Alexa

এগিয়ে চলছে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ

এগিয়ে চলছে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ

২৫০ শয্যায় রূপান্তরিত হচ্ছে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল/ ছবি: বার্তা২৪.কম

১০০ শয্যা বিশিষ্ট ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রয়েছে ডাক্তার-নার্স সংকট। এখানে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ রোগী চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। শিশু ওয়ার্ডের সাত শয্যার স্থানে প্রতিদিন চিকিৎসা নিচ্ছে ৮০ থেকে ৯০টি শিশু। হাসপাতালের মেঝেতেই রোগীদের দেওয়া হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। আর চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন রোগীদের সেবা দিতে।

ঝিনাইদহের সাধারণ মানুষের এ কষ্টের দিন শেষের পথে। এবার এই হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করতে নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের পথে। হাসপাতালটির ৮৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। যেখানে থাকবে ১৫টি কেবিন ব্লক, পাঁচটি অপারেশন থিয়েটার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/01/1556729600349.gif

এছাড়া থাকবে আইসিইউ বিভাগ, সিসিইউ বিভাগ, সিটিস্ক্যান ব্যবস্থা, এমআরআই, বহির্বিভাগ চিকিৎসা ব্যবস্থা, নিজস্ব বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, চলাচলের জন্য তিনটি সিঁড়ি ও দুইটি বেড লিফ্ট। এ হাসপাতালটি চালু হলে বর্তমান সমস্যা দূর হবে আর রোগীরাও পাবেন সুচিকিৎসা।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শৈলকুপা উপজেলার বাখরবা গ্রামের নাজমা বেগম বলেন, ‘আমি তিন দিন হলো ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করেছি। তিন দিন পরও বেড পাওয়া যায়নি। বেড স্বল্পতার কারণে আমাদের মেঝেতে থাকতে হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতালটি চালু হলে এ সমস্যা থাকবে না।’

একই উপজেলার বসন্তপুর গ্রাম থেকে আসা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এ হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ভাল। কিন্তু জনবল সংকট ও স্থান সংকুলান না হওয়ায় রোগী ও রোগীর স্বজনদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। তবে আশার কথা হচ্ছে ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি নির্মাণ শেষ হলে মানুষের এ ভোগান্তি থাকবে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/01/1556729581933.gif

হাসপাতালের সিনিয়র কনসালনেন্ট (মেডিসিন) ডা: মোকাররম হোসেন বলেন, ‘হাসপাতাল চালু হওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত জনবল ও উপকরণ দিলে হাসপাতালের সেবার মান আরও উন্নত করা যাবে।’

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: আইয়ুব আলী বলেন, ‘২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে হাসপাতালটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা। যার নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। এ বছরের জুন মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বিল্ডিং হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। তবে দুই মাস বেশি সময় লাগবে।

আপনার মতামত লিখুন :