Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

এগিয়ে চলছে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ

এগিয়ে চলছে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ
২৫০ শয্যায় রূপান্তরিত হচ্ছে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল/ ছবি: বার্তা২৪.কম
সোহাগ আলী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

১০০ শয্যা বিশিষ্ট ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রয়েছে ডাক্তার-নার্স সংকট। এখানে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ রোগী চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। শিশু ওয়ার্ডের সাত শয্যার স্থানে প্রতিদিন চিকিৎসা নিচ্ছে ৮০ থেকে ৯০টি শিশু। হাসপাতালের মেঝেতেই রোগীদের দেওয়া হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। আর চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন রোগীদের সেবা দিতে।

ঝিনাইদহের সাধারণ মানুষের এ কষ্টের দিন শেষের পথে। এবার এই হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করতে নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের পথে। হাসপাতালটির ৮৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। যেখানে থাকবে ১৫টি কেবিন ব্লক, পাঁচটি অপারেশন থিয়েটার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/01/1556729600349.gif

এছাড়া থাকবে আইসিইউ বিভাগ, সিসিইউ বিভাগ, সিটিস্ক্যান ব্যবস্থা, এমআরআই, বহির্বিভাগ চিকিৎসা ব্যবস্থা, নিজস্ব বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, চলাচলের জন্য তিনটি সিঁড়ি ও দুইটি বেড লিফ্ট। এ হাসপাতালটি চালু হলে বর্তমান সমস্যা দূর হবে আর রোগীরাও পাবেন সুচিকিৎসা।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শৈলকুপা উপজেলার বাখরবা গ্রামের নাজমা বেগম বলেন, ‘আমি তিন দিন হলো ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করেছি। তিন দিন পরও বেড পাওয়া যায়নি। বেড স্বল্পতার কারণে আমাদের মেঝেতে থাকতে হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতালটি চালু হলে এ সমস্যা থাকবে না।’

একই উপজেলার বসন্তপুর গ্রাম থেকে আসা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এ হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ভাল। কিন্তু জনবল সংকট ও স্থান সংকুলান না হওয়ায় রোগী ও রোগীর স্বজনদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। তবে আশার কথা হচ্ছে ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি নির্মাণ শেষ হলে মানুষের এ ভোগান্তি থাকবে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/01/1556729581933.gif

হাসপাতালের সিনিয়র কনসালনেন্ট (মেডিসিন) ডা: মোকাররম হোসেন বলেন, ‘হাসপাতাল চালু হওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত জনবল ও উপকরণ দিলে হাসপাতালের সেবার মান আরও উন্নত করা যাবে।’

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: আইয়ুব আলী বলেন, ‘২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে হাসপাতালটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা। যার নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। এ বছরের জুন মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বিল্ডিং হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। তবে দুই মাস বেশি সময় লাগবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু
ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি রফতানি শুরু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (১৯ আগস্ট) থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফিতানি শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে গত ৯ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটি সহ মোট দশদিন বন্দরে সকাল প্রকার পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

ছুটি শেষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

তবে বন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক ছিল।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, টানা দশদিন বন্ধ থাকার পর এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ব্যবসায়ীর স্ত্রী-কন্যা নিখোঁজ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ব্যবসায়ীর স্ত্রী-কন্যা নিখোঁজ
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর স্ত্রী-কন্যা, ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পৌর সদরের চুনিয়াখালিপাড়া মহল্লার কাপড় ব্যবসায়ী আল মুবিন জনের স্ত্রী রুমকি পারভীন (২৬) ও একমাত্র কন্যা জাহরা খাতুন (৩) বেড়াতে গিয়ে চারদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন।

এ ঘটনার পর গত শনিবার (১৭ আগস্ট) রাতে ব্যবসায়ী আল মুবিন শাহজাদপুর থানায় একটি জিডি করেছেন।

এই বিষয়ে আল মুবিন জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈদ উপলক্ষে উপজেলার ভেরুয়াদহ গ্রামে খালার বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকেই তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজ রুমকির মা জিনাত রেহানা রিনা বলেন, 'নিখোঁজের দুই ঘণ্টা পর বগুড়া থেকে বুলবুল তালুকদার নামের এক যুবক আমার বোন জাহানারা বেগম মিনির কাছে ফোন দিয়ে জানায়, রুমকি ও শিশু জাহরা খাতুন তার হেফাজতে আছে। এরপর থেকে ওই ফোন নম্বর বন্ধ রয়েছে।'

আল মুবিন জানান, মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতে ওই যুবক তার স্ত্রী ও কন্যাকে অপহরণ করেছে। দ্রুত তাদের উদ্ধার করতে না পারলে তাদের হত্যার পর লাশ গুম করে ফেলার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, আমরা নিখোঁজ রুমকি ও শিশু জাহরা খাতুনকে উদ্ধারের চেষ্টা করছি। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের উদ্ধারে সক্ষম হব।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র