Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

মাদক ছেড়ে আলোর পথে হাবিবুর

মাদক ছেড়ে আলোর পথে হাবিবুর
হাবিবুর রহমানের দেওয়া দোকান উদ্বোধন করছেন জেল সুপার মো. জাকের হোসেন / ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট কুষ্টিয়া বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার খোর্দ্দ ভালুকা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মো. হাবিবুর রহমান। পড়ালেখা না করায় মাঝে মাঝে দিনমজুরের কাজ করতেন। তবে এক সময় মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েন। মাদক সেবনের দায়ে প্রায়ই তাকে কারাবরণও করতে হতো। তবে সম্প্রতি দীর্ঘদিন কারাবাস থাকার পর তিনি মাদক ছেড়ে আলোর পথে ফিরে এসেছেন।

কুষ্টিয়া জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে কয়েদিদের বিভিন্ন কাজের প্রশিক্ষণ ও অক্ষরজ্ঞান দানসহ ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয়। কারাগারের জেল সুপার হাবিবুরকে প্রথমে অক্ষর জ্ঞান এবং পরে ইলেকট্রনিক্স ও হাউসওয়্যারের কাজ শেখানোর ব্যবস্থা করেন। কারাগারে তিন মাস প্রশিক্ষণ নিয়ে হাবিবুর সনদও পান। পরে শপথ নেন, এবার কারাগার থেকে বের হয়ে আর মাদক সেবন করবেন না এবং সুস্থ সমাজে বসবাস করবেন।

হাবিবুর রহমান গত দুইমাস আগে জামিনে বের হন। পরে গ্রামে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে ইলেকট্রিকের কাজ করতেন। এক পর্যায়ে স্থানীয় বাজারে একটি দোকান দেন। বুধবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ফিতা কেটে ওই দোকান উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়ার জেল সুপার মো. জাকের হোসেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/27/1556383016034.jpg

এ সময় জেল সুপার জাকের হোসেন সাংবাদিকদের জানান, কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে মাদকসেবী বন্দীরা আলোর পথ খুঁজে পেয়েছেন। কারাবন্দীরা এখন বিভিন্ন আত্মকর্মসংস্থানমূলক কাজের প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের বিভিন্ন সংস্থা বা সরকারিভাবে সহযোগিতা করতে পারলে তারা আরও সামনে এগিয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

মহেশপুরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী নিহত

মহেশপুরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী নিহত
আটক স্বামী আব্দুল কুদ্দুস, ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউনিয়নের সেজিয়া গ্রামে স্ত্রী ফিরোজা খাতুনকে (৪০) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ স্বামীকে আটক করেছে। শনিবার (১৭ আগস্ট) মধ্যরাতে সেজিয়া গ্রামের উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

মহেশপুর থানার ওসি রাশিদুল আলম জানান, শনিবার মধ্যরাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী ফিরোজাকে কুপিয়ে হত্যা করে আব্দুল কুদ্দুস। পরে সকালে নিজেই প্রতিবেশীদের খবর দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আব্দুল কুদ্দুসকে আটক করে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। আব্দুল কুদ্দুস পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রী। সে প্রায় নেশা করতো বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

দেশে আনা হলো কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ

দেশে আনা হলো কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ
বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ভারতের কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ফারজানা ইসলাম তানিয়া ও মাঈনুল আলমের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ৯টায় ভারতের পেট্রাপোল ও বাংলাদেশের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ দুটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

নিহত ফারজানা ইসলাম তানিয়া কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার চান্দুর গ্রামের মুন্সি আমিনুল ইসলামের মেয়ে। তিনি বাবা মায়ের দুই মেয়ের মধ্যে বড় ছিলেন। তার মৃতদেহ গ্রহণ করেন চাচাতো ভাই আবু ওবায়দা শাফিন। ফারজানা ইসলাম তানিয়া সিটি ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে রাজধানীর ধানমণ্ডি শাখায় কর্মরত ছিলেন।

অপরদিকে মাঈনুল আলম ঝিনাইদহের ভুটিয়ারগাতি গ্রামের কাজী খলিলুর রহমানের ছেলে। তিনি গ্রামীণ ফোনের এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার মৃতেদহ গ্রহণ করেন চাচাতো ভাই জিহাদ আলী।

নিহতদের স্বজনরা জানান, চিকিৎসার উদ্দেশে তারা গত ১৪ আগস্ট কলকাতায় যান। পরে ১৬ আগস্ট ফারজানা, মাঈনুল ও তাদের এক সহকর্মী শফিউল্লাহ সহ তারা তিন জন কলকাতার সেক্সপিয়র সরণিতে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সিএনজির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566099097478.jpg
কলকাতায় নিহত মাঈনুল আলম ও ফারজানা ইসলাম তানিয়া/ ছবি: সংগৃহীত

 

এ সময় দুই দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা দুটি প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি প্রাইভেট কার উল্টে তাদের গায়ের ওপর এসে পড়ে। এ সময় গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন ফারজানা, মাঈনুল। আহত হন অপরজন শফি উল্লাহ।

শফি উল্লাহ জানান, কপালের জোরে তিনি বেঁচে গেছেন। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোয় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এমন ঘটনার জন্য তিনি ভারত সরকারের কাছে বিচার দাবি করেন।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, ‘মৃতদেহ দুটির কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করে তাদের পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।’

এদিকে, মৃতদেহ দুটি বেনাপোল বন্দরে পৌঁছালে তা দেখতে শত শত মানুষের ভিড় জমে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র