Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নীলফামারী ডিসি অফিসে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

নীলফামারী ডিসি অফিসে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট নীলফামারী বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারী জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অফিস সহায়ক পদে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের কোটা সংরক্ষণ না করে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ঘুষ নিয়ে নিয়োগ দেওয়ায় জড়িত কর্মকর্তাদের শাস্তি এবং ওই পদে পুনঃনিয়োগের দাবি জানিয়েছে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। এই দাবিতে সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, গত ১৪ এপ্রিল নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে ১৭ জনের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রশাসন। চতুর্থ শ্রেণিভুক্ত এ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসন কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও সন্তানদের ছেলে-মেয়েদের ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করা হয়নি। বরং মুক্তিযোদ্ধা কোটার পাঁচটি পদের মধ্যে তিনটি পদ সাধারণ কোটা থেকে পূরণ করা হয়েছে।

বিক্ষোভ মিছিলে নীলফামারী সদর উপজেলার সাবেক কমান্ডার শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতিটি অফিস সহায়ক পদের বিপরীতে ১৫-২২ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণ না করে সাধারণ কোটা থেকে পদ পূরণ করা হয়েছে। তাই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নির্দিষ্ট পদ সংরক্ষণ করে পুনরায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর দাবি জানাচ্ছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/29/1556553085264.jpg

বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের নীলফামারী সদর উপজেলা কমান্ড ইউনিটের সাবেক সহকারী কমান্ডার বাবুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল ইসলাম, বংকু বিহারী রায়, বিশু দেব রায়, শ্বশী মোহন রায়, অমুল্য রতন, হানিফ, আব্দুল মালেক, কেবারতুল্লাহ সহ নীলফামারী সদরসহ জেলার ডিমলা, ডোমার, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা।

আপনার মতামত লিখুন :

ছেলের বিয়ের বাজার শেষে বাড়ি ফেরা হলো না আজিজুলের

ছেলের বিয়ের বাজার শেষে বাড়ি ফেরা হলো না আজিজুলের
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মোটরসাইকেল-আলমসাধুর মুখোমুখি সংঘর্ষে আজিজুল হক (৫৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। তিনি মোটরসাইকেলের চালক ছিলেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকালে উপজেলার মুন্সিগঞ্জে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আজিজ দামুড়হহুদা উপজেলার পুরাতন বাজার পাড়ার মৃত মোজাফফর হোসেনের ছেলে।

নিহতের স্বজনেরা জানান, ছেলের বিয়ে উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শুক্রবার কুষ্টিয়ার পোড়াদহে কেনাকাটা করতে যান আজিজুল। ফেরার পথে তিনি মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পরিবারের সদস্যরা ফিরছিলেন সিএনজিচালিত অটোরিকশায়।

মুন্সিগঞ্জের নিগার সিদ্দিক কলেজের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অবৈধ আলমসাধুর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মারাত্মকভাবে জখম হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়ায় আমন চাষের ধুম পড়েছে

বগুড়ায় আমন চাষের ধুম পড়েছে
জমিতে পর্যাপ্ত পানি থাকায় কৃষক ঘরে বসে নেই, চলছে আমনের চারা রোপণ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতের পর বগুড়ায় আমন চাষের ধুম পড়েছে। জমিতে পর্যাপ্ত পানি থাকায় কৃষক ঘরে বসে নেই। একদিকে চলছে জমি চাষ অন্যদিকে চলছে চারা রোপণের কাজ। চারা এবং শ্রমিকের মূল্য কম থাকায় কেউ জমি ফেলে রাখছেন না। বোরো চাষের লোকসান আমন চাষের পুষিয়ে নেয়ার জন্যই কৃষকের এই উদ্যোগ। তবে এবার বন্যার কারণে বগুড়া জেলার পূর্ব অঞ্চলের সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় আমন চাষ দেরিতে শুরু হবে।

বগুড়া জেলার অধিকাংশ জমি তিন ফসলি। এ কারণে কৃষক বোরো ধান ঘরে তোলার পর এক থেকে দেড় মাস জমি ফেলে রাখে। আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি থেকে আমন চাষ শুরু করেন। কিন্তু এবার আষাঢ় মাসে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় অনেকেই আগাম চাষের জন্য সেচ মেশিনের পানি দিয়ে আমন চাষ শুরু করেন।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, আমন চাষের মৌসুম পহেলা শ্রাবণ থেকে শুরু হয়। কিন্তু  আলু চাষের কারণে বগুড়া অঞ্চলের কৃষক ১৫-২০দিন আগে থেকেই আমন চাষের প্রস্তুতি নেন। এবার আষাঢ় মাসে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় আগাম আমন চাষ করতে পারেন নি। তবে মৌসুমের শুরুতেই ব্যাপক বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষক ঘরে বসে নেই।

গাবতলী উপজেলার খলিশাকুড়ি গ্রামের শাহিন ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, তিনি পেশায় গৃহ নির্মাণ শ্রমিক। অন্যের জমি পত্তন নিয়ে তিনি চাষাবাদ করেন। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে থাকায় শ্রমিক না নিয়ে নিজেই আমন চারা রোপণ করছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563539343944.gif

শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর গ্রামের কৃষক হুমায়ুন কবির বার্তা টোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, এবার আমন চাষে খরচ তেমন হবে না। জমিতে পর্যাপ্ত পানি এবং ঘরের বীজ রয়েছে। শুধু চারা রোপণের শ্রমিক এবং জমি চাষের খরচ। পাওয়ার টিলার দিয়ে এক বিঘা জমি চাষ করতে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা খরচ হয়। এবার শ্রমিকের দাম কম রয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোন জমি ফাঁকা নেই, কেউ চাষ করছেন আবার কেউ চারা রোপণ করছেন।

নন্দীগ্রাম উপজেলার রিধইল গ্রামের কৃষক ফজলুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, বোরো চাষ করে লোকসান হয়েছে। দাম কম থাকায় এখনও ধান বিক্রি করা হয়নি। লোকসান পুষিয়ে নেয়ার জন্য এবার ১৭ বিঘা জমিতে আমন ধানের চারা রোপণের কাজ শুরু করেছি। আমন ধান ঘরে তোলার পর একই জমিতে আলু চাষ করব।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পহেলা শ্রাবণ থেকে আমন চাষ শুরু করা হয় এবং তা চলে ভাদ্র মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলে। এছাড়াও বগুড়ার সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর চরে আশ্বিন মাস পর্যন্ত গাইঞ্জা ধানের চারা রোপণ করা হয়। কিন্তু বন্যার কারণে এবার চরাঞ্চলের ধান নষ্ট হয়ে গেছে। আমন মৌসুমে জেলার ১২ উপজেলায় এক লাখ ৭৩ হাজার ৪৮৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র