Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

মাশরাফির হাসপাতাল পরিদর্শন: ৪ চিকিৎসককে প্রত্যাহার

মাশরাফির হাসপাতাল পরিদর্শন: ৪ চিকিৎসককে প্রত্যাহার
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নড়াইল
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা সদর হাসপাতাল পরিদর্শনকালে অনুপস্থিত ৪ চিকিৎসককে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার (ওএসডি) করা হয়েছে।

রোববার (২৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেয়া হয়।

ওএসডি করা চিকিৎসকরা হলেন- কার্ডিওলজি বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. শওকত আলী, কার্ডিওলজি বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. রবিউল আলম, সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. আখতার হোসেন ও মেডিকেল অফিসার ডা. এএসএম সায়েম।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার/স্বাস্থ্য সার্ভিসের এ কর্মকর্তাদের পুনরায় আদেশ না দেয়া পর্যন্ত তাদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি/পদায়ন (ওএসডি) করা হলো। বদলি/পদায়নকৃত এ কর্মকর্তাদেরকে আদেশ জারির ৭ কর্মদিবসের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী কর্মস্থল হতে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত হবেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/29/1556521335897.gif

সিভিল সার্জন ডা. আসাদ-উজ-জামান মুন্সী সদর হাসপাতালের চার চিকিৎসককে ওএসডি করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে চার চিকিৎসককে ওএসডি করার পর হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও প্রকাশ্যে চিকিৎসকরা মাশরাফি সম্পর্কে কটূক্তিও করছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল বিকেলে আকস্মিকভাবে সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে যান মাশরাফি। এ সময় কর্তব্যরত ৪ চিকিৎসকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না দেখে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আব্দুস শাকুর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের কাছ থেকে নানা ধরনের সমস্যার বিষয় জানতে পারেন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার চিত্রও দেখতে পান। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের কর্মকর্তাদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা করেন।

হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে এ সভায় জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন পিপিএম, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আব্দুস শাকুর, সিভিল সার্জন ডা. আসাদ-উজ-জামান মুন্সি, হাসপাতালের আর.এম.ও ডা. মশিউর রহমান বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এমপি মাশরাফি-বিন মর্তুজা বেশ কিছু বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেন। অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। এরপরই ওই চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা
শেরপুরের ম্যাপ

শেরপুরে ফরিদা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর পৌর এলাকার গৌরিপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফরিদা ওই এলাকার মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।

নিহতের নাতি শিহাব বলেন, ‘আমি শেরপুরে একটি মোটরসাইকেল শো-রুমে কাজ শেষে বাসায় যাই। এসময় ঘরে সামনে গিয়ে দরজা খোলার জন্য দাদীকে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তিনি দরজা না খোলায় পাশের বাসা থেকে হাতুড়ি এনে তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দাদীকে গলা কাটা অবস্থায় পাই। এরপর চিকৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসে। আমি আর কিছু জানি না।’

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা বৃদ্ধার গলা কেটে রেখেছে আমরা ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি।

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র