Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঝালকাঠিতে ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু

ঝালকাঠিতে ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ঝালকাঠি
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঝালকাঠিতে সাখাওয়াত হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল ১০টায় সদর উপজেলার রাজপাশা গ্রামের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সাখাওয়াত হোসেনের শেখেরহাটে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিনি রাজপাশা গ্রামের ধলু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, সকালে ফজরের নামাজ পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন সাখাওয়াত হোসেন। এর পর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকায় পরিবারের লোকজন তাকে সম্ভাব্য জায়গায় খোঁজাখুজি করে। পরে বাড়ির পেছনের মাঠে একটি গাছের সঙ্গে তাঁর লাশ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

শেখেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তা জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

বিপজ্জনক গ্যাস পাম্প বন্ধ করল প্রশাসন

বিপজ্জনক গ্যাস পাম্প বন্ধ করল প্রশাসন
স্বদেশ গ্লোরী এগ্রো প্রোডাক্টস সিবিজি কোম্পানির অবৈধ ভ্রাম্যমাণ গ্যাস পাম্প। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্বদেশ গ্লোরী এগ্রো প্রোডাক্টস সিবিজি কোম্পানির অবৈধ ভ্রাম্যমাণ গ্যাস পাম্পটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম বানু শান্তি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিপজ্জনক এ পাম্পটি বন্ধ করে দেন। এ সময় পাম্পের মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সম্প্রতি রায়পুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. শাহজাহান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী জামশেদ কবির বাক্কি বিল্লাহ ও সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী নাজমুল কাদের গুলজার গ্যাস পাম্পটি উদ্বোধন করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566223718370.jpg

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের সিংহেরপুল এলাকায় শফিকুর রহমানসহ তিনজন ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে পাম্পটি বসান। কাভার্ড ভ্যানযোগে পাম্পটিতে গ্যাস এনে নিরাপত্তার কথা না ভেবে যানবাহনে তা সরবরাহ করা হতো। এছাড়া একটি ফিলিং মিটার বসিয়ে অতিরিক্ত দামে চালকদের কাছে গ্যাস বিক্রি করা হতো।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই আওয়ামী লীগ নেতারা অবৈধ পাম্পের মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এটি পরিচালনা করতে সহায়তা করছেন।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম বানু শান্তি জানান, রায়পুর-চাঁদপুর সড়কের সিংহেরপুল এলাকায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে একটি ভ্রাম্যমাণ গ্যাস পাম্প পরিচালিত হয়ে আসছিল। এজন্য পাম্পটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

গাইবান্ধায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল

গাইবান্ধায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল
হাটে কারেন্ট জাল হাতে খুচরা বিক্রেতারা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোলাপবাগ হাটসহ জেলার বিভিন্ন হাটে-বাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল অবাধে বিক্রি হচ্ছে। ফলে নদ-নদী ও খাল-বিলের ডিমওয়ালা মাছগুলো নির্বিকারে নিধন চলছে। ফলে এ এলাকায় নানা জাতীয় দেশীয় মাছ বিলুপ্তির পথে।

জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করতোয়া, বাঙ্গালী নদী, নুরুলের বিলসহ বিভিন্ন খাল-বিলে এখনো যথেষ্ট পরিমাণ দেশি মাছ পাওয়া যায়। বর্ষায় এসব নদী-নালা, খাল-বিলে মাছ ডিম ছাড়ায় প্রচুর রেণু-পোনা জন্ম নিয়েছে। বন্যার পানি কমতে শুরু করায় নদী ছাড়াও খাল-বিলে প্রচুর মাছ পাওয় যাচ্ছে। এ কারণে হাট-বাজারে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও উপজেলার-গোলাপবাগ হাটসহ বিভিন্ন হাট বাজারে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের জমজমাট বাজার বসেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, গোলাপবাগ হাটে সপ্তাহের রোববার ও বৃহস্পতিবার হাটের দিন খোলাবাজারে প্রকাশ্যে প্রায় অর্ধশত ব্যবসায়ী চটি দোকান বসিয়ে, আবার কেউ দাঁড়িয়ে হাজার হাজার টাকার কারেন্ট জাল বিক্রি করে থাকেন। এছাড়া প্রতিদিন পাইকারি দরে লাখ লাখ টাকার কারেন্ট জাল এ হাটে বিক্রি হয়ে থাকে। এসব কারেন্ট জাল এই এলাকার দেশীয় মাছের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উপজেলার রাখালবুররুজ ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামের লিটন মিয়া বলেন, ‘বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গেই গ্রামের মানুষ কারেন্ট জাল কিনে এনে খাল-বিল, নদী
নালায় ব্যাপক হারে মাছ ধরছে। এভাবে মাছ ধরলে মাছের বংশ নির্বংশ হয়ে যাবে।‘

গোবিন্দগঞ্জ পৌর সভার কালিকাডোবা গ্রামের কহিনুর বেগম বলেন, ‘আমিসহ গ্রামের আনেকেই গোলাপবাগ হাট থেকে কারেন্ট জাল কিনে এনে তা সাজিয়ে বিক্রি
করি। এ বছর বন্যা ও ব্যপক বৃষ্টিপাত হওয়ায় ডোবা খাল-বিল নদীনালা সর্বত্র পানিতে ভরে যায়। সর্বত্র পানি থাকায় সাজানো কারেন্ট জাল বিক্রি করে আমরা
লাভবান হয়েছি।’

এদিকে, নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক ক্ষুদ্র জাল ব্যবসায়ী জানান, উত্তরবঙ্গের সব চেয়ে বড় কারেন্ট জালের পাইকারি ব্যবসার কেন্দ্র হলো গোবিন্দগঞ্জের গোলাপবাগ হাট। কয়েকজন ব্যবসায়ী এ হাটে লাখ টাকার অবৈধ কারেন্ট জালের পাইকারির ব্যবসা করে থাকেন। এ হাট থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা মূল্যের কারেন্ট জাল ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা পাইকারি মূল্যে কিনে নিয়ে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন হাটে বাজারে খুচরা বিক্রি করে থাকেন।

গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা মুমু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘এবারে মৎস্য সপ্তাহে অভিযান পরিচালনা করে বেশ কিছু কারেন্ট জাল পুড়িয়েছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র