Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

কেএসআরএম’র সৌজন্যে সিসি ক্যামেরার আওতায় বন্দর থানা

কেএসআরএম’র সৌজন্যে সিসি ক্যামেরার আওতায় বন্দর থানা
সিসি ক্যামেরা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিএমপি কমিশনার মাহবুবুর রহমান/ছবি: বার্তা২৪.কম
নিউজ ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানাকে। দেশের অন্যতম বৃহৎ ইস্পাত শিল্প প্রতিষ্ঠান কেএসআরএম ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার অংশ হিসেবে এই সিসি ক্যামরা স্থাপনে সম্পূর্ণ আর্থিক সহায়তা করছে।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর বন্দর এলাকায় শহীদ মুন্সি ফজলুর রহমান অডিটোরিয়ামে বন্দর থানাধীন ওয়ার্ডগুলোতে স্থাপিত সিসি ক্যামেরা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রেপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মাহবুবুর রহমান।

কেএসআরএম কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে এ সময় তিনি বলেন, অনেক সময় চিহ্নিত করতে না পারায় অনেক অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা কঠিন হয়ে পড়ে। সিসি ক্যামেরা স্থাপনে অপরাধীকে যেমন চিহ্নিত করা যাবে তেমনি এলাকায় অপরাধ প্রবণতাও রোধ হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আমেনা বেগম, মহানগর কমিউনিটি পুলিশ সদস্য অহিদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, কেএসআরএম মানবসম্পদ বিভাগের জিএম সৈয়দ নজরুল আলম, কেএসআরএম মার্কেটিং ডিজিএম রফিকুল আলম, কেএসআরএম সিনিয়র অফিসার-ব্র্যান্ড মিজান-উল-হক।

এ প্রসঙ্গে কেএসআরএম’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) শাহরিয়ার জাহান বলেন, নগরে ক্যামেরা স্থাপন করে সমাজের সেবা করা একটি দুর্লভ সুযোগ। কারণ বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবং শিগগিরই রাষ্ট্র নিজ খরচে পুরো দেশকে আন্তর্জাতিক মানের নজরদারির আওতায় নিয়ে আসবে। তখন এই সুযোগ আর থাকবে না। তাই আমি মনে করি, জনগণ আর পুলিশের পাশে থাকার এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ।

উল্লেখ্য রাজনৈতিক সহিংসতা, মাদক, জঙ্গিবাদ এবং অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে নগরীতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা
শেরপুরের ম্যাপ

শেরপুরে ফরিদা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর পৌর এলাকার গৌরিপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফরিদা ওই এলাকার মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।

নিহতের নাতি শিহাব বলেন, ‘আমি শেরপুরে একটি মোটরসাইকেল শো-রুমে কাজ শেষে বাসায় যাই। এসময় ঘরে সামনে গিয়ে দরজা খোলার জন্য দাদীকে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তিনি দরজা না খোলায় পাশের বাসা থেকে হাতুড়ি এনে তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দাদীকে গলা কাটা অবস্থায় পাই। এরপর চিকৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসে। আমি আর কিছু জানি না।’

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা বৃদ্ধার গলা কেটে রেখেছে আমরা ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি।

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র