Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাজেটে তামাকপণ্যে উচ্চহারে কর বৃদ্ধির দাবি

বাজেটে তামাকপণ্যে উচ্চহারে কর বৃদ্ধির দাবি
তামাকপণ্যের ওপর উচ্চহারে কর আরোপের দাবিতে ‘অ্যাসোসিশেন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্টের (এসিডি) সংবাদ সমেলসন
স্টাফ করেসপন্ডেট
রাজশাহী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে তামাকপণ্যের ওপর উচ্চহারে কর আরোপের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘অ্যাসোসিশেন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি)। রোববার (২৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর সাগরপাড়ায় অবস্থিত সংগঠনটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

‘কেমন তামাক-কর চাই’ শীর্ষক আয়োজনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী শাহেদ।

সংগঠনের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে দেশে অকাল মৃত্যুর মিছিল বন্ধে আগামী ২০১৯-২০ বাজেটে বেশ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়। সেখানে সিগারেটের মূল্যস্তর সংখ্যা ৪টি থেকে কমিয়ে ২টিতে (নিম্ন এবং উচ্চ) নিয়ে আসা।

এছাড়াও বিড়ির ফিল্টার এবং নন-ফিল্টার মূল্য বিভাজন তুলে দেওয়া এবং ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের ট্যারিফ ভ্যালু প্রথা বিলুপ্ত করা এবং চার. সকল তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য থাকবে।

এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন এসিডি’র নির্বাহী পরিচালক (ইডি) সালীমা সারোয়ার। তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. শাহীনুর রহমানের সঞ্চালনায় এসময় অন্যদের মধ্যে এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা) এরর রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়ক শরীফ সুমন, সদস্য ড. আইনুল হক, আহসান হাবীব অপুসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের মতামত নেয়া হচ্ছে

প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের মতামত নেয়া হচ্ছে
রোহিঙ্গাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মিয়ানমারের দেয়া প্রত্যাবাসনের তালিকায় যে সব রোহিঙ্গার নাম রয়েছে তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে কক্সবাজার টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা শিবিরে এ মতামত নেয়া শুরু হয়েছে।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছে, মূলত মিয়ানমার যাদের না দিয়েছে তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে। তাদের মতামতের ওপর নির্ভর করছে আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের সূচনা হবে কী হবে না। মতামত নেয়ার কাজ করছে ইউএনএইচসিআর ও আরআরআরসি’র প্রতিনিধিরা। রোহিঙ্গা নারী-পুরুষদের পৃথকভাবে মতামত নেয়া হচ্ছে।

টেকনাফের জাদিমোরা শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ (সিআইসি) মোহাম্মদ খালেদ হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘প্রত্যাবাসনের তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। এজন্য ক্যাম্প ইনচার্জ অফিসের পাশে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের ঘর তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ৩ হাজার ৩১০ জনের পর্যায়ক্রমে মতামত নেওয়া হবে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যদি স্ব-ইচ্ছে যেতে রাজি হয় তাহলে আমরা চূড়ান্ত প্রত্যাবাস প্রক্রিয়া শুরু করব। তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছুই করব না আমরা। তাই তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে।’

উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

আজ মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী
মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ, ছবি: সংগৃহীত

আজ মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮৬ সালের আজকের এই দিনে ৮৬ বছর বয়সে তৎকালীন ঢাকা পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) রাতের শেষ প্রহরে তিনি ইন্তেকাল করেন।

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার তারুটিয়া গ্রামে এক পীর বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শাহ সৈয়দ আবু ইসহাক ও মাতা আজিজুন্নেছা।

আজীবন সংগ্রামী মানুষ ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ। তার নেতৃত্বে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনে সলঙ্গা হাটে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লোক হতাহত হয়। ১৯৫২ সালে তারই নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন হয়। ১৯৫৫ সালে ১২ আগস্ট পাকিস্তানের গণপরিষদে রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলার দাবিতে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তব্য দেন।

১৯৫৭ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি কৃষক আন্দোলন, খেলাফত আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলনসহ দেশ ও জাতীর ক্রান্তিকালে সকল মুক্তির আন্দোলনে সামনে থেকে জাতীর অধিকার আদায়ে আজীবন সচেষ্ট ভূমিকা রেখেছেন।

এ মহান জাতীয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে রায়গঞ্জের নুরুন্নাহার তর্কবাগিশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, উল্লাপাড়া উপজেলার চড়িয়া মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ বিজ্ঞান মাদরাসা, পাটধারী মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ উচ্চ বিদ্যালয়, সলঙ্গা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ পাঠাগার, সলঙ্গা সমাজ কল্যাণ সমিতি, মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র