Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

সভাপতি স্বাক্ষর না দেওয়ায় বেতন পাচ্ছেন না শিক্ষক-কর্মচারীরা

সভাপতি স্বাক্ষর না দেওয়ায় বেতন পাচ্ছেন না শিক্ষক-কর্মচারীরা
নেত্রকোনায় বরদল উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন মাস বেতন না পাওয়ায় শিক্ষকদের মানববন্ধন, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নেত্রকোনা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বিল ভাউচারে স্বাক্ষর না দেওয়ায় তিন মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বরদল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

শুধু তাই নয়, নিয়ম বর্হিভূতভাবে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল হেলিমকে চূড়ান্ত বরখাস্তের সিদ্ধান্তও নিয়েছে ম্যানেজিং কমিটি। এছাড়া বিদ্যালয়টির শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে অন্যায়ভাবে প্রায়শই শোকজ করা হচ্ছে বলেও জানা যায়।

ম্যানেজিং কমিটির এসব অন্যায় ও স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বিদ্যালয়টির শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কলমাকান্দা-দুর্গাপুর সড়কের বরদল বাজারের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, বরদল উচ্চ বিদ্যালয়ের বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষক মনোরঞ্জন সাহা, মো. আব্দুল লতিফ, অমল চন্দ্র দেব, আঞ্জুমান আরা বেগম, শিক্ষার্থী-অভিভাবক মোঃ. ইউসুফ আলী, শিক্ষার্থী তাহরিমা আনসারী মিম ও মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, 'বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক অনৈতিকভাবে প্রধান শিক্ষকের বরখাস্ত ও অন্যান্য শিক্ষকদের হয়রানিসহ তিন মাস যাবৎ বেতন বিল না দেওয়ায় আমরা সবাই ক্ষুব্ধ ও প্রতিবাদ জানাই।

শিক্ষকরা জানান, 'তিন মাস ধরে বেতন ভাতা না পাওয়ায় আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছে শিক্ষকরা। অবিলম্বে অনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে বেতন বিল পরিশোধ করার জন্য আহ্বান জানান তারা। একই সাথে তারা বিষয়টির সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান মোঃ. আব্দুল হেলিমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, 'শিক্ষা বোর্ড আমার পক্ষে সিদ্ধান্ত দেওয়ার পরও সভাপতি তিন মাস ধরে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা উত্তোলনের বিলে স্বাক্ষর করছেন না।

এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শাহ মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ফিরোজের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, 'প্রধান শিক্ষককে নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এর সিদ্ধান্ত দেবে শিক্ষা বোর্ড। আমি কারও বেতন আটকিয়ে রাখিনি।'

আপনার মতামত লিখুন :

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া

বাজারে জাটকার ছড়াছড়ি, দামও চড়া
বরগুনায় ইলিশের বাজার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনায় বাজারগুলোতে জাটকার ছড়াছড়ি থাকলেও দেখা মিলছে না বড় ইলিশের। আর মাছ ধরার মৌসুম হলেও এসব জাটকা বিক্রি হচ্ছে বেশ চড়া দামে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বরফ দেওয়া মাছও তাজা বলে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকটা বাধ্য হয়ে বেশি দাম দিয়েই জাটকা কিনতে হচ্ছে। আর মাছ ব্যবসায়ীদের দাবি, ঈদের পর হওয়ায় মাছের দাম একটু বাড়তি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245039647.jpg

 

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বরগুনার কয়েকটি মাছের বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, ১০ ইঞ্চির ছোট জাটকায় ভরে আছে বাজার। ছোট মাছ (২০০ গ্রামের কম) প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, মাঝারি (২৫০-৩০০ গ্রাম) ৮০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২০০ টাকায়। আর এক কেজির বেশি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে দুই-তিন হাজার টাকা।

মাছ ক্রেতা রানী বেগম জানান, এক কেজি জাটকা কিনেছেন ৫০০ টাকায়। এক কেজিতে হয়েছে ৬টি ইলিশ। যা সাধারণ মাছের দামের চেয়ে তিনগুণ।

মাছ ব্যবসায়ী আবুল হোসেন জানান, ঈদের পর মাছের দাম একটু বেশি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566245068318.jpg

 

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'গত নভেম্বর-জুন পর্যন্ত জাটকা ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় এখন অনেক ইলিশ ধরা পড়ছে।'

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ্ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'মৎস্য আইন অমান্য করে জাটকা ইলিশ ধরলে ও তা বিক্রি করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর আগামীকাল থেকে মাছের বাজারগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।' 

আরও পড়ুন, পটুয়াখালীতে জমে উঠেছে ইলিশের বাজার

বরিশালে ডেঙ্গুতে তরুণীর মৃত্যু

বরিশালে ডেঙ্গুতে তরুণীর মৃত্যু
মৃত সুমাইয়া আক্তার, ছবি: সংগৃহীত

বরিশালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বরিশালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেন। মৃত সুমাইয়া পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বাসিন্দা ফজলুল হকের মেয়ে।

তিনি জানান, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত সুমাইয়াকে মুমূর্ষ অবস্থায় শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা। ভর্তির পর থেকেই সুমাইয়াকে ডেঙ্গুর সব ধরণের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়। তারপরও সোমবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এদিকে পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. শাহে মোজাহেদুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সুমাইয়া প্রথমে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিমে শুক্রবার রাতে ভর্তি করা হয়। শেবাচিমের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে সে মারা যায়।'

এ নিয়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ জন এবং গৌরনদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র