Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

বান্দরবানে বিএনপি নেতার হুমকিতে ইউএনও'র জিডি

বান্দরবানে বিএনপি নেতার হুমকিতে ইউএনও'র জিডি
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বান্দরবান
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বান্দরবান জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী কাজী মহোতুল হোসেন যত্নের হুমকির অভিযোগে নিরাপত্তাহীনতায় জিডি করেছেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নোমান হোসেন প্রিন্স।

বুধবার (১ মে) সন্ধ্যায় কাজী মহোতুল হোসেন যত্নের বিরুদ্ধে সদর থানায় জিডি করেন ইউএনও নোমান হোসেন প্রিন্স।

পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ওবায়দুল হক ও আলী আহম্মদ কাজী মহোতুল হোসেন যত্নের বিরুদ্ধে তাদের দখলীয় জায়গায় পাহাড় কেটে জমির রূপ পরিবর্তন করায় জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দেন।

জেলা প্রশাসক ইউএনও-কে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়ার পর তদন্তে প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে গত ২৩ এপ্রিল মহোতুল হোসেন যত্নের বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার অপরাধে অইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরিবেশ অধিদফতরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠান ইউএনও।

এর জের ধরে গত ৩০ এপ্রিল মঙ্গলবার মহোতুল হোসেন যত্ন ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে খোঁজ-খবর নেন,  মোবাইল ফোনে একাধিকবার হুমকি দেন। পাহাড় কাটার ঘটনায় পরিবেশ আদালতে পাঠানো প্রতিবেদন ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ইউএনও-কে হুমকি দেন মহোতুল হোসেন।

ইউএনও নোমান হোসেন বলেন, ‘গত ৫ ফেব্রয়ারি জায়গার বিরোধ মিমাংসায় সেখানে গেলে পাহাড় কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে পরিবেশ অধিদফতরে প্রতিবেদন পাঠালে ক্ষেপে যান যত্ন। নানাভাবে হুমকি দেওয়ায় জিডি করেছি।’

অভিযুক্ত কাজী মহোতুল হোসেন যত্ন বলেন,  ‘ইউএনও-কে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি সত্য নয়। আমি শুধু বলেছি, আপনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছেন। পাহাড় কাটার সাথে আমি কোনোভাবে সম্পৃক্ত নই এবং আমাকে জরিমানাও করা হয়নি। তাছাড়া যে জায়গা নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটি আমার নয়।’

আপনার মতামত লিখুন :

গণধর্ষণ মামলার আসামি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার

গণধর্ষণ মামলার আসামি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার
আসামি বাদশা হোসেন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঝিনাইদহে ৭ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাদশা হোসেনকে (৩১) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার খাজুরা জোয়ার্দ্দার পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার বাদশা খাজুরা এলাকার মৃত মন্তেজ হোসেনের ছেলে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খান জানান, গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাদশা খাজুরা এলাকায় অবস্থান করেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাদশা ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুলিশকে আঘাত করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে। এতে বাদশা পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ঈদের দিন সন্ধ্যায় শহরের মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী পাশের বাড়িতে তার মাকে খুঁজতে বের হয়। এ সময় বাদশা, একই এলাকার মন্টু মণ্ডলের ছেলে রুহুল আমীন ও জাফরের ছেলে মুন্নু তাকে মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর শহরের ক্যাডেট কলেজের সামনের একটি আবাসন এলাকায় ফেলে যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র শকুনি লেক

জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র শকুনি লেক
শকুনি লেক। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

যেকোনো উৎসব বা আয়োজনকে সামনে রেখে আনন্দ-বিনোদনে মেতে উঠেন মাদারীপুরবাসী। বিশেষ করে সেখানের শকুনি লেক এলাকাবাসীর মূল বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই যেকোনো উৎসবকে ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে লেকে।

গেল ঈদে দর্শনার্থীদের জন্য লেকের রাইডে যোগ হয় পায়ে চালানো নৌকা বা প্যাডেল বোট। লেকের টলটলে পানি, আশপাশের মনোরম পরিবেশ সব কিছুই যেন দর্শনার্থীদের মন কাড়ে। তাই সেখানে এখনো রাত ও দিনে ঈদের আমেজ বিরাজমান।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১৮৮৪ সালে শকুনি লেকটি খনন করা হলেও দীর্ঘদিন অযত্ন-অবহেলায় পড়ে ছিল। ২০১৩ সালে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে কাজের শতভাগ শেষ হয়েছে। লেকটিকে আরও সুন্দর করে তুলতে কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566358494030.jpg

লেকটিতে ‘মাদারীপুর ঘড়ি’ নামে একটি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। সেখানে উঠে পুরো শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, শহীদ কানন, শিশুপার্ক, স্বাধীনতা অঙ্গন, শহীদ চত্বর, মুক্তমঞ্চ, এমপি থিয়েটার মঞ্চ, শান্তি ঘাটলাসহ লেকটির বিভিন্ন স্থানে দর্শনার্থীদের ভিড় লেগে থাকে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, শকুনি লেকের চারপাশে শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের মানুষের ভিড় রয়েছে। কেউ কেউ প্রিয়জনের সঙ্গে ছবিও তুলছেন, কেউবা সেলফি তুলছেন। আবার কেউ প্যাডেল বোটে প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরছেন।

বরিশালের গৌরনদী এলাকা থেকে আসা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে নিয়ে জনপ্রিয় এই শকুনি লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছি। এখানের সৌন্দর্যে আমরা সবাই খুশি। বিশেষ করে প্যাডেল বোটে চড়তে পেরে সবার ভালো লেগেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566358514111.jpg

মাদারীপুর শহরের নিজাম উদ্দিন জানান, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল-বিকেল তাকে হাঁটতে হয়। পার্কে হাঁটার জন্য সুন্দর পরিবেশও আছে। তাই তিনি প্রতিদিনই সেখানে যান।

মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘মাদারীপুর জেলাকে পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে লেকটির গুরুত্ব ব্যাপক। আমরা লেকটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করি। তাছাড়া লেকের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) উত্তম কুমার পাঠক জানান, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের একটি দল লেক ও এর আশপাশের এলাকায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র