Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

'আ’লীগ সরকারই শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়েছে'

'আ’লীগ সরকারই শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়েছে'
বক্তব্য রাখছেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নাটোর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার বিগত ১০ বছরে দেশের শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়েছে। অথচ বিগত সরকারগুলো শুধু মুখেই শ্রমিকদের অধিকার বাস্তবায়ন করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার শ্রমিকবান্ধব বলেই তাদের 'জীবন ধারণে সহায়ক' মজুরি নির্ধারণ করে দিয়েছে।'

বুধবার (১ মে) মহান মে দিবস উপলক্ষে সিংড়া বাস টার্মিনালে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘দেশের রফতানি নির্ভর অর্থনীতির চাকা সচল রাখা ও রেমিটেন্স প্রবাহ অব্যাহত রাখার মাধ্যমে দেশ ও প্রবাসে শ্রমিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ ওহিদুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, সিংড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ ও উপজেলার ২৪টি শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 

সমাবেশ শেষে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ৫ জন শ্রমিককে একটি করে ভ্যান, ২ জন শ্রমিককে রিকশা এবং ৯ জন শ্রমিককে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন। 

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় বন্যায় এক লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত, ৪ জনের মৃত্যু

গাইবান্ধায় বন্যায় এক লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত, ৪ জনের মৃত্যু
গাইবান্ধায় বন্যা কবলিত এলাকা/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধার বন্যার পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। কমতে শুরু করেছে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদের পানি। এবারের বন্যায় পাঁচটি উপজেলার প্রায় এক লাখ পরিবারের চার লাখ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব মানুষের মাঝে নানান রোগের প্রার্দুভাব ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার (২০ জুলাই) সকাল পর্যন্ত জেলা শহরে প্রবেশদ্বারে চারটি সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বিশেষ জরুরি কাজে অনেকে পায়ে হেঁটে হাঁটুপানি দিয়ে শহরে প্রবেশ করছেন। রেল লাইনের উপরে পানি থাকায় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

গত কয়েকদিনে বন্যার পানিতে ডুবে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। ভেসে গেছে শত শত গবাদিপশু।

এদিকে সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সাদুল্লাপুর ও সদর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হলেও, গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ী দুটি উপজেলায় নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। এখানকার বন্যা পরস্থিতি অবনতি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563599690325.jpg

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চলমান বন্যায় জেলার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সাদুল্লাপুর ও সদর উপজেলার একলাখ ৪ হাজার পরিবারের ৪ লাখ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার কাঁচা রাস্তা ৫১৭ কিলোমিটার, পাকা রাস্তা কিলোমিটার, ১৮ টি কালভার্ট এবং সাড়ে ৫৭ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৬৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৭১ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৭৫ টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড গাইবান্ধার কন্ট্রোলরুমের দায়িত্বরত কর্মকর্তা লালন আহমেদ বার্তাটুয়েন্টিফোর.কমকে জানান, শনিবার (২০ জুলাই) সকাল ৯ টা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ১২৯ সেন্টিমিটার, ঘাঘট নদীর পানি ৬৯ সেন্টিমিটার এবং তিস্তা নদীর পানি ৫০ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক (রুটিন দায়িত্ব) রোখসানা বেগম বার্তাটুয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গতদের নানান সহায়তা দেওয়াসহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। যা চলমান থাকবে।

জামালপুরে বন্যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে

জামালপুরে বন্যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। জেলার সাত উপজেলায় ৬২টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে, বন্ধ হয়ে গেছে সড়ক ও রেল পথ, তলিয়ে গেছে ১৫ হাজার হেক্টর ফসলি জমি। অপরিবর্তিত রয়েছে বন্যার পরিস্থিতি। এ পর্যন্ত ১২ লাখ ৭০ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছে ও বকশীগঞ্জে পৃথকস্থানে বন্যার পানিতে ডুবে ৩ জন মারা গেছে ।

শনিবার (২০ জুলাই) সকালে যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার ফলে জেলার ৬২ টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুকুরের মাছ, মুরগীর খামার, গরুর খাবার ও ফসলের মাঠ। সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর-দুরমুট, মেলান্দহ, তারাকান্দি রেল স্টেশনে লাইনে পানি উঠায় ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়ে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563598827686.jpg
বন্যা পরিস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে 

 

পানি বৃদ্ধির কারণে বন্যা কবলিত এলাকায় ১১০৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে। জামালপুরে বন্যা কবলিত ২ লাখ ৩০০ পরিবারের ১২ লাখ ৭০ হাজারের অধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার শুকনো খাবারের তীব্র অভাবের পাশাপাশি শিশু খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

বন্যা কবলিত এলাকায় ৩৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছে হাজার বানভাসি মানুষ। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোট বরাদ্দকৃত ত্রাণের পরিমাণ ৮৫০ মেট্রিকটন চাল চার হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১৪ লাখ ৫০ হাজার নগদ অর্থ বরাদ্দ করেছে ।
এদিকে আশ্রয়কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কোন দেখা মেলেনি। কোন বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ নেই। ফলে বন্যা কবলিত মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র