধু একটি করে ট্যাবলেট দেওয়া হয়। এছাড়া স্যালাইন বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। হাসপাতালের নার্সরাও চিকিৎসা সেবা দিতে দুর্ব্যবহার করেন। চিকিৎসকের সংকট রয়েছে। এ কারণে অনেকে হাসপাতাল ছেড়ে বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রমেশ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। ডেঙ্গুর পরীক্ষার কীট বা ওষুধের সংকট নেই। তবে রোগীরা কেন বাইরে থেকে পরীক্ষা করছে সেটি আমার জানা নেই।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566395217649.jpg

সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা.জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমাজের সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিটি বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সবাই সর্তক থাকলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব।’

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মদ বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে র‌্যালি- সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষ পৌর এলাকায় মশক নিধনে স্প্রেসহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মশা নিধনে স্প্রের অর্থ বরাদ্দ না থাকায় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সচেতনামূলক সভা করা হয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র